Category Archives: খবর

এবার ..উইকিলিকসে বাংলাদেশের…. তথ্য……..!!

এবার উইকিলিকসে বাংলাদেশে……!

!

যুক্তরাজ্যে মুসলমানদের বৃদ্ধি: ‘ভ্র” কুঞ্চিত যুক্তরাষ্ট্রের’

উইকিলিকসের ফাঁস করে দেওয়া মার্কিন নথিগুলোতে দেখা গেছে, যুক্তরাজ্যে মুসলিম সম্প্রদায়ের সংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়ে ‘সচেতন’ দেশটি।

নথিগুলোতে বলা হয়েছে, যুক্তরাজ্যে সাত বছরে মুসলিমদের সংখ্যা ১৬ লাখ থেকে বেড়ে ২০ লাখে দাঁড়িয়েছে। তাতে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে।

মুসলিমদের সংখ্যা বৃদ্ধির হার এভাবে চলতে থাকলে ২০১১ সালে দেশটিতে মুসলমানদের সংখ্যা ২২ লাখ ছাড়িয়ে যাবে।

 

যুক্তরাজ্যে সার্বিকভাবে মুসলিম জনসংখ্যা বাড়ছে তবে বৃদ্ধির হার কম। দেশটিতে জন্মগ্রহণকারীদের ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধর্মীয় গোষ্ঠীর তালিকায় নিচের দিক থেকে মুসলিমরা দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে।

এরমধ্যে বেশিরভাগেরই জন্ম যুক্তরাজ্যের বাইরে। ৪৬ শতাংশের জন্ম যুক্তরাজ্যে। ৩৯ শতাংশের জন্ম এশিয়ায়। ৯ শতাংশের জন্ম বাংলাদেশে।

৭৪ শতাংশ মুসলিম এশীয় বংশোদ্ভূত। এর মধ্যে বাংলাদেশি ১৬ শতাংশ।

 

 

জঙ্গি অর্থায়ন: ‘বাংলাদেশের তদন্তে ভরসা রাখেনি যুক্তরাষ্ট্র’

ফাঁস হয়ে যাওয়া মার্কিন নথিতে দেখা গেছে, কুয়েতভিত্তিক একটি দাতব্য সংস্থা থেকে জঙ্গিদের অর্থায়নের ব্যাপারে বাংলাদেশের তদন্তের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ভরসা রাখেনি।

‘দ্য রিভাইভাল অফ ইসলামিক হেরিটেজ সোসাইটি (আরআইএইচএস) নামের এই দাতব্য সংস্থাটির বিশেষ করে বাংলাদেশে এর শাখাগুলোর কর্মকাণ্ড সম্পর্কে মার্কিন সরকারের উদ্বেগের কথা প্রকাশ করা হয়েছে।

এতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের প্যাট্রিক ও’ব্রিয়েন অর্থ জালিয়াতি রোধ এবং সন্ত্রাসবাদ বিরোধী তহবিলের (এমএমএল/সিটিএফ) বিষয়ে আলোচনার জন্য কুয়েত সরকারের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

তিনি কুয়েত ভিত্তিক দাতব্য সংস্থা ‘দ্য রিভাইভাল অফ ইসলামিক হেরিটেজ সোসাইটি (আরআইএইচএস) বিশেষ করে বাংলাদেশে এর শাখাগুলোর কর্মকাণ্ড সম্পর্কে মার্কিন সরকারের উদ্বেগের কথা জানান।

ও’ব্রিয়েন আরআইএইচএস-এর শাখাগুলোর বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সরকার ও সংশ্লিষ্ট দেশের সরকারগুলোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলেন।

তিনি আরো জানান, আরআইএইচএস-এর শাখাগুলো যে উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে সে সম্পর্কে আরো তথ্য সংগ্রহ ও তা কুয়েত সরকারের কাছে হস্তান্তর করার জন্য মার্কিন সরকার বিভিন্ন দেশের সরকারের সঙ্গে কাজ করছে।

তবে বাংলাদেশ বলছে, মার্কিন সরকার যে সব অভিযোগ উত্থাপন করেছে তার সঙ্গে তাদের মতের মিল নেই।

 

‘ দুই নেত্রীকেই নির্বাচনে চেয়েছিলো যুক্তরাষ্ট্র’

 

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ‘শেষ সময়ে এসে’ শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়াকে বাংলাদেশের মানুষ নির্বাচনে দেখতে চায় বলে ফাঁস হয়ে যাওয়া মার্কিন নথির এক জায়গায় জানানো হয়েছে।

২০০৮ সালের অক্টোবর-নভেম্বর মাসের ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের নথিতে বলা হয়েছে, “বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষই আওয়ামী লীগের প্রধান শেখ হাসিনা এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নেতা খালেদা জিয়ার ডিসেম্বরের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পক্ষে।”

সে সময়কার সেনা সমর্থিত তত্ত্বাধায়ক সরকার বিদেশি দূতাবাস ও বাংলাদেশের সুশীল সমাজের ইন্ধনে দুই নেত্রীকে রাজনীতি থেকে বাদ দেওয়ার তথাকথিত ‘মাইনাস টু থিওরি’ নিয়ে এগুচ্ছিলো বলে ব্যাপকভাবে বিশ্বাস করা হয়।

২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পরপরই জরুরি অবস্থা জারি করে। বিশ্বাস করা হতো এই সরকারের পেছনে দাতা দেশ ও সুশীল সমাজের মদত রয়েছে।

ওই সময় দুই নেত্রীকে কারাগারে আটক রাখা হয় এবং তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা দেওয়া হয়। দুটি দলের প্রভাবশালী কয়েকজন নেতা দলের নেতৃত্ব থেকে হাসিনা ও খালেদাকে বাদ দেওয়ার ব্যাপারেও মাঠে নামে।

নথিতে দূতাবাসের গবেষণার বরাত দিয়ে বলা হয়, বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষই আশু নির্বাচনের পক্ষে। নির্বাচন বানচাল মানুষ মানবে না বলেও মন্তব্য করা হয়।

সে সময় নির্বাচন নিয়েও সন্দেহ ছিলো জনমনে। শেষ পর্যন্ত ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশ: ‘নজরে ছিলো যুক্তরাষ্ট্রের’

উইকিলিকসের ফাঁস করে দেওয়া মার্কিন নথিতে বাংলাদেশের জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের ওপর দেশটির নজরদারির অভিপ্রায়ের কথা রয়েছে।

এর আগে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে উইকিলিকসের ফাঁস করা মার্কিন গোপন নথির বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, জাতিসংঘের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের ওপর নজরদারির ব্যাপারে মার্কিন সরকারের অভিপ্রায় রয়েছে।

নথিতে বলা হয়েছে, জাতিসংঘে যারা কাজ করতে যাবেন তাদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রদানের বিষয়ে বিশ্ব সংস্থায় মার্কিন দূতাবাসের গবেষণা শাখাকে প্রতিবেদন দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়।

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ ও অন্যান্য দেশের যোগদানের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য যুক্ত করার জন্য বলা হয়েছে।

এর মধ্যে রয়েছে কার্যালয় ও প্রতিষ্ঠানের নাম, বিজনেস কার্ডে উল্লেখ নাম, পদবী ও অন্যান্য তথ্য, টেলিফোন, সেল ফোন, পেজার ও ফ্যাক্সের সংখ্যা, যোগাযোগ সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য, টেলিফোন নম্বরসমূহ (সম্ভব হলে সিডি বা ইলেকট্রনিক ফরম্যাটে), ই-মেইলের তালিকা; ইন্টারনেট ও ইন্ট্রানেট যোগাযোগ, ইন্টারনেট ই-মেইল ঠিকানাসমূহ, ওয়েবসাইট ঠিকানা-ইউআরএল, ক্রেডিট কার্ড একাউন্ট নম্বরসমূহ, ঘনঘন বিমান যাতায়াতের একাউন্ট নম্বর (ফ্রিকোয়েন্ট ফ্লাইয়ার নম্বর), কর্ম তালিকা এবং পরিচয় সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন তথ্য।

সহায়ক-

উৎস-১

উৎস-২

উৎস-৩

উৎস-৪

ছিন্ন হয়ে গেল………..প্রভা- অপূর্ব!!!!!

কাল বাংলাদেশ প্রতিদিন  এ এই সংবাদটি যখন পড়ি তখন আবার ত্ত আমাদের মিডিয়ার প্রথি তীব্র ঘৃনা সৃষ্টি হয়। এই ব্যাপারে কিছু বলার নেই আমার।নিউজটি পুরোপুরি কপি করে দিলাম।

শেষে যা হওয়ার তাই হলো। অপূর্ব-প্রভার সম্পর্ক ছিন্ন হয়েছে। তারা আর একসঙ্গে থাকছেন না। গত বুধবার রাত থেকে আলাদা বসবাস শুরু করেছেন। ‘যত ঝড়-ঝাপটাই আসুক না কেন, আমাদের কোনোদিনও আলাদা করতে পারবে না। আমৃত্যু আমরা একসঙ্গে থাকব’_ বহুবার বলা অপূর্ব-প্রভা’র এ সংলাপ এখন শুধুই কথার কথা। এ দুই তারকার ঘনিষ্ঠ একজন জানিয়েছেন, প্রভার বাবা এসে প্রভাকে নিয়ে গেছেন। প্রভা এখন বাবা-মায়ের সঙ্গে শ্যামলীর বাসায় থাকছেন।

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, পরিবারের সম্মতিতে অপূর্ব-প্রভা আলাদা হয়েছেন। কারণ দুইজনের মধ্যে বনিবনার অভাব ছিল এবং প্রতিদিনই ঝগড়া হতো। অপূর্ব কারণে-অকারণে বাসার বাইরে থাকতো। অন্যদিকে প্রভার বাসার বাইরে যাওয়া বারণ ছিল। বিয়ের পর কিছুদিন অপূর্ব-প্রভার সম্পর্ক ভালোই ছিল। কিন্তু যখন থেকে একের পর এক প্রভার নগ্ন ভিডিও প্রকাশ হতে শুরু করল তখন থেকেই বিগড়ে যেতে শুরু করেন অপূর্ব। মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। অপূর্বর এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু জানিয়েছেন, ‘অপূর্ব বেশ ভেঙে পড়েছে। সে প্রভাকে অনেক বিশ্বাস করেছিল। প্রভা তাকে বলেছিল, রাজিবের সঙ্গে প্রেম ছিল ঠিকই, কিন্তু অন্তরঙ্গ কোনো সম্পর্ক ছিল না। কিন্তু ভিডিও ক্লিপ দেখে অপূর্ব অবাক হয়েছে। শুধু তাই নয়, প্রভাবে বিয়ে করাকে সে জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল বলে মনে করছে।’ তিনি আরো জানিয়েছেন, ‘ভিডিও প্রকাশ হলেও এ নিয়ে কোনো লজ্জাবোধ ছিল না প্রভার। উল্টো অপূর্বকে কন্ট্রোল করার চেষ্টা করত। অপূর্ব তাকে বাসার বাইরে যেতে মানা করেছে। কিন্তু প্রভা এ নিষেধ মানেনি। এখান থেকেই মূলত সম্পর্কের অবনতি শুরু। প্রথমে তারা আলাদা বিছানায় ঘুমাত। আর এখন আলাদা বাসায়।’

প্রভার একটি ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা গেছে, প্রভার সঙ্গে প্রতিদিনই খারাপ আচরণ করত অপূর্ব। তার চলাফেরায়ও তিনি বাধা দিতেন। তাই দম বন্ধ অবস্থা হয়ে গিয়েছিল প্রভার। এ কারণে প্রভা তার বাবাকে ফোন করে আসতে বলেন। বাবা এসে তাকে নিয়ে যান। সূত্রটি আরো জানিয়েছে, প্রভা হয়তো এখন আর দেশে থাকবে না। লন্ডনে চলে যাবেন বড় ফুফুর কাছে। ওখানেই বাকি জীবন কাটিয়ে দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

উভয়পক্ষের সূত্রে অপূর্ব-প্রভার আলাদা হয়ে যাওয়ার খবর নিশ্চিত করলেও ডিভোর্সের ব্যাপারে কেউ কিছু বলতে পারেনি। কবে নাগাদ ডিভোর্স হতে পারে এ প্রশ্নের উত্তরে জানা গেছে, কিছুদিনের মধ্যেই দুই পরিবার এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিবে। প্রভার বাবার জন্যই আটকে আছে সিদ্ধান্তটি। কারণ তিনি মেয়েকে নিয়ে যাওয়ার সময় অপূর্বকে বলেছেন, ‘আমি প্রভাকে নিয়ে গেলাম। যদি তুমি মনে কর আমার মেয়েকে নিয়ে সংসার করতে পারবা তাহলে জানাবা। না পারলে আর কী করার আছে!’ সম্পর্ক ছিন্ন হওয়ার ব্যাপারে অপূর্বর কাছে জানতে চাইলে তিনি এ ব্যাপারে মন্তব্য করতে রাজি হননি। প্রভা কি তার বাবার বাসায় চলে গেছে_ এমন প্রশ্নের উত্তরে অপূর্ব শুধু ‘হ্যাঁ’ বলেছেন।

অপূর্ব-প্রভার সম্পর্ক ছিন্ন হওয়ার ঘটনায় অনেকেই জানতে চাচ্ছেন রাজিবের কথা। রাজিব এখন কোথায়? সে কি প্রভাকে আবার জীবনসঙ্গী করবে, নাকি মুখ ফিরিয়ে নিবে? সাধারণ মানুষ এবং মিডিয়া কর্মীদের মধ্যে এমন প্রশ্নগুলো ঘুরপাক খাচ্ছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজিবের এখন মন ভালো নেই, গত মঙ্গলবার তিনি ভারতের ব্যাঙ্গালোরে ঘুরতে গেছেন। আরো জানা গেছে, প্রভা রাজিবের কাছে আবদার করেছিল, বিয়ের পর সুইজারল্যান্ডে হানিমুনে যাওয়ার। তাই পর্যাপ্ত পরিমাণ টাকাও জমিয়েছিল রাজিব। সেই টাকা দিয়েই এখন ঘুরতে বের হয়েছেন। শুধু তাই নয়, হয়তো তিনি একেবারে দেশের বাইরে চলে যাবেন। প্রথমে আমেরিকার টেক্সাসে পড়াশোনা করতে যাবেন। তারপর সেখানেই থেকে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন। প্রভা যদি আবার ফিরে আসে, তাহলে কি রাজিব তাকে নিজের জীবনে জড়িয়ে নেবেন_ এ প্রশ্নের উত্তরে রাজিবের এক বন্ধু জানান, সম্ভবত না। কারণ প্রভা রাজিবের সঙ্গে অনেক প্রতারণা করেছেন। প্রভা যে গাড়িতে চড়ছে, সেটা রাজিবের কিনে দেওয়া। দাম আঠারো লাখ টাকা। প্রভা যে শাড়ি পরে অপূর্বকে বিয়ে করেছে সেটাও রাজিবের বোন দিয়েছে। যে মেয়ে আট বছরের প্রেমের ওপর দাঁড়িয়ে আরেকজনের গলায় মালা পরাতে পারে তাকে কখনোই মেনে নেবেন না রাজিব। তাছাড়া যে রাতে প্রভা অপূর্বর হাত ধরে পালিয়েছে, সে রাতেও রাজিবের সঙ্গে ফোনে মিষ্টি মিষ্টি কথা বলেছেন। আবার বিয়ের পরপরই প্রভা রাজিবকে ফোন করেছিলেন। দোয়া করতে বলেছেন। রাজিব ওই সময় যে ধাক্কাটি খেয়েছে, তা সারা জীবন বয়ে বেড়াতে হবে। হঠাৎ করে যে মেয়ে রূপ বদলাতে পারে তাকে কিভাবে জীবনসঙ্গী করবেন রাজিব!

রাজিবকে কেন ছাড়ল প্রভা? এ প্রশ্নটিও সবার মুখে মুখে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এ জন্য নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরীই দায়ী। এ পর্যন্ত অনেক তারকার মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি করার এবং ভাঙার পিছনেও তার হাত রয়েছে। কয়েকটি সূত্রে জানা গেছে, প্রভার মাধ্যমেই রাজিবের সঙ্গে পরিচয় হয় চয়নিকার। পরিচয়ের কিছুদিন পর রাজিবকে তিনি তার নাটক প্রযোজনা করতে বলেন। কিন্তু রাজিব রাজি হননি। এক পর্যায়ে রাজিবকে নায়ক বানানোর কথা বলেন। উদ্দেশ্য ছিল রাজিবের কাছ থেকে টাকা নেওয়া। কিন্তু চয়নিকার কোনো প্রস্তাবেই রাজি হননি রাজিব। পরে রাজিবের সঙ্গে চয়নিকার সম্পর্কের অবনতি ঘটে। প্রভার কাছে প্রায়ই রাজিবের নামে নানা মিথ্যা কথা বলত। রাজিবও প্রভাকে চয়নিকার নাটকে অভিনয় করতে নিষেধ করেছিল। কিন্তু প্রভা শোনেনি। অন্যদিকে চয়নিকা অপূর্ব-প্রভাকে নিয়ে একের পর এক নাটক নির্মাণ করেন। অপূর্ব প্রভার প্রতি দুর্বল এ কথা জানত চয়নিকা। তাই শুটিংয়ের সময় মেকআপ রুম অপূর্ব-প্রভার জন্য ফাঁকা করে দিত। পাশাপাশি রাজিবের নামে অসত্য কথা বলত। অপূর্বর প্রশংসা করত। এভাবেই সে রাজিবের কাছ থেকে প্রভাকে ছিনিয়ে এনে অপূর্বর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে দেন। চয়নিকার ঘনিষ্ঠ কয়েকজন তারকাশিল্পী এ ঘটনার সত্যতার পক্ষে মন্তব্য করেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অভিনেত্রী বলেন, ‘আমার কাছে মনে হয় বৌদির [চয়নিকা চৌধুরী] মানসিক সমস্যা আছে। তিনি পরচর্চা করতে খুব পছন্দ করেন। এ পর্যন্ত যত মানুষ তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হয়েছেন প্রায় সবাই আর্থিকভাবে এবং ব্যক্তিগত জীবনে বিপদে পড়েছেন।’ তবে চয়নিকা চৌধুরী তার সম্পর্কে এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে দাবি করেছেন।

উৎস -তথ্য সুএ

ভূমি-কম্প হলে আমাদের করণীয়~~~{কিছুক্ষন আগে ঘটে যাত্তয়া ভূমি-কম্প এর তথ্য}

প্রথমে জানাই আজকে ভূমিকম্পনের তথ্য-
Earthquake Details

This event has been reviewed by a seismologist.
Magnitude 4.8
Date-Time
Friday, September 10, 2010 at 17:24:17 UTC
Friday, September 10, 2010 at 11:24:17 PM at epicenter

Location 23.422°N, 90.695°E
Depth 14.1 km (8.8 miles)
Region BANGLADESH

Distances
46 km (28 miles) SE (133°) from DHAKA, Bangladesh
48 km (30 miles) W (264°) from Comilla, Bangladesh
59 km (37 miles) SSE (150°) from Tongi, Bangladesh

Location Uncertainty
horizontal +/- 32.2 km (20.0 miles); depth +/- 9.3 km (5.8 miles)

Parameters
NST= 18, Nph= 18, Dmin=997.4 km, Rmss=0.84 sec, Gp=144°,
M-type=body wave magnitude (Mb), Version=6

Source
U.S. Geological Survey, National Earthquake Information Center:
World Data Center for Seismology, Denver
Event ID us2010baa1

উপরের এই তথ্যটি দিয়ে আমাকে সাহায্য করেছে মাসপি। ধন্যবাদ মাসপিকে।

আমাদের করনীয়…….
আপনার করণীয়ঃ

বের হওয়ার ক্ষেত্রেঃ…
১. হুড়ো-হুড়ি না করে… সতর্কতার সাথে বের হোন…
২. খোলা স্থানে অবস্থান নিন…
৩. গ্যাস-এর লাইন… ইলেকট্রিসিটি-র লাইন… এ-সব থেকে দূরে থাকুন…
৪. জানালা হতে দূরে থাকুন…
৫. দেয়াল হতে দূরে অবস্থান নিন…

যদি বের না হতে পারেনঃ
১. হুড়ো-হুড়ি করবেন না…
২. ঘরের দরজা খুলে… ঠিক দরজা-র নীচ বরাবর অবস্থান করূন…
৩. গ্যাস-এর চুলা এবং ইলেকট্রিসিটি বন্ধ করে দিন…
৪. জানালা হতে দূরে থাকুন…
৫. কাচঁ-এর জিনিস… যেমনঃ ফুল-দানি / শো-কেস / ড্রেসিং-টেবিল… এ-সব থেকে দূরে থাকুন…
৬. ঘরের যে-কোনো ভারী দ্রব্য… যেমনঃ টেবিল-এর নীচ বরাবর অবস্থান নিতে পারেন…

সকল-এ ভালো থাকুন… সুস্থ থাকুন…
আল্লাহ রক্ষা কর আমাদের এই দেশকে……..

খ্রীষ্টান নেতার পেস্টর টেরী জোনস ১১ সেপটেম্বর কোরান পোড়ানোর ঘোষণা এবং অবশেষে কোরান পোড়াবেনা ঘোষনা দিয়েছে

কাল প্রথম আংশটি মানে আগুনে কুরআন পোড়ানোর হবে এটা শুনে মনটা অনেক খারাপ লাগছিল । ইচ্ছা করছিল পেস্টর টেরীকে কষে চড় মারি।কোন ধমে কি বলা আছে অন্য ধর্মে প্রতি অসম্মান করা?

পেস্টর টেরী জোনস {এই সেই ঘাতক}

পেস্টর টেরি জোনস নামের ফ্লোরিডা একটি ছোট চার্চের পেস্টর ও তার অনুসারীরা ১১ ই সেপ্টেম্বর হাজার কোরান পোড়ানোর পরিকল্পনা করেছে এবং এ নিয়ে সংবাদ সম্মেলনও করেছ।
এ নিয়ে হোয়াইট থেকে শুরু করে আফগানিস্তান সারা বিশ্বে বিতর্কের ঝড় উঠেছে।

বিস্তারিত

আফগানিস্তানে বিক্ষোভের খবর

ইয়াহু নিউজ

এবিসি নিউজ

ফক্স নিউজ

সিবিএস নিউজ

আজ সকাল দেখলাম এই সুখবরটি………..যাক রামের সমুতি হল………

ঈদের আগে সবাইকে শুভেচ্ছা সহ এই সুখবরটা দিয়ে যাই।
ফ্লোরিডার পেস্টর টেরী জোন কোরান পোড়াবেনা ঘোষনা দিয়েছে।
সে বলেছে গ্রাউন্ড জিরোতে মসজিদ বানানোর খবর শুনে রাগ থেকে সে কোরান পোড়াতে চেয়েছিলো। তাকে বোঝানো হয়েছে মসজিদটি ঠিক গ্রাউন্ড জিরোতে হবেনা , একটু দুরে হবে।
বিস্তারিত ইয়াহুতে :
http://news.yahoo.com/s/ap/quran_burning

h.s.c পরীক্ষার ফলাফল দিবে !!!! …জাফর স্যারের একটি কলাম….{ যদি ত্ত এটি s.s.c পরীক্ষার সময় স্যার লিখেছিল}

h.s.c  পরীক্ষা নিয়ে আমার বেশ কিছু কথা লিখতে ইচ্ছা করছে । কিন্তু সে রমক সময় না থাকায় লিখথে পারছি না.। শুধু সবাই কাছে আমার একটা অনুরোধ অকৃর্তকাযদের ঘৃর্নার চোখ দেখবেন না….তাদের পাশে একটু দাড়ান……তাদের সমবেদনার দরকার নেই ……..শুধু অবহেলা করবে না।

এখানে হুবহু কপি করে তুলে দিচ্ছি।

আমাদের দেশের ছেলেমেয়েদের জীবনের সবচেয়ে বড় ব্যাপারটি হচ্ছে এসএসসি পরীক্ষা। আমি আমার জীবনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ভুলে বসে আছি, কিন্তু এসএসসি পরীক্ষার দিনগুলোর কথা এখনো ভুলিনি! পরীক্ষা না যেটুকু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ তার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সব খবরের কাগজে হাস্যোজ্জ্বল ছেলেমেয়েদের ছবি ছাপা হবে, তারা একজন আরেকজনকে জড়াজড়ি করে ধরে, দুই আঙুল দিয়ে ‘ভি’ তৈরি করে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে—দেখেই আমাদের মন ভালো হয়ে যায়। ছেলেমেয়েদের হাসিগুলো আমাদের মুখে ফুটে ওঠে, মনে হয়, তাদের মাথায় হাত বুলিয়ে একটু আদর করে দিয়ে আসি।

যেদিন এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়, তার পরদিন খবরের কাগজটির পৃষ্ঠা ওল্টানোর সময় আমার বুক দুরু দুরু করতে থাকে। প্রথম পৃষ্ঠায় ছেলেমেয়েদের হাস্যোজ্জ্বল মুখের ছবির পাশাপাশি আরও একটি ব্যাপার ঘটে, সেটি হচ্ছে আশাভঙ্গের বেদনা। সেই খবরগুলো খবরের কাগজে আসে না, আমরা তাই জানতে পারি না। আশাভঙ্গের কারণে কোনো ছেলে বা মেয়ে যখন ভয়ানক কিছু করে ফেলে, তখন সেটি খবরের কাগজে চলে আসে, সেগুলো দেখে আমার বুক ভেঙে যেতে চায়, নিজেদের অপরাধী মনে হয়। বেশ কয়েক বছর আগে খবরের কাগজে ফুটফুটে একটি মেয়ের ছবি দিয়ে তার বাবা-মায়েরা একটা বিজ্ঞাপন ছাপিয়ে ছিলেন। এসএসসির রেজাল্ট হওয়ার পর মেয়েটি মন খারাপ করে বাড়ি ছেড়ে চলে গেছে, বাবা-মা কাতর-কণ্ঠে সেই মেয়েটিকে বাড়ি ফিরে আসার জন্য অনুনয় করছেন। বিজ্ঞাপনটি কেটে সেটি আমি অনেক দিন পকেটে নিয়ে ঘুরে বেড়িয়েছি, মাঝেমধ্যে মনে হয়েছে, ফোন করে বাবা-মাকে জিজ্ঞেস করি মেয়েটি ফিরে এসেছে কি না। শেষ পর্যন্ত সাহস করে ফোন করতে পারিনি, যদি শুনি তাঁরা বলেন মেয়েটি আর ফিরে আসেনি, চিরদিনের জন্য হারিয়ে গেছে, তখন আমি কী করব।

কখনো কখনো আরও ভয়ংকর ব্যাপার ঘটে, পরীক্ষার রেজাল্ট হওয়ার পর একটি ছেলে বা মেয়ে আশাহত হয়ে আত্মহত্যা করে ফেলে। কী সর্বনাশ! আমি তখন নিঃশ্বাস বন্ধ করে সেই খবরটির দিকে তাকিয়ে থাকি, নিজের চোখকেও বিশ্বাস করতে পারি না। এবার এসএসসি পরীক্ষা চলার সময় হঠাৎ আমার কাছে একটি এসএমএস এসেছে, সেখানে লেখা পদার্থবিজ্ঞানের প্রশ্ন কঠিন হয়েছে, পরীক্ষা খারাপ হওয়ার জন্য একজন আত্মহত্যা করেছে।

সবার নিশ্চয়ই মনে আছে, মাঝখানে একটা সময় গেছে যখন প্রতিদিনই কেউ না কেউ আত্মহত্যা করছে—সবাই কম বয়সী মেয়ে। বাবা-মা বৈশাখী মেলায় নিয়ে যাননি বলে আত্মহত্যা, মায়ের সঙ্গে ঝগড়া করে আত্মহত্যা, বখাটে ছেলে রাস্তায় টিটকারি দিয়েছে বলে আত্মহত্যা, ভালোবাসার মানুষটির সঙ্গে মন কষাকষি হয়েছে বলে আত্মহত্যা। আমরা প্রতিদিন খবরের কাগজ খুলে দেখি আর চমকে চমকে উঠি।

আমার কাছে বিষয়টা অনেক বেশি বেদনাদায়ক ছিল, কারণ ঠিক সেই সময় আমার একজন ছাত্রী গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শাওয়ারের সঙ্গে ঝুলে আত্মহত্যা করেছিল। একেবারে ফার্স্ট ইয়ারের ফার্স্ট সেমিস্টারের বাচ্চা একটি মেয়ে। হাসিখুশি প্রাণোচ্ছল। নিজের হাতে নিজের জীবনটা নেওয়ার ৩০ মিনিট আগেও সে জানত না, এ রকম ভয়ংকর একটা কাণ্ড সে করে ফেলবে। গভীর রাতে টেলিফোনে খবর পেয়ে মেয়েদের হোস্টেলে গিয়ে আমার প্রিয় মেয়েটির প্রাণহীন নিথর দেহটিকে বাথরুমের শাওয়ারের সঙ্গে ঝুলতে থাকার দৃশ্যটি যে কী ভয়ংকর রকম হূদয়বিদারক, সেটি অন্য কেউ বুঝতে পারবে না। শুধু মনে হয়, আহা, মেয়েটি গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলে যাওয়ার আগে যদি শুধু একবার আমাকে ফোন করে বলত, স্যার আমার বন্ধুর সঙ্গে ঝগড়া হয়েছে, রাগে-দুঃখে-অপমানে আমার মরে যেতে ইচ্ছে করছে—তাহলে হয়তো আমি এই বাচ্চা মেয়েটিকে বলতে পারতাম, তোমার জীবন তোমার একার নয়। তোমার জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে তোমার আপনজনের জীবন—স্বার্থপরের মতো নিজের জীবনটুকু নিয়ে তোমার আপনজনকে তুমি কষ্ট দিতে পারো না! তাকে আমি আরও অনেক কিছু বলতে পারতাম, আগে আমার কাছে যখন লেখাপড়ার কথা বলতে এসেছে, তখন আমি তাকে যেভাবে উৎসাহ দিয়েছি, তার থেকে একশ গুণ বেশি উৎসাহ দিতে পারতাম। কিন্তু বাচ্চা মেয়েটি আমার সঙ্গে কথা বলেনি, বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে কথা বলেনি, বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা বলেনি, মোবাইল ফোনটা হাতে নিয়ে বাথরুমে ঢুকে দরজা বন্ধ করে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শাওয়ার থেকে ঝুলে পড়েছে।

আমি এখনো ক্লাস নেওয়ার সময় ভুল করে তার রোল নম্বর ডেকে ফেলি, তখন মনে পড়ে এই রোল নম্বর থেকে আমার ছাত্রীটি আর কখনো উত্তর দেবে না। একজন শিক্ষকের জীবনে এর চেয়ে দুঃখের ব্যাপার আর কিছু হতে পারে না।

২.
টিন-এজ বয়সটা খুব জটিল একটা সময়। আমরা সবাই সেই সময়টা পার হয়ে এসেছি এবং আমাদের সবারই নিশ্চয়ই সেই সময়টার কথা মনে আছে। পরিচিত পৃথিবীটা তখন অন্য রকম মনে হতো—তখন বুকের ভেতর থাকত তীব্র আবেগ। সহজ বিষয়টাকে মনে হয় জটিল, জটিল বিষয়টাকে মনে হয় দুর্বোধ্য। শরীরে নতুন নতুন হরমোন খেলা করতে শুরু করেছে, সেই হরমোন আমাদের চিন্তার জগৎকে পাল্টে দিচ্ছে। আমরা সবাই সেই জটিল সময়টা পার হয়ে আসতে পেরেছি, কারণ আমাদের চারপাশে থাকত পরিবারের আপনজন। মনের কথা বলার জন্য থাকত বন্ধুবান্ধব, কাজকর্মে ব্যস্ত থাকার জন্য থাকত লেখাপড়ার দায়িত্ব, শরীরের প্রাণশক্তি বের করার জন্য থাকত খেলার মাঠ। টিন-এজ সময়ের সেই জটিল মাইনফিল্ডে সাবধানে পা ফেলে ফেলে আমরা বের হয়ে এসেছি।

সবাই বের হতে পারে না, জটিল ধাঁধায় আটকা পড়ে যায়। সারা পৃথিবীর পরিসংখ্যান নিয়ে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি আত্মহত্যা করে টিন-এজ ছেলেমেয়েরা। আমাদের বাংলাদেশের কোনো পরিসংখ্যান আমি খুঁজে পাইনি, কিন্তু পৃথিবীর পরিসংখ্যান অনুযায়ী এটি হচ্ছে এই বয়সী ছেলেমেয়েদের অপমৃত্যুর বড় কারণগুলোর একটি। পৃথিবীর উন্নত দেশগুলো বিষয়টাকে গুরুত্ব দিয়ে দেখে—এই বয়সী ছেলেমেয়েদের জীবনটাকে সহজ করার জন্য তাদের অনেক রকম পরিকল্পনা থাকে—আমাদের সে রকম কিছু নেই, আমরা শুধু কমন সেন্স দিয়ে এগুলো সমাধান করার চেষ্টা করি। আমি যখন বাংলাদেশে প্রথম এসে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দিয়েছি, তখন একজন ছাত্রের খোঁজ পেলাম যে একাধিকবার ঘুমের ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে। আমি তাকে ডেকে পাঠিয়েছি, তার সঙ্গে কথা বলেছি। সে তখন মাথা নিচু করে কাতর-কণ্ঠে বলেছে, ‘আমি জানি না স্যার, আমি কী করব, আমার মাঝেমধ্যেই আত্মহত্যা করার ইচ্ছে করে।’ আমি তাকে বলেছি, এর পরের বার যখনই ইচ্ছে করবে, আমার সঙ্গে দেখা করবে। ছাত্রটি মাঝেমধ্যেই আসত, অপরাধীর মতো বলত তার আত্মহত্যা করার ইচ্ছে করছে। আমি তখন তার সঙ্গে দীর্ঘ সময় কথা বলতাম, উৎসাহ দিতাম—জটিল একটা পৃথিবী যে আসলে সহজ, আনন্দময় একটা জীবন তাকে দেখিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করতাম। শেষ পর্যন্ত ছাত্রটি লেখাপড়া শেষ করে বিদেশে স্থায়ী হয়েছে। ফুটফুটে একটা মেয়েকে বিয়ে করে সুখে ঘর-সংসার করছে।
আমি মনোবিশেষজ্ঞ নই, আমি শুধু কমন সেন্স দিয়ে বুঝতে পারি টিন-এজ বয়সের জটিল একটা সময় যদি একটু স্নেহ-মমতা দিয়ে পার করিয়ে দেওয়া যায়, তাহলে পরের জীবনটা হয় অনেক সহজ।

সে জন্য এসএসসি পরীক্ষার রেজাল্ট বের হওয়ার দিন আমার বুক ধুকপুক করতে থাকে। আমি জানি, এদিন যখন লাখ লাখ ছেলেমেয়ে সাফল্যের আনন্দে উদ্ভাসিত হবে, ঠিক তখন অসংখ্য ছেলেমেয়ে আশাভঙ্গের কষ্টে কাতর হবে। এদের সবাই যে নিজের কারণে এই আশাভঙ্গের বেদনাটুকু পাবে তা নয়—অনেক সময়ই সেটি হবে নিজের নিয়ন্ত্রণের বাইরে একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা। আমার সহকর্মীর একটি মেয়ে যখন পরীক্ষায় খুব ভালো একটা ফল আশা করছে, তখন আবিষ্কার করল সম্পূর্ণ বিচিত্র একটা কারণে খুব ভালো পরীক্ষা দেওয়া একটা বিষয়ে তাকে ফেল দেখাচ্ছে। আঘাতে মানুষ বাকরুদ্ধ হয়ে যায়—আমরা এ রকম কথাবার্তা শুনেছি, সেবার আমি নিজের চোখে দেখলাম। মেয়েটি শুধু যে বাকরুদ্ধ হয়ে গেল তা নয়, তার শরীরের সব অনুভূতিও থেমে গেল। ঘুমের ওষুধ দিয়েও তাকে ঘুম পাড়ানো যায় না, ভয়াবহ একটি অবস্থা। পরিবারের সবার স্নেহ-মমতা-ভালোবাসায় তাকে শেষ পর্যন্ত সুস্থ করে তোলা হয়েছিল। পরের বার পরীক্ষা দিয়ে চমৎকার রেজাল্ট করে এখন সে জীবনে সুপ্রতিষ্ঠিত হয়ে আছে।

সবাই আমার সহকর্মীর মেয়েটির মতো সৌভাগ্যবান নয় যে একটা দুর্ঘটনার পর সে গভীর ভালোবাসা এবং মমতায় সেখান থেকে বের হয়ে আসতে পারবে। অনেক সময়ই দেখা যায়, অভিভাবক বা আত্মীয়স্বজন আশ্চর্য রকম নিষ্ঠুর। একটি ছেলে বা মেয়ে পরীক্ষায় তার পছন্দের ফল না পেয়ে যখন গভীর আশাভঙ্গের বেদনায় কাতর হয়ে আছে, তখন তাকে তার চারপাশের মানুষ থেকে গালাগাল শুনতে হয়, অভিশাপ শুনতে হয়। টিন-এজ বয়সের সেই জটিল মনোজগতে এটি যে কী ভয়ংকর একটা ব্যাপার হতে পারে, সেটা কেউ কল্পনাও করতে পারবে না। এই দেশের সব অভিভাবকের কাছে তাই আমার কাতর-অনুরোধ, এসএসসি পরীক্ষায় আপনার ছেলে বা মেয়ের ফল যদি আশানুরূপ না হয়, তাহলে তাদের ওপর রেগে উঠবেন না। তাদের সান্ত্বনা দিন, সাহস দিন, তাদের পাশে এসে দাঁড়ান।

৩.
আমাকে মাঝেমধ্যেই নানা রকম অনুষ্ঠানে যেতে হয়, সেই অনুষ্ঠানগুলোর মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ অনুষ্ঠান হচ্ছে আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যারের বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান। সেখানে কয়েক হাজার ছেলেমেয়ে থাকে এবং সবাই পুরস্কার পায়। সেখান থেকে কেউ মন খারাপ করে যায় না।

সব অনুষ্ঠান এত সুন্দর নয়—অনেক অনুষ্ঠানেই প্রতিযোগিতা হয় এবং প্রতিযোগিতা হলেই সেখানে হাতে গোনা কয়েকজন বিজয়ী থাকে। যারা বিজয়ী হতে পারে না, আমি তাদের মনের কষ্টটা বুঝতে পারি। কারণ আমি ছেলেবেলায় অসংখ্যবার এই গ্লানি সহ্য করেছি। তাই এ ধরনের অনুষ্ঠানে গেলে আমি আমার সময়টুকু ব্যয় করি তাদের বোঝাতে যে বিজয়ী হতে না পারা অগৌরবের কিছু নয়। প্রতিযোগিতা একটা ছেলেমানুষি প্রক্রিয়া—পৃথিবীর বড় কাজ প্রতিযোগিতা দিয়ে হয় না, পৃথিবীর সব মহৎ কাজ হয় সহযোগিতা দিয়ে। তাই ছোটখাটো ব্যর্থতায় কোনো গ্লানি নেই, এটা হচ্ছে জীবনের পথচলার অভিজ্ঞতা। সবাইকে এর ভেতর দিয়ে যেতে হবে!

আমি খবর পেয়েছি, অনেক বাচ্চা-কাচ্চাও খবরের কাগজে ছাপা হওয়া আমার কলামগুলো পড়ে ফেলে! (কটমটে নীরস কলাম পড়ে সম্ভবত খানিকক্ষণ আমার মুণ্ডুপাতও করে।) অনুমান করছি, অনেক কম বয়সী ছেলে এই কলামটিও পড়ে ফেলবে। আমি শিরোনামটি এমনভাবে লিখেছি যেন যারা এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে, তারা এটি পড়ে ফেলে।

যাদের পরীক্ষার ফল ভালো হয়েছে তাদের অভিনন্দন। আমি নিশ্চিত তাদের পরিবার হইচই করে মিষ্টি কিনে আনবে—পাড়াপড়শি সবাইকে সেই মিষ্টি দেওয়া হবে। সেই মিষ্টি মুখে না দিয়েই আমি এখনই তার মিষ্টি স্বাদ অনুভব করতে পারছি। তাদের ভবিষ্যৎ জীবনটা হোক আনন্দময়, হোক সৃজনশীল। দোয়া করি তাদের যেন প্রাইভেট পড়তে না হয়, তাদের কোচিং করতে না হয়, জীবনে কখনো যেন তাদের গাইড বই স্পর্শ করে হাতকে অপবিত্র করতে না হয়। দোয়া করি, তারা বড় হয়ে এই দেশের দায়িত্ব নিজেদের কাঁধে তুলে নিক।

যাদের পরীক্ষার ফল মনমতো হয়নি কিংবা আপাতদৃষ্টিতে বলা যায় খুব খারাপই হয়েছে, আমার এই লেখাটি তাদের জন্য। আমি তাদের মনে করিয়ে দিতে চাই, তাদের এই আশাভঙ্গের সবচেয়ে বড় কারণ আমাদের এই পচা শিক্ষাব্যবস্থা। ১০ বছর লেখাপড়া করার পর যদি কেউ শূন্য হাতে বাড়ি ফিরে আসে, তাহলে তার দায়ভার তার একা নেওয়ার কথা নয়। সবাই মিলে এই দেশের লেখাপড়া ঠিক করার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। কাজ হচ্ছে বাংলাদেশের ইতিহাসে যেটা হয়নি, এই প্রথমবার সেগুলো হচ্ছে। (এই দেশের অসম্ভব বড় সৌভাগ্য যে তারা একজন সত্যিকারের শিক্ষামন্ত্রী পেয়েছে, যিনি দেশের শিক্ষাব্যবস্থার কথা জানেন। সেটাকে ঢেলে সাজানোর চেষ্টা করছেন। তাকে অনেক জ্বালা-যন্ত্রণার ভেতর দিয়ে যেতে হচ্ছে, সেটাও আমরা জানি। কিন্তু তাঁর ভয় পাওয়ার কিছু নেই, দেশের মানুষ তাঁর সঙ্গে আছে।) ভবিষ্যতের ছেলেমেয়েদের যেন এক শিক্ষাব্যবস্থার ভেতর দিয়ে যেতে না হয়, সেটাই আমাদের স্বপ্ন।

যাদের পরীক্ষার ফল ভালো হয়নি, তাদের নিশ্চয়ই মন খারাপ হবে—সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু মন খারাপ করে তারা যেন হতাশ হয়ে না যায়। পৃথিবীটা বিশাল, তার চেয়েও বিশাল হচ্ছে মানুষের জীবন। সেই বিশাল জীবনের সঙ্গে তুলনা করলে এসএসসি পরীক্ষাটা খুব ছোট একটা ঘটনা!

কাজেই বিশাল জীবনের জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য এই ছোট ঘটনার কথা ভুলে নতুন উৎসাহে তাদের জীবন শুরু করতে হবে। তাদের মনে রাখতে হবে—এই বয়সটাই অন্য রকম, এই বয়সটাতে সবকিছুকেই একশ গুণ বড় মনে হয়। আনন্দকে একশ গুণ বড় করে দেখায় দোষ নেই।

কিন্তু দুঃখ-কষ্ট-হতাশাকে একশ গুণ বড় করে দেখা যাবে না। সামনের জীবনের জন্য প্রস্তুতি নিতে হলে আবার নতুন করে শুরু করতে হবে।

মুহম্মদ জাফর ইকবাল: লেখক। অধ্যাপক শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

গ্রেফতার হল…..রাজাকাররা……শুনে মনে একটা তৃপ্তি পেলাম—

আমি ভেবে পাই না এই রাজাকারের বাচ্চার কেমন করে বাংলাদেশের মাটিতে বাংলাদেশে জাতীয় পতাকা নিয়ে দামি দামি গাড়িতে ঘুরে বেড়ায়। আমি এই নিয়ে কয়েকটি লিখা লিখেছিলাম। ১/১১ এ সময় সব নেতা – কর্মীকে গ্রেফতার করে জেলে নেত্তয়া হয় ।কিন্তু জামাতের এই রাজাকারের বাচ্চগুলো কে কেন কেউ জেলে নিতে পারে নি । রাজাকারগুলো কি কোন অপরাধ নেই ??আমি এই প্রশ্নটা উত্তর খুজেঁ পাই না। যারা একাত্তরের হাজার হাজার বাংলার মানুষকে হত্যা করেছে যার  যা কি না প্রমানিত তবুত্ত কেন এখনো রাজারের বাচ্চাদের বিচার করা হচ্ছে না। জাহানার ইমামের মত কি আর মা তার সন্তানহারনো বিচারের দাবিতে চিৎকার করতে করতে মারা যাবে !!  আর বাংলার মানুষ এই ধর্ম ব্যাবসাহিদের সহ্য করতে। আর কত…..!!!

কাল নিউজটা শুনে আমার আনেক ভাল লাগল

বিস্তারিত

জামায়াত নেতা মতিউর রহমান নিজামী ও আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় জামায়াতে ইসলামীর আমীর মতিউর রহমান নিজামী, সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ ও কেন্দ্রীয় নেতা দেলওয়ার হোসাইন সাঈদীকে গ্রেফতার করা হয়েছে৻

এর আগে ঢাকা মূখ্য মহানগর আদালত এই মামলায় জামায়াতের চারজন নেতার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে৻ তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পুলিশ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে৻ অল্প সময়ের ব্যবধানে ভিন্ন ভিন্ন জায়গা থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়৻

মি. নিজামীকে ঢাকায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এবং মি. মুজাহিদকে সাভারে জাতীয় স্মৃতি সৌধের সামনে থেকে গ্রেফতার করা হয়৻ দলের নায়েবে আমীর মি. সাঈদীকে গ্রেফতার করা হয় ঢাকার মতিঝিল থানা এলাকায় শহীদবাগ থেকে৻

মামলায় অন্য একজন অভিযুক্ত হলেন জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর কমিটির আমীর রফিকুল ইসলাম খান৻

রায় দেওয়ার সাথে সাথেই তা গণমাধ্যমে চলে আসে ও তার বাস্তবায়ন ঘটে৻ সরকার উদ্দেশ্যমূলকভাবে তাদের গ্রেফতার করেছে

মোহাম্মদ কামারুজ্জামান, জামায়াত নেতা

আদালতে হাজির হওয়ার নির্ধারিত তারিখে উপস্থিত না হওয়ায় মঙ্গলবার সকালে এই চার নেতার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়৻

এই মামলায় অভিযুক্ত ইসলামী ছাত্র শিবিরের নেতা আ স ম ইয়াহিয়া আদালতে আত্মসমর্পণ করার পর তাকে জামিন দেওয়া হয়েছে৻

জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ কামারুজ্জামান বিবিসিকে বলেছেন, উদ্দেশ্যমূলকভাবে তাদের নেতাদের গ্রেফতার করা হয়েছে৻

‘রায় দেওয়ার সাথে সাথেই তা গণমাধ্যমে চলে আসে ও তার বাস্তবায়ন ঘটে৻ সরকার যে উদ্দেশ্যমূলকভাবে তাদের গ্রেফতার করেছে তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই‘ বলেন মি.কামারুজ্জামান৻

আইনের চোখে সবাই সমান৻ আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানার ভিত্তিতেই তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে

মাহবুবুল আলম হানিফ, আওয়ামী লীগ নেতা

গত মার্চ মাসে ইসলামী ছাত্রশিবিরের এক আলোচনা সভায় রফিকুল ইসলাম খান ইসলামের নবী হযরত মোহাম্মদের সাথে জামায়াতের আমীর মতিউর রহমান নিজামীকে তুলনা করে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দিয়েছেন বলে তরিকত ফেডারেশনের মহাসচিব সৈয়দ রেজাউল হক চাঁদপুরী একটি মামলা দায়ের করেন৻

আমি চাই অতি দ্রুত এই রাজাকারের বাচ্চাদের বিচার করা হয়……………………….তা না হলে আমাদের বাংলাদেশের………সন্তানহারা,মা……..দের………আত্না শান্তি পাবে……..না……..

বিচার চাই!!! বিচার চাই.!!!!!!!! রাজাকারেরদের………………..

ফেসবুক কমেন্টেও আসছে লাইক বাটন !


ফেসবুক কমেন্টেও আসছে লাইক বাটন

ফেসবুকের ব্লগে প্রকাশিত পোস্টের বরাতে ম্যাশএবল জানিয়েছে, এতোদিন কেবল বিভিন্ন পোস্ট, যেমন ছবি, স্ট্যাটাস, ইত্যাদি প্রকাশ হওয়ার পর তা লাইক বা পছন্দ করার অপশন ছিলো। এবারে সেসব পোস্টে আসা প্রতিটি মন্তব্যও লাইক করা যাবে।

কিছু কিছু ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্টে ইতোমধ্যেই নতুন এই বৈশিষ্ট্যটি চালু করে দেয়া হয়েছে বলেই জানা গেছে। আর অন্য সব ফেসবুক ব্যবহারকারীদের অ্যাকাউন্টেও এই বৈশিষ্ট্য যোগ করার কাজ চলছে।

এ প্রসঙ্গে ফেসবুক জানিয়েছে, কোনো মন্তব্য কেউ লাইক করলে সেই মন্তব্যকারীর কাছে নোটিফিকেশন পৌঁছে যাবে। এছাড়াও প্রাইভেসি সেটিংসের উপর নির্ভর করে অন্যান্যরা দেখতে পারবেন কে কোন মন্তব্য লাইক করেছেন।

ম্যাশএবল জানিয়েছে, ফেসবুক ইতিমধ্যেই সময় নষ্ট করার এক নম্বর টুল। নতুন এই লাইক বাটন ব্যবহারকারীদের আরো কিছু সময় নষ্ট করবে বলেই মতামত ওয়েবসাইটটির।