Category Archives: ইন্টারনেট

ফেইসবুকে মোবাইল শেয়ার লিংক যেভাবে তৈরী করি করবেন…..

ইদানিং ফেইসবুকে বেশির ভাগে পেইজে কোন স্ট্যাটাসটা নিচে দেওয়া থাকে মোবাইল শেয়ার লিংক। দেখুন কি ভাবে এটা করা যায়।
প্রথম কাজ

সর্ব প্রথম আপনাকে যা করতে হবে,তা হল আপনার পোস্টের লিঙ্কের শুরুতে Continue reading

আমি তাহারে খুজিয়া বেড়াই….. একজন স্টীভ জবস………A – Z ….

সকালে ঘুম থেকে উঠলাম আনুমানিক ৫.৪৫ কিংবা ৬টার দিকে। রাতে বেলা ঘুমাতে পারি নাই। মনে আছে রাতে ৩.২০ পযন্ত জেগে ছিলাম। স্বভাবমত ভেবেছিলাম আজও সকালে উঠতে আমার অনেক দেরি হবে। কিন্তু ভাগীনাদের যন্তনায় আর তা হলে না। সকাল হতে না হতে ওরা জেগে উঠে এবং দুইজনই আমার পিঠের উপর উঠে  বলতে থাকবে গেমস গেমস…..ভাসির্টি ……গেমস খেলব…………কি আর করা। মামা বাড়িতে এসেছে পরীক্ষা শেষ করে  এখন ওদের আবদার তো রাখতেই হবে। ঘুম ঘুম চোখে ওদের জন্য পিসি ওপেন করলাম। ওদের কাছে জানতে চাইলাম কি গেমস খেলবি, দুইজন একসাথে চিৎকার দিয়ে উঠল ভার্সিটি…….gta….. এই  গেমস জিনিসটা আমি খুব একটা খেলথে পারি না। টানা ৫ মিনিট খেললেই আমার মাথা প্রচন্ড ধরে যায়। তাই গেম খেলা ছেড়ে দিয়েছি…তবে মাঝে মাঝে যে খেলি না তা না…….কিন্তু ব্যাপারটা আর আগের মত নেশা পর্যায়ে নাই। গেমস ওপেন করার আগে আমি  ফেইসবুকে একটু টু মারালাম মেইল চেক করার জন্য। প্রথম ঢুকেই দেখি হোম পেইজে আমাদের জুকবার.. লিখেছে Mark Zuckerberg Steve, thank you for being a mentor and a friend. Thanks for showing that what you build can change the world. I will miss you. ফেইসবুকের নতুন ফিচার Subscriptions ( এর কারনেই অণেক বিখ্যাত ব্যাক্তির স্ট্যাটাস পড়তে পারছি এর জণ্য ফেইসবুককে ধন্যবাদ…………… এই স্ট্যাটাসটা দেখে বুঝতে পারলাম না……..আসলে ব্যাপারটা কি হচ্ছে। আমার অনেকগুলো বন্ধুর স্ট্যাটাস দেখে বুঝতে আর বাকি রইল না স্টিভ জবস আর নেই :’( সাথে সাথে গেলাম apple এর ওয়েবসাইটে সেখানে  দেখে আমি পুরোপুরি নিশ্চত হলাম………….:’( সত্যি আমার নিজের যেন বিশ্বাস হচ্ছিল না……………….. কিছুক্ষন মনে করার চেষ্টা করলাম। আজ কি এপ্রিল ফুল কি না। নাকি আইফোন ৫ এর কোন প্রচারনা চালাছে………….. ভাগীনাদের গেমস খেলতে দিয়ে চলে আসলাম। মাথার মধ্যে শুধু ঘুরপাক খাচ্ছে…ব্যাপারটা……… কিছক্ষন পর যখন বিস্তারিত খরব বিভিন্ন  সাইট থেকে জানতে শুরু করলাম তখন সত্যি নিজের ভীষন খারাপ লাগছিল………..আর প্রিয় একজমন মানুষ চলে গেল……….:( আমার এই ধরনের ফাউল প্যাচাল শুনে নিশ্চয় সবাই অণেক বিরক্ত হলে গেলেন তাই না। দেখি স্টিভ সম্পকে কিছু তথ্য। আগেই বলে রাখি সবগুলোই কপি করা। কেউ আমার কপি করেছি এই মামলা করে দেইয়েন না। কারন স্টিভ জবসকে আমি ব্যাক্তিগত ভাবে চিনি না। ত্তনার সম্পকে যতটুকু জেনেছি বিভিন্ন জার্নাল ব্লগ নিউজ পড়ে।  তাই আমার তথ্যের উৎস এতটুকুই……. প্রথমে যেকোন কিছু জানার জন্য আমি  বাংলা উইকিপিডিয়া দেখি। সেখানে না পেলে ইংশিল উইকিপিডিয়ার দেখি। বাংলা উইকিপিডিয়ার স্টিভ জবস সম্পকে যা দেখতে পেলাম তা তুলে দিচ্ছি প্রথমে। এটা থেকে একটু হলেও জানা যাবে কে এই ব্যাক্তি……….. ” স্টিভ জবস (পুরোনাম: স্টিভেন পল জবস) (ইংরেজিতে:Steven Paul “Steve” Jobs) (জন্ম ফেব্রুয়ারি ২৪১৯৫৫, মৃত্যু ৫ অক্টোবর ২০১১) যুক্তরাষ্ট্রের একজন উদ্যোক্তা ও প্রযুক্তি উদ্ভাবক। তিনি অ্যাপল ইনকর্পোরেশনের প্রতিষ্ঠাতাদের অন্যতম ও সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। এছাড়াও তিনি কম্পিউটার ও মনোরঞ্জন শিল্পে একজন বিশ্ববিখ্যাত ব্যক্তিত্ব। জবস, পিক্সার এ্যানিমেশন স্টডিওস-এর সাবেক সিইও। তিনি স্টিভ ওজনিয়াক এবং রোনাল্ড ওয়েন-এর সাখে ১৯৭০ খ্রিস্টাব্দে এপল কম্পিউটার প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি ১৯৯৫ সালে টয় স্টোরি নামের অ্যানিমেটেড চলচ্চিত্র প্রযোজনা করেন।“আগেই বলে নিচ্ছি লেখাটি কিন্তু অনেক বড়………তাহলে শুরু করি…

প্রথমে সবাইকে বলল স্টীভ এর এই বক্তিতাটি পড়ার জন্য-

এই লেখাটাযে আমি কতবার পড়েছি তার হিসাব নেই।বিশ্বসেরা বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে পরিচিত স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির ছাত্রদের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে। বক্তব্যটি অনেক আগের। তবে আমার জীবনে শোনা সবচাইতে মুগ্ধকর আর উৎসাহমূলক বক্তব্য। ভিডিওটি দেখে নিতে পারেন বক্ত্যবটির বাংলা অনুবাদ… প্রথমেই একটা সত্য কথা বলে নিই। আমি কখনোই বিশ্ববিদ্যালয় পাস করিনি। তাই সমাবর্তন জিনিসটাতেও আমার কখনো কোনো দিন উপস্থিত হওয়ার প্রয়োজন পড়েনি। এর চেয়ে বড় সত্য কথা হলো, আজকেই কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠান সবচেয়ে কাছে থেকে দেখছি আমি। তাই বিশ্বের অন্যতম সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সমাবর্তন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পেরে নিজেকে অত্যন্ত সম্মানিত বোধ করছি। কোনো কথার ফুলঝুরি নয় আজ, স্রেফ তিনটা গল্প বলব আমি তোমাদের। এর বাইরে কিছু নয়। আমার প্রথম গল্পটি কিছু বিচ্ছিন্ন বিন্দুকে এক সুতায় বেঁধে ফেলার গল্প।

steve-jobs-ceo-apple-nextস্টিভ জবস– অ্যাপেল কম্পিউটারের প্রতিষ্ঠাতা

ভর্তি হওয়ার ছয় মাসের মাথাতেই রিড কলেজে পড়ালেখায় ক্ষ্যান্ত দিই আমি। যদিও এর পরও সেখানে আমি প্রায় দেড় বছর ছিলাম, কিন্তু সেটাকে পড়ালেখা নিয়ে থাকা বলে না। আচ্ছা, কেন আমি বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়লাম? এর শুরু আসলে আমার জন্মেরও আগে। আমার আসল মা ছিলেন একজন অবিবাহিত তরুণী। তিনি তখন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছেন।

Continue reading

আপনার এবং প্রিয় মানুষের ভালবাসার পরিমান জেনেনিন……..

আমি এই ব্যাপার গুলোতে বিশ্বাস করি না। এটা মজা ছাড়া আর কিছু না….। তবে একটু মজা করে দেখুন না আপনার প্রিয় মানুষ এবং আপনার ভালবাসার পরিমান কতটুকু…………………..

প্রথমে এই সাইটে যান……..

এবার দু্ইটি নাম লিখার ঘর পাবেন

আপনার এবং আপনার প্রিয় মানুষের নাম লিখে দিন

এবার দেখুন আসবে ফলাফল…………..

কিছু স্কিন শর্ট

নিজেই যে কোন Logo তৈরী করুন -ফটোশপ কিংবা গ্রাফিক্সের কাজ জানতে হবে না !!!!!

আমাদের বিভিন্ন প্রয়োজনে বিভিন্ন লগ তৈরি করতে হয়। এটি তৈরি করতে আমাদের বেশ ঝামেলা করতে হয় অনেক টাইম এর প্রয়োজন হয় । আপনি খুব সহজে লগ তৈরি করতে পারবেন একটি সাইটের মাধ্যমে।চলুন বিস্তারিত দেখি।

‘প্রথমে এই সাইটে যান – এখানে  ক্লিক করুন

প্রথমে লগ এর ধরন সিলক্ট করুন।

এখানে তিনটা অপশন থেকে আপনার প্রয়োজনীয়টা সিলেক্ট করুন। দ্বিতীয় ধাপে আপনার কোম্পানীর কাজের ক্ষেত্র নির্বাচন করুন। তৃতীয় ধাপে অনেকগুলো লগো দেখতে পাবেন। এখান থেকে আপনার পছন্দের লগোটি সিলেক্ট করুন। লগোর নিচে যা লেখা থাকবে তা চতুর্থ ধাপে লিখুন। এবার পঞ্চম ধাপে লেআউটে কিছু পরিবর্তন আনতে চাইলে তা করুন। এই ধাপে  লগোটাকে যতটা সম্ভব বড় করুন। {কারন প্রিন্ট স্ক্রিন করে যেহেতু নিচ্ছেন যতটা বড় সাইটের পাওয়া যায় ততটাই ভাল।}। এবার ষষ্ঠ ধাপ, আপনাকে লগোর ডিজাইনটি কিনে নিতে হবে। ভয় পেয়ে গেলেন না তো। যে টাকা খরচ করে কিনতে হবে…!! ভয়ের কারন নেই..। একটু চিন্তা করে দেখুন, কিবোর্ডে প্রিন্ট স্ক্রিন বাটন আছে না! অর্থাৎ আপনার ষষ্ঠ ধাপে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। পঞ্চম ধাপে সব কিছু শেষ করার পর কিবোর্ডের Print Screen বাটনে একবার ক্লিক করুন। এবার Microsoft Paint চালু করে(Start Menu -> Run এ mspaint লিখে এন্টার) এবংctrl+v দিয়ে পেস্ট করুন। পেয়ে গেলেন আপনার লগো। এরপর আর কিছু মনে বলতে হবে না সবাই বুঝে গেছেন । এখন সেভ করুন।

তুসিন আহমেদ

 

উইন্ডোজের বিকল্প অপারেটিং সিস্টেম

উইন্ডোজের বিকল্প অপারেটিং সিস্টেম

মাইক্রোসফট উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম আমরা  অনেকেই ব্যবহার করেন।আমি নিজে এটি ব্যবহার করি। বাংলাদেশের বেশিরভাগ কম্পিউটারেই এ অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করতে দেখা যায়। তবে উইন্ডোজের বিকল্প অপারেটিং সিস্টেমও আছে। এর নাম রিঅ্যাক্ট।
রিঅ্যাক্ট অপারেটিং সিস্টেমে উইন্ডোজে চালানো যায় এমন যন্ত্রাংশেল চালক সফটওয়্যার (ড্রাইভার) ও অন্য প্রোগ্রাম ব্যবহার করা যায়। এটি মূলত উইন্ডোজ এক্সপি ২০০৩ ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা। রিঅ্যাক্ট অপারেটিং সিস্টেম অনেকটা উইন্ডোজের মতোই। বর্তমানে এটি প্রাথমিক আলফা সংস্করণে রয়েছে এবং এর উন্নয়নকাজ চলছে।তাই এখনও এটি উইন্ডোজের সমকক্ষ নয়। রিঅ্যাক্ট অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটারে ইনস্টলকরে বা সরাসরি (লাইভ) সিডি থেকেও চালানো যায়। অপারেটিং সিস্টেমটি এই  ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে নামিয়ে নেওয়া যাবে।পাশাপাশি এর বিস্তারিত তথ্য আছে এ সাইটে।

এখানে কিক্ল করুন

তুসিন আহমেদ