Category Archives: কবিতা

কয়েকটি লাইন – বই

শুরুর কথা

অনেকদিন পর আমার পুরানো কিছু খাতা খুজে পেলাম । তো খাতা গুলো গুছাতে গিয়ে  এই লাইনগুলো খাতা কোন একটা পৃষ্টায় আমি আনমনে লিখে রেখেছিলাম। অনেকদিন পর সেই খাতায় লেখাটা দেখতে পেলাম। আর দেরী না করে সাথে সাথে ব্লগে দিয়ে দিলাম। বলা তো যায় না  আবার যদি খাতাটা হারিয়ে ফেলি। এমন করে আমার অনেক লিখা আমি হারিয়ে ফেলেছি।  এটাকে কবিতা বলা ঠিক হবে না। কারন এই লাইনগুলোর মধ্যে কোন ছন্দ মিল নেই। কবিতা লিখতে হলে যে মিল কিংবা সে ভাষা সুন্দর হতে হয় তা এতকুটুত্ত নেই। তাই এই লাইনগুলোকে কবিতা বলতে আমার ভয় হয়।রবীঠাকুর আমর উপর অভিমান করবে।  তাই আমি এই লিখাগুলোর নাম দিলাম কয়েকটি লাইন।  এই কয়েকটি লাইন পড়ার পর অনেকদিন পর আমি আমার আগের সেই ছোটবেলাম লুকিয়ে লুকিয়ে বই পড়া এবং স্কুল লাইফটা কথা অনেক মনে পড়ে গেল। সেইদিন গুলোকে আজ অনেক মিস করছি।

বই

প্রিয় গল্পের বইটি আর পড়া হয় না অলস দুপুরে

হালকা ঘুম ঘুম ভাবে বইয়ের পাতা উল্টানো হয় না।

মাথার উপর বই রেখে ঘুমানো হয় না। Continue reading

কবিতা:- নল্টালজি-এক

আমি জানি তুই আজত্ত আমার কথা ভাবিস
জানি মাঝে মাঝে দু’নয়ন জলে ভরে
তবুও যেন কত অসহায়
তোকে কোন দোষ দিচ্ছি না….
দোষ যেন আমার ভাগ্যের
মাঝে মাঝে আমিও নষ্টালজি হই
দু’টি চোখও আমার জলে ভরে
ভাবি সেই স্বপ্নের কথা
রাঙ্গামাটির পথে দু’জন
পাহাড়ের উপর ছোট ঘর
বইমেলায় ঘুড়ে বেড়ানো কান্ত শরীরে বাংলা একাডেমীতে বসে পড়া
বেশি কিছু চায়ও ছিল না
ছিল শুধু এক খন্ড সুখের স্বপ্ন
এগুলো কখনো ঘটেনি এমন কি স্বপ্নেও না..
শুধু আমার কল্পনাকে ঘটেছে
তবুত্ত ঘটনাগুলো এত বাস্তব মনে হচ্ছে কেন?
দোষটা কি একাই আমারই !!!!

কবিতা:- কেন জেগে উঠি ?

কেন জেগে উঠি ?

তুসিন আহমেদ


নিজেকে মনে হচ্ছে চরম অভিশপ্ত

যেন পৃথিবী থেকে ছিন্ন কেউ

সকল ভোজাগুলো যেন আমার মধ্যে

কান্তি ছাপ এখনো আমার চোখে

কান্তিতে যেন দু’চোখ বন্ধ হয়ে যায়

মনে হয় আমি ঘুমিয়ে গেছি।

আবার জেগে উঠি

কেন জেগে উঠি?

ভাবি নিরবে কিছুক্ষন

নতুন স্বপ্ন দেখব বলে!!!

স্বপ্ন সেটা আবার কি?

নিজেকে বড়ই বিচিএ মনে হয়

চেনা -জানাগুলোকে অচেনা মনে হয়

ইচ্ছা করে সবগুলো চুল

ছিন্ন করে টেনে ফেলে দেই মাথা থেকে

রক্তগুলো যেন শীতল হয়ে যায়

মাঝে মাঝে রক্তগুলো টগবগিয়ে উঠে

নতুন কিছু করার জন্য

নতুন স্বপ্ন দেখব বলে

বারবার ব্যার্থ হই

ব্যার্থ নয়নে  তাকিয়ে থাকি আকাশের দিকে

কোন এক চন্দ্র রাতে !

বি:দ্র- কিছুক্ষন আগে ঘুম থেকে উঠলাম। কি যেন স্বপ্ন দেখলাম মনে নেই। কিন্তু মনটা কেন যেন খারাপ হয়ে গেল। ঘুম থেকে উঠে। পড়তে বসলাম কিন্তু পড়তে পারলাম না। হাতে কলম নিয়ে লিখতে শুরু করলাম। শেষে এই কয়েকটি লাইন লিখলাম। জানি কবিতার “ক” ও হয়নি।তবুত্ত লিখলাম। কবিতা লেখা বড়ই দুসাধ্য একটা ব্যাপার। যা আমার পক্ষে সম্বভ না। আশা করি সাবই আমার এই কবিতা ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে নিবেন।

বই

বই

প্রিয় গল্পের বইটি আর পড়া হয় না অলস দুপুরে

হালকা ঘুম ঘুম ভাবে আর উল্টানো হয় না বইয়ের পাতা

মাথায় উপর বই রেখে ঘুমানো হয় না বহুকাল থেকে

বইয়ের চরিএগুলো দেখে নিজেকে নায়ক মনে হয় না আর

মনে হয় না আমি এদের একজন

হঠাৎ করে আমি কোথায় যেন হারিয়ে গিয়েছিলাম

আবার ফিরে আসলে করে সেই অলস দুপুরের দিনগুলোকে

ক্লাসের মাঝে লুকিয়ে লুকিয়ে বই পড়া

টিফিনের টাকা জমিয়ে বই কেন

নতুন কোন বই দেখে দীর্ঘ নিশ্বাস ফেলা

নতুন বই কেনার সামর্থ ছিল না।

দোকানে সাজানো বইগুলো তাকিয়ে দেখলাম রোজ স্কুলের যাত্তয়ার পথে

ইর্স যদি এই বইটা পড়তে পারতাম

না পাত্তয়ার মাঝেই সকল তৃপ্তি……….

দ্বিধা {কখন এমন মনে হয় !! প্রেম পড়লে?}

শুরুর কথা- ” আমি কবিত লিখি না। কারন কবিতা লেখা জণ্য যে গুন গুলো দরকার তা আমার নেই। কিন্তু কাল রাতে হঠ্যা করে আমার মাথে এলোমেলো শব্দগুলো ছুটাছোটি করছিল। সবগুলোকে ধরে এনে ক্পুতে ঢুকিয়ে দিলাম।  শেষে দেখলাম এটা একটা প্রেম কবিতা হয়ে গেল।

বি:দ্র – কবিতাটা পড়ার পর নিচে একটা প্রশ্ন আছে। উত্তর দিবেন

দ্বিধা

মাঝে মাঝে ভাবি একটা মহাকবিতা লিখে ফেলি তোমায় নিয়ে

মাঝে মাজে ভাবি একটা মহাউপন্যাস লিখে ফেলি।

মনের কোন এক অজানা থেকে যেন তোমাকে ভাবতে ভাল লাগে।

কেন লাগে ?

এটা কি কোন আবেগ ?

নাকি ভালবাসা?

নাকি প্রেম?

আচ্ছা প্রেম আর ভালবাসা কি এ জিনিস?

মাঝে মাঝে আমি ভাবি গভীর আপন মনে।

ভেবে ভেবে কোন কূল কিনারা পাই না।

তখন নিজেকে দিশাহার মনে হয়

মনে হয় স্রোতময় কোন নদীর মাঝে পাল ছাড়া একটা নৌকার মত

মনে হয়  আকাশের কলো মেঘগুলোর মত আমি ভেসে চলছি

কোন লক্ষ্য নেই সেই ভেসে চলার

তবুত্ত ভেসে চলছি।

হয়ত একদিন অবশান হবে এই আশায়।

মাঝে মাঝে মনে হয় আমার এই অপেক্ষা ভুল

অপেক্ষা শেষ করে দেখব শূন্য আমার দুই হাত।

যেন আমি আগের সেই আমি।

যেমনটা আগে ছিলাম ঠিক তেমনটা

তবুত্ত মনে কোন অজানা স্থান থেকে ভেবে চলছি !!

প্রশ্ন- কখন এমন মনে হয়। প্রেমে পড়লে ?

সুখের ভেলা !!

সুখের ভেলা
তুসিন আহমেদ

আর কত কাঁদাবে মোরে,
আমি তো যাব মহানিদ্রায়।
জীবন আধারে আছ তুমি
সেই চেনা অচেনা তুমি ।
মনে পড়ে সেই শিশির ভেজা সকাল বেলা
আমি আর তুমি ভেসেছিলাম সুখের ভেলায়
শিশির ভেজা ঘাসের উপর বসেছিলাম মোর
পুকুরে পড়েছিল ছায়া
জলধারা দেথেছিল মোদের
পয়েধি বসেছিল কান্তিমান
দিবাকর সুনালী আলোয় ছেয়ে দেয় মোদের
আনিল বহে ছিল অবিরাম
কুন্তল উড়ছিল এলোমেলো
ইক্ষন মোর অবাক হয়ে দেখছিল এলা
সুধাকর বিরাগ, করেছিল মোদের দেখে
কলহ, বিবাদ, সমর, আহর বিগ্রহ
সবই ভুলেগিয়েছিলাম মোরা
কনেকর মত উদ্ভাসিত হলাম মোরা

কার কথা লিখব?

কার কথা লিখব?

তুসিন আহমেদ

আমি কার কথা লিখব?

যারা একাত্তরে প্রান দিয়েছে

যারা বাবা-মা হরিয়েছে

হরিয়েছে ছেলে – সন্তার আন্তীয !!

আমি কাদের কথা লিখব?

সে মা -বোনেরা হারিয়েছে সম্মান

তবু বেচেঁ আছে তারা আমাদের মাঝে

হ্যাঁ আমি তাদের কথাই লিখব গর্বস্বরে

কিন্তু আমি তাদের কথা কেমন করে লিখব?

আল-বদর , বাজারাক , আল -শামস্

লিখতে গেলে কলম থেমে যায়।

ঘৃণা !! ঘৃনা!! ঘৃনা !!!

স্বজাতি স্বজাতিকে এমন করতে পারে ছিলা না জানা

আজ ৪০ বছর পরে জানোয়ারা গর্ব চলছে

আর মাথা নিচু করে চলছে মুক্তিসেনারা

তা কি আমি মেনে নিতে পারি?

চিৎকার করে বলতে ইচ্ছা করে……..

ত্তরা যথন দেশের মাটি হাঁটে

আমার রক্ত যেন  ছিটকে পড়ে।

ত্তদের বিচার হবে সেই আশায় আর কতদিন ……….???

তুসিন আহমেদ

অভাব

অভাব

তোমরা কেউ কি দেখেছ অভাব
অভাব নয় যেন হিংস্র জানোযার
যখনই ভর করে গহীন বনে
অন্ধকার হয় সবকিছু মনে
কখনো কি বের হতে পারব না
মোর ছায়া আলোতে দেখব না।
এভাবে কেটে যাবে সারা জীবন
এতদ্রুত ফুরিয়ে যাবে জীবন
আমার তো জানা ছিল সহজ জীবন
এত নির্মম তা জানা ছিল না
এখনো স্বপ্ন দেখি অভাবহীন জীবন
আলো এসে হাসবে আমার আঙিনায়

তুসিন আহমেদ

fb – tusin_ahmed@yhaoo.com

yahoo mess– ahmedtusin@yahoo.com