Category Archives: গল্প

তব নাহি চলিয়া যাই পর্ব -১

“আমি জানি আমি দেখতে সুন্দর না। তাই বলে আমার সাথে এমন ব্যাবহার করতে হবে।সত্যি আজ বড়ই খারাপ লাগছে। আল্লাহ তুমি আমাকে কেন এমন করে পাঠালে এই পৃথীবিতে। আমি একটু দেখতে সুন্দর হলে কি সমস্যা হত?? সেই ছোটবেলা থেকে দেখে আসছি বাবা -মা আমার বোনকে বেশি আদর করে :( আর আমাদের ক্লাসের মেয়েদের কথা ছেড়ে দিলাম। আমার সাথে যেন বন্ধুত করতে তাদের জাত যাবে অবস্থা। আজ সারা দিন বোনের রুমে দরজা দিয়ে কেদেছি। এর চেয়ে আমি মরে যাই এটাই ভাল হবে। সবার ইগনর দেখতে দেখতে আমি অতিষ্ঠ হয়ে গেছি।যদি আত্নহত্যা মহা পাপ না হত আমি কবেই মারা যেতাম। কিন্তু তা পারছি না।অনেক বার চেষ্টা করেছি মারা যাওয়ার কিন্তু পারিনি ভয় করে :(
আসলে মারা যাওয়া অনকে সহজ না। অনেক কষ্টের  হা.হা….আমি অনেক ভীতু তাই পারছি না।
আমাদের ক্লাসের সব মেয়েদের দেখি  সবার বয়ফেন্ড আছে। আমি এগুলো বিশ্বাস করি না। কিন্তু মাঝে মাঝে  ইচ্ছা হয় আমার ও এমন একজন থাকবে যাকে সব কিছু বলা যাবে। যার কাধে মাথা রেখে একটু কাদব ,যারা সাথে একটু মন খুলে কথা বলব বাসায় কেউ বকা দিলে সেটা শেয়ার করব, মাঝে মাঝে আমরা চলে যাব ফুসকা খেথে মাঝে মাঝে বৃষ্টিতে ভিজব সেই মানুষের সাথে। কিন্তু আমার সে রকম কেউ নেই। আসবে কেন আমি কি সুন্দর নাকি। আমি সুন্দর হলে অনেক ছেলে আমার পিছনে ঘুরত। সুন্দর নই বলে কেউ নেই। আমিও যাই না কাউর কাছে। কোচিং ক্লাস করার সময় হাসিব নামে ছেলেটাকে ভীষন ভাল লাগত। মাঝে মাঝে আমরা কথা বলতাম। কিন্তু কখনো বলতে পারি না ভাল লাগে। জানি বললার পর বলবে “আয়নায় নিজের চেহারাটা একটু দেখ” :(
আল্লাহ আমার অপরাধ কি? কেন আমার গায়ের রংটা কালো করে বানালেন।একটু ফরসা করে বানালে কি এমন ক্ষতি হত তোমাল ?? আল্লাহ তোমার কি কম আছে?? আমার গায়ের রংটা একটু ভাল করলে কি হত?”

আজকে আর ডায়েরী লিখতে পারছি না। একটু পর আপু চলে আসবে রুমে আমি থাকি আপুর রুমে। আপু যদি দেখে আমি ডায়েরী লিখি তাহলে খবরই আছে। ডায়েরী পড়তে চাইবে এবং আম্মুতে ডেকে বলবে আমি না পড়ে ডায়েরী লিখছি।আর আম্মু বলবে বাবাকে। এরপর বাবা আর মা একসাথে বকা শুরু করবে :( এখন তাহলে যাই ডায়েরী। রাতে সময় পেলে আসব  আবার।

অতীতের চিলোকোঠায় এক খন্ড আর্তচিৎকার

চারপাশে অন্ধকার দেখতে পাচ্ছি। মাথাটা ঘুরছে। মনে হচ্ছে পৃথিবীটা টেনিস বলের মত ঘুরছে।আমি বেঁচে আছি না কি মরে গেছে এটা বুঝতে আমার কয়েক মুহূর্ত সময় লাগল।আমি বুঝতে পারলাম আমি মারা যাচ্ছি।দু”টা বুলেট আমার পায়ের ভিতরে খেলা করছে। আমি তীব্র যন্তনায় ছটফট করছি।কাউকে ডাকার চেষ্টা করলাম কিন্তু কেউ শুনল না।চিৎকার করে ডাকার শক্তিটুকু আমার নেই।চারপাশে গোলাবরুদের তীব্র গন্ধ ও আত্তয়াজ পাত্তয়া যাচ্ছে।আমি তাহলে সত্যি আজ মারা যাব। চোখের সামনে ভেসে উঠছে ছেলেবেলার ছবি,শৈশবের স্মৃতি।কিন্তু সবগুলো দৃশ্য দেখলাম সাদা কালো।তাহলে কি মৃত্যুর কাছাকাছি চলে গেলে মানুষ সাদা কালো দেখে দেখে।না আমি আর কিছু চিন্তা করতে পারছি না।চোখ দুটো বন্ধ হয়ে আসছে।

নতুন করে বেঁচে উঠা

চোখের মধ্যে তীব্র আলো পড়ছে। চোখ আর বন্ধ করে রাখতে পারলাম না। চোখ খুলে তাকালাম।দেখলাম জানালা দিয়ে সূর্যের তীব্র আলো আমার চোখে পড়ছে।এর রকম সকালের সূর্যের আলো কতদিন দেখি না।আমি প্রানভরে সূর্যের আলো দেখছি। এতদিনের চেনাজানা আলোটা আজ এত ভাল লাগছে কেন??যদি সূর্যের আলোকে বোতলের মধ্যে ভরে সংরক্ষন করা যেত আজ আমি তাই করতাম। “বাবা কেমন আছে?” আমি পাশে তাকালাম। একজন মাঝারি বয়সের মহিলা দাড়িয়ে আছে।আমি এখানে কেন??কেমন করে আসলাম বুঝতে পারছি না। মনে হয় কেউ অসুস্থ অবস্থায় আমাকে তুলে এনেছে। “ ভাল আছি” এরপর আমাদের পরিচয় পর্ব হল শেষ হল। আমি সংক্ষেপে আমার পরিচয় দিলামা । যুদ্ধের কথা বললাম।আমি অবাক হয়ে দেখলাম এই মহিলা আমাকে চিনে না কিন্তু এমন করে কথা বলছে যেন আমি কতদিনের চেনা।মনে হচ্ছে যুদ্ধ আমাদের আপন হউয়ার শিক্ষা দিচ্ছে।

ভালবাসার প্রথম প্রহর

এই বাড়িতে আমার একটা দিন কেটে গেল। Continue reading

ছোট গল্প: বৃষ্টি ত্ত চোখের পানি( পর্ব-২)

প্রথশ পর্ব পড়েতে এখনে ক্লিক করুন

প্রথম পর্বের পর,

নিহাল একটা অবাকব করার মত কাজ করল। ক্লাস থেকে বের হচ্ছি তখন একটা কাগজ আমার হাতে ধরিয়ে দিয়ে চলে গেল। কাগজের টুকরোটা দেখে মনে হচ্ছে কোন চিরকুট। আমার অনেক ভাল লাগল। ভাবলাম তাহলে আমাকে এবার লাভ লেটার দিয়েছে। মুখে বলতে লজ্জ্বা পাচ্ছে তাই কাগজে লিখে দিয়েছে। মনটা আনন্দে  ভরে গেল। কখন চিরকুট পড়ব। কখন !! বাসায় গিয়ে তাড়াতাড়ি কাগজতা খুলে পড়া শুরু করলাম। আজব !!!!!! তো আমি

Continue reading

ছোট গল্প: বৃষ্টি ত্ত চোখের পানি( পর্ব-১)

পুকুর ঘাটে বসে আসি। সে সন্ধ্যা থেকেই । এখন রাত ৯ বাজে।আকাশে পরিষ্কার একটা চাঁদ উঠেছে।চাঁদের ছবি পড়েছে পুকুরে। সুন্দর লাগছে দেখতে।কোন বাতাস নাই বলে পুকুরের পানি নড়চড়া করছে না।  যেখানে বসে আছি, সেখান থেকে আকাশের চাঁদ আর পুকুরের চাঁদ দু’টাই একসাথে দেখা যাচ্ছে।অদ্ভুত রকমের সুন্দর লাগছে দেখতে।আশেপাসে কোথায় হাসনাহেনা ফুলের গাছ আছে। ফুলের তীব্র গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।রাতে হাসনাহেন ফুলের গন্ধে নাকি সাপ চলে আসে। আমার খুব ভয় করছে। যদি সাপ চলে আসে।আমার খুব ইচ্ছা করছে  পুকুলে ঝাপ দিতে।পুকুরের যে চাঁদটা দেখা যাচ্ছে সেই চাঁদটা ধরতে।এক দৃষ্টিতে সে তাকিয়ে আছে পুকুরের চাঁদের ছায়ার দিকে।

“আপু ঘরে চল” -আমার  ছোট ভাই নিষাদ বলে,

“এখন যান না তুই যা”

নিষাদ আমার হাত ধরে টান দিয়ে বলে ,” আপু চল না। রাত অনেক হয়েছে আম্মু তোমাকে নিয়ে যেতে বলেছে”

“নিষাদ বললাম তো আমি এখন যাব না”

“plesae আপু চল”

“তুই যা আমি কিছুক্ষন পর আসব।”

নিষাদ চলে গেল। আমি বসে রইল একা একা পুকুরে ঘাটে। একা একা এত রাত পযন্ত পুকুর ঘাটে আমি আগে কখনো বসে থাকনি। গ্রামে খুব কম আসা হয়।এবার এসেছি মামার  বিয়েতে। কিন্তু কিছুতেই যেন আমি কোথায় মন বসাতে পারছি না।

হঠ্যাৎ করে বাতাস শুরু হল।  খুব বাতাস বললে ভুল হবে।এখনই যেন ঝড় হবে এমন বাতাস।পুকুরের চাঁদের ছায়াটা একবার ডানদিকে আবার বাম দিকে দোলতে শুরু করল। দেখতে ভাল লাগছে। শান্ত চাঁদটা নড়াচলা শুরু করল।দেখতে ভালই লাগছিল।আমি নাকি ছোটবেলায় খুব বাচাল ছিলাম। অনেক কথা বললাম। আমার মধ্যে একটা শিশু শিশু ভাব আছে। শিশুরা যেমন করে কথা বলে আমি মাঝে মাঝে এমন করে কথা বলি। বলতে ভাল লাগে। এজন্য আমার অনেক বন্ধুরা আমাকে খুকী বলে ডাকে। আমার এক সুন্দর নাম প্রিয়দর্শনী না ডেকে।কোন ছোট বাচ্চা দেখলে আমি  তাদের কোলে না নিয়ে পারি না। আমার কাছে মনে হয় পৃথীবির সবচেয়ে সুন্দর ছোট শিশুরা।

বাতাস খুব জোরে বইতে শুরু করল।যেন এখনি ঝড় হবে। বাতাসের কারনে হাসনাহেনা ফুলের তীব্র গন্ধের সুবাস নাকি আসছে। পুকুরের চাঁদের ছায়াটা আর নেই।পুকুরে সেখানে চাঁদের ছায়াটা ছিল সেখানেটা  কালো হয়ে আছে।কিছুই দেখা যাচ্ছে না।আমি তাড়াতাড়ি আকাশের দিকে তাকালাম। আকাশের চাঁদটাত্ত কালো মেঘে ডেকে গেছে।কিছুক্ষনের মধ্যেই বৃষ্টি শুরু হবে বুঝতে পারলাম। ঘারে যাওয়া উচিত।কিন্তু আমার ঘরে যেতে ইচ্ছা করছে না। বৃষ্টিতে ভিজতে ইচ্ছা করছে।বৃষ্টি আমার খুব প্রিয়। বৃষ্টি আমার আগে এতপ্রিয়ে ছিল না। হঠাৎ করে হয়ে গেল।  এখন বৃষ্টি আসলে আমি আর নিজেকে স্থির রাখতে পারি না। বৃষ্টিতে ভিজতে ইচ্ছে করে। মাঝে মাঝে প্রচন্ড ভয় হয় এই বৃষ্টিকে। এইজন্য দায়ী নিহাল। আর কেউ না।নিহালের কথা আবার মনে পড়ে গেল। আমি চাই না। মনে করতে এই নামটা । বারবার ভুলে থাকতে চাই । কিন্তু প্রকৃতি বার বার আমাকে মনে করিয়ে দেয়। কেন প্রকৃতি কি চায় না আমরা আমাদের অতীত ভুলে যাই।অতীতের সব কষ্ট ভুলে থাকি।না কি প্রকৃতি আমাদের কষ্ট দিতে পছন্দ করে। জানি না…….!! কিছু ভাবতে ইচ্ছা করছে না।

বৃষ্টি শুরু হয়ে গেল।বাতাস প্রচুর বইতে শুরু করল। বৃষ্টির প্রতিটি ফোটা আমার শরীরের যেন কাটার মত করে আঘাত দিচ্ছে। আজ বৃষ্টিটা দেখে আমার তীব্র ভয় হচ্ছে।কিন্তু আমার ভিজতে ইচ্ছা করছে।আমি পাথরের মত করে দাড়িয়ে আছি বৃষ্টির মধ্যে। হঠাৎ দেখতে পেলাম চারপাশে শুধু করব আর করব।আমি যেন একটা করবস্থানে দাড়িয়ে আছি।চেনা পরিবেশটা হঠাৎ করে অচেনা মনে হল। বৃষ্টির শব্দআর ঝি ঝি  পোকার শব্দ মিলে একটা ভৌতিক পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। আবার দেখতে পেলাম করবের একপাশে একজন বৃদ্ধ মাথা নিচু করে দাড়িয়ে আছে। চারপাশে অন্ধকার।

প্রিয়দর্শনী !! প্রিয়দর্শনী!!

বাবা ডাকছে। হঠাৎ করে আমি যেন আমার চেনা -জানা পরিবেশে ফিরে আসলাম।বাবাকে অনেক ভয় পাই। আর আমি বৃষ্টি ভিজে এটা বাবা কখনো দেখতে পারে না। একবার এই বৃষ্টিতে ভিজার কারনে আমার বিষন জ্বর হয়। এর জন্য একটা পরীক্ষা দিতে পারি নাই। এরপর থেকে বাবা আমাকে বৃষ্টি ভিজতে দেখলে প্রচন্ড রাগ করে।

ভয়ে ভয়ে বললাম , জ্বি বাবা

বাবার বলল.”ঘরে আস”

আমি সুলভ কন্যার মত ঘরে গেলাম।আম্মু মাথার পানি মুছে দিল। আমার আমার রুমে আসলাম। মোবইলটা হতে নিলাম। কিন্তু মোবাইলের নেটওয়াক নেই। মেজাজটা খারাপ হয়ে গেল।ব্যাগ থেকে আমার ডায়েরীটা হাতে নিলাম। অনেক দিন। নিহালকে লিখা হয় না। যদিত্ত এখন ডায়েরী খুব একটা লিখি না। ডায়েরীর জায়গায় ব্লগে লিখি। ব্লগে প্রতিটি লেখায় নিহালের কথা বলি । যদিত্ত তা পরোক্ষভাবে । কেউ বুঝতে পারে না। ডায়েরীর মধ্যে নিহালের কিছু চিঠি আছে। এই মোবাইলের যুগেত্ত নিহাল আমাকে আদিম কালে মত করে চিঠি লিখত।ভাবতেই হাসি পায়।

কারেন্ট চলে গেছে। সারা রুম অন্ধকার। বাহিরে অনেক বৃষ্টি হচ্ছে। চাচি একটা মোমবাতি টেবিলের উপর রেখে চলে গেল। আমি দরজা আটকিয়ে চেয়ারের বসলাম। কেন যেন আজ নিহালের কথা একটু বেশি মনে পড়ছে ওকে নিয়ে লিখতে ইচ্ছা করছে। সাহস করে ডায়েরীর পাতাটা হাতে নিলাম। কলম হাতে নিলমা। মোবাতির আলো আর বৃষ্টির শব্দে চারপাশে একটা সুন্দর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। খুব সুন্দর লাগছে। নিহাল থাকলে খুব মজা হত। ওর এই রকম পরিবেশ খুব পছন্দ করে।-ডায়েরী লিখা শুরু করলাম।

“নিহাল!! নামটি আমার চিৎকার করে বলতে ইচ্ছা করছে।জানি ওর শুনবে না।তবুত্ত । আজ নিজের এত খারাপ লাগছে কেন বুঝতে পারছি না। মনে হচ্ছে আমার কলিজাটা ছিড়ে বের হয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। জীবনের সকল মানে অর্থহীন মনে হচ্ছে। যদিত্ত এই কথা গুলো খুব সাধারন একটা কথা মনে হচ্ছে। মনে হচ্ছে বাংলা ছবি কোন ডায়ালগ।

নিহাল আমাকে বাস্ত্যব জীবনের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়।একথায় ওখুব সাধারন একটা ছেলে ছিল। ওর মধ্যে অসাধারনতার মত কিছু ছিল না। তার চালচলন একটু আলাদা ছিল । ও অন্য বন্ধুরা খুব ষ্টাইল করত। কিন্তু ও কোন ষ্টাইল করত না। জামা -কাপড় এর দিকে কোন খেয়াল ছিল না। সবকিছু সাধারন ছিল। আমার জানা মতে ওর হাতে গোন কয়েকটা শার্ট ছিল। অনেক সময় দেখলাম একটা শার্ট টানা কয়েকদিন পড়ে আসত।একদিন আমি বলি, “তুমি এত সাধারান কেন? একটু  স্মার্ট হউ”

নিহাল বলে,” এত স্মার্ট আর ষ্টাইল করে কি লাভ?”

আমি বলি, অন্যরা যে করে”

নিহাল ,”অন্যরা যা করে আমাকে তা করতে হবে।”

আমি বলি,” যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হবে না।”

নিহাল,” যারা ছেড়া প্যান্ট আর কানে দোল পড়ে তাড়া কি খুব ভাল। সবাই কি তাদের দেখতে পারে। কোন ভদ্র মানুষ এই ধরনের মানুষদের দেখতে পারে না।”

” হুম। কি ভদ্র ছেলে আমার।” বলে আমি  হাসতে শুরু করলাম।

নিহাল আমার হাসির দিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে।আর মনে মনে ভাবছে আচ্ছা মানুষকে হাসলে এত সুন্দর লাগে কেন? (নিহালের ডায়েরি পড়ে আমি এটা জানতে পারি)

নিহালের সাথে আমার প্রথম পরিচয় হয় ফ্রেব্রুয়ারীতে। তারিখ হল ২৯।নিহাল ছিল একটা নিছক ভদ্র টাইপের ছেলে।নিহাল লেখাপড়ায় খুব ভাল ছিল। আমি ছিলাম ঠিক তার উল্টা। লেখাপড়া করতে একধুম ভাল লাগত না।লেখাপড়াকে আমার কাছে মনে হত এটা পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন কাজ। প্রায়ই নিহাল আমাকে বুঝাত একটা ভালভাবে পড়। প্রিয়দর্শনী !!!

আস্তে আস্তে আমি নিহালের প্রতি দুর্বল হয়ে পড়ি।জানি না। কি করে। ওর সঙ্গ ভাল লাগল। ওর সাথে টাইম কাটাতে ভাল লাগল।সারাদিন আমি ওর কথা ভাবতাম। আমি ক্লাসের সুন্দরী মেয়েদের মধ্যে একজন ছিলাম। অনেক ছেলে আমাকে প্রেমিকা বানানোর জন্য আমার পিছনে ঘুরত। আমাকে নানা ভাবে ইমপ্রেশ করার চেষ্টা করত। কিন্তু আমার কিছুই ভাল লাগত না। কথায় আছে না “love first side”। একদিন নিহল ক্লাসে না আসলে আমার তীব্র চিন্তা হত। কেন আসল না কেন? একদিন ওর সাথে কথা না বললে মনে হত আমার দম বন্ধ হয়ে আসছে।ওর কথা মনে হলে আমি কিছুই করতে পারতাম না। প্রতি কাজের সময় ভাবতাম ত্তকে। খাওয়ার সময় ভাবি আচ্ছা ত্ত কি এখন খাচ্ছে ?কোন সুন্দর পরিবেশে আছি তখন ভাবতাম ইস এখন যদি ত্ত কাছে থাকত। এগুলো কি প্রেম পাড়ার প্রথম লক্ষন?

দ্বিতীয় পর্ব পড়তে এখানে ক্লিক করুন

উপহার

উপহার

রাস্তা দিয়ে হাটছি। বাহিরে অনেক গরম। যেন সূয এই পৃথীবির মানুষের উপর অণেক রাগ করে আছে। সূর্যের তাপের কারনে সারা শহরে অনেক গরম পড়েছে। এমন গরম গত কয়েক বছর পড়েছে কি না আমার জানা নেই। এই গরমে সবচেয়ে বেশি লাভবান হয় ডাব বিক্রেতারা। তারা ১০ টাকার ডাব ২০-৩০ টাকা বিক্রি করে।রাস্তার পাশে দেখলাম একজন ডাব বিক্রেতা খুব মনোযোগ দিয়ে ডাব বিক্রি করছে। আমর ডাব খেতে খুব ইচ্ছা হল  । কিন্তু হাটতে অনেক ভাল লাগছে।  হাঁটার মাঝে রিবতি দিতে ইচ্ছা করছে না। যদিত্ত এখন আমার হাতে অনেক সময় আছে। তাড়াতাড়ির কিছুই নেই। ইচ্ছা করলে আমি সারাদিন বাহিরে ঘুরে বেড়াতে পারব।কিন্তু একটা অলস্য এসে ভর করল আমাকে। ডাব ত্তয়ালার কাছে গিয়ে ডাব খেতে ইচ্ছা করল না। আমি হাঁটতে থাকলাম আমার মত করে।

Continue reading

ছোট গল্প – ডায়েরী

ডায়েরী

তুসিন আহমেদ

কি রে ! কি খবর?

এই মোটামুটি আছি। তোর কি খবর?

খুব ভাল আছি।

আমি প্রিয়দর্শনী দিকে তাকালাম। তার চোখ গুলো আগের মত নেই। একটু যেন অন্য রকম । অবশ্য আমি ত্তকে অনেক আগে দেখেছি। অনেকদিন  পর দেখার কারনে হয়তবা চোখগুলো অন্যরকম লাগছে। সবার চোখগুলো আমি ভাল করি লক্ষ্য করি না। কিন্তু এই মানুষটার চোখগুলো আমি খুব ভাল করে লক্ষ্য করি। ত্তর সামনে আসলে কেন যেন আমার চোখ ত্তর চোখের দিকে চলে যায়।কত সুন্দর ত্তর চোখ দুইটি। ত্তকে নিয়ে কত স্বপ্ন দেখতাম আমি। কত অঝোর বৃষ্টির স্বপ্ন, একটা নীল কুটিরের স্বপ্ন, স্বপ্নের কি কখনো রং হয় যদি হয় তাহলে লাল স্বপ্ন ,নীল স্বপ্ন আর কত কি? এক এক অনেক অনেক স্বপ্ন সাজিয়ে ছিলাম।

মনে পড়ে সেই রাতে কথা । ত্তর সাথে কথা বলতে বলতে আমরা কল্পনা করেছিলাম। যদি বাসায় কেউ না মানে তাহলে আমরা পালিয়ে রাঙ্গামাটি কিংবা পাহাড়ি কোন গ্রামে চলে যাব। যেখানে কেউ আমাদের চিনবে না এবং কেই আমাদের খুঁজে পাবে না। তুই আমাকে শুধু বলতি কি খাবি? কেমন করে চললি। এসব ফালতু আর চাপাগিরির কথা সবাই বলতে পারে। বাস্তব্যতা তো এমন না। ত্তর কাছে যেন আমি আমার বাস্তব্যতা শিখেছিলাম।

কিরে কি ভাবছিস?

না কিছু না ভাসছি না।

এই সব কেন ভাবছি আমি?এখন তো কত আগে কথা। এই স্বপ্ন গুলো সত্যি স্বপ্নের মত রয়ে গেল।

প্রিয়দর্শনী বলল,” তোর চোখগুলো দেখে মনে হচ্ছে কিছু চিন্তা করছিস।তোর চোখগুলো লাল লাগছে কেন?

আমি বললাম,” কই না তো “

তুই আমার সাথে মিথ্যা বলবি না।

আমি বললাম “ আসলে আগের কথা গুলো মনে পড়ছে”

এই তো good boy সত্যি কথা বলেছে। আমি জানি তুই আমার সাথে মিথ্যা বলবি না।after all ……..

এই টুকু বলে ত্ত দেখে গেল।

আমি হাসতে হাসতে বললাম,  “ alter all কি?”

প্রিয়দর্শনী কিছু বলল না।কিছুক্ষন চুপ করে থেকে বলল “byethe way তোর বউ  wife কেমন আছে রে?

আমি ত্তর দিকে তাকিয়ে একটা মিষ্টি হাসি দিয়ে বলি , “বাদ দে সেব কথা।তোর কথা বল তোর সংসার কেমন চলছে।তোর husband কেমন আছে?”

প্রিয়দর্শনী বলে,” তোর তো কোন দেখাই পাইনি আমার বিয়ের পর থেকে । কই ছিলি এতদিন।“

ছিলাম এই শহরেই।

প্রিয়দর্শনী  অপরাধীর মত করে বলে, “ আমি জানি তুই অনেক কষ্ট পেয়েছিস। কিন্তু……

আচ্ছা বাদ দে তো সেই সব কথা।পুরানো কথা মনে করার কোন কারন নেই।

প্রিয়দর্শনীর চোখ গুলো কেমন যেন লাল হয়ে যাচ্ছে। ত্তর করুন চোখগুলো আমার দেখতে ভাল লাগছিল না। কথা ঘুরানো জন্য আমি বলি, আচ্ছা অশোকা কেমন আছে?”

আচ্ছা তোর মেয়ের নাম কি অশোকা রেখেছিস তো?

প্রিয়দর্শনী বলে , হ্যাঁ। তোর কথা মত।

শুনে আমার ভাল লাগল। যাক আমার একটা কথা হলেত্ত মনে রেখেছে।

আমি বলি , “তোর মেয়ে কি দেখতে snow white এর মত হয়েছে? আর চুল গুলো কি বড় বড় রেখেছিস?

প্রিয়দর্শনী বলে, হ্যাঁ

“ঠিক আমরা যে রকম কল্পনা করতাম সে রকম। “ বলতে বলতে আমার চোখ দিয়ে প্রায় পানি  চলে আসছিল। এই প্রিয়দশনী কে কত স্বপ্ন দেখতাম। কত!!!

আমি গল্পের বইয়ের খুব পোকা ছিলাম।জাফর ইকবালের একটা বইয়ে অশোক নামটি পাই। নামটি আমার খুবই পছন্দ হয়। পরদিন প্রিয়দর্শনী কে বলি , তোমার মেয়ে হলে অশোকা রাখবে।“

তখন প্রিয়দর্শনী বলত , “ইর্স শক কত। গাছে কাঠাল গোফে তেল”

তখনকার দিনগুলো কত মজাই না ছিল।একটা দিনের কথা প্রায়ই মনে পড়ে। আমি , প্রিয়দশনী আর আমার একটা বন্ধু বের হয়েছিল ঘুরতে।তখন টিপটিপ করে বৃষ্টি পড়তেছিল আর আমরা রাস্তায় হাটছি। খুব মাজা লাঘছিল বৃষ্টির মধ্যে হাটতে। টিপটিপ বৃষ্টি আসলেই আমার এই দিনটার কথা মনে পরে।

তোর মেয়ে ত্ত মেয়ের বাবা কই?

ত্তরা গেছে  চাইনিজ থেতে গেছে। আমি আবার চাইনিজ -টাইনিজ খেতে পারি না একধুম ভাল লাগে না। খুবই বিরক্ত লাগে।কিন্তু অশোকা ত্ত ত্তর বাবার অনেক লাইক করে। ত্তর খেতে গেছে আর আমি ত্তদের জন্য অপেক্ষা করছি। আমার ভিতরে ঢুকতে ভাল লাগে না।

আর যদি আজকে আমি বাহিরে না অপেক্ষা করতাম তাহলে তোমার  সাথে দেখা হতই না।“

হুম । তোকে একটা  জিনিস দিব  নিবি।

কি দিবি?

মনে আছে তোর আমার কথা হয়েছিল আমাদের যত দিন দেখা হবে না আমার প্রতিদিন একটা করে চিরকুট লিখব । আমি ঠিকই লিখিছি। প্রায়ই আমার ব্যাগে এই চিরকুটগুলে নিয়ে থাকি। যদি তো সাথে কখনো দেখা হয় তখন দিব। এরজন্য। তোকে প্রতিদিন চিরকুট লেখতে লেখতে আমার তিনটা ডায়েরী শেষ হয়েছে।

প্রিয়দর্শনী কিছুক্ষন চুপ করে থেকে  বলে ,” কি করছিস এখন । কোথায় জব করিছ?

এই তো লেখা লেখা করি। কিন্তু মজার কথা হল কোথায় বই ছাপা হয়নি। আর মামা খালু না থাকাল কারনে চাকুরি হচ্ছে না।“

প্রিয়দর্শনী আমার দিকে তাকিয়ে আছে । ত্তর দৃষ্টির মধ্যে একটা করুন ভাব।আমি পরাজিত  এক সৈনিক এর মত মাথা নিচু করে দাড়িয়ে আছি।

এমন সময় একটা ফুটফুটে মেয়ে প্রিয়দর্শনীর কাছে আসে।ত্তর মেয়েকে আদর করে বলে.”তোমার বাবা কোথায়”

বাবা আসছে।

আমার দুইজন কিছুক্ষন চোপ করে তাকিয়ে থাকি।আমি অশোকার দিকে তাকাই। আসলে মেয়েটি অনেক সুন্দর হয়েছে।অশোকার মুখে একটা অন্যরকম মায়াবী ভাব আছে।তার চুলোগুলো ত্ত লম্বা ত্ত কালো। দেখেতে একধুন স্লো হোয়াইটের মত হয়েছে। আমার যেমন কল্পনা করতাম।

মা দেখ আব্বু আসছে । আব্বু !!

আমি কিছু না বলে দ্রুত সরে আসি এই  জায়গা থেকে। আমি ভিড়ের মধ্যে হারিয়ে গেলাম।দ্রুত হাটা শুরু করলাম।প্রিয়দর্শনী আমার দিকে তাকিয়ে ছিল কি না বা ডেকে ছিল না সেই দিন আমি লক্ষ্য করলাম না।আমি এটা সহ্য করতে পারব না যে অন্য একজন প্রিয়দর্শনর পাশে দাড়িয়ে ত্তর কাধে হাত রাখছে কিংবা হাতে হাত রাখছে এবং হেসে কথা বলছে। তাই এই দৃশ্য দেখার আগে সরে এলাম। জানি না প্রিয়দর্শনী রাগ করেছে কি না। আর রাগ করলেই বা কি করার আছে এখন।তখনই আমার মনে হল আরে আমি তো ডায়েরী তিনটা দেই নি।এখন কি আবার যাব ডায়েরীটা দিতে। দেত্তয়া কি উচিত হবে। আমি চিরকুট লেখা ডায়েরীটা দেতে গেলাম। গিয়ে দেখি ত্তর আগে জায়গায় নেই। মানে চলে গেছে। আমি আশেপাশি কিছুক্ষন খোঁজলাম। কিন্তু পেলাম না।

বাসটা একন মহাখালী ফ্রাইত্তভারের উপর দিয়ে যাচ্ছে।আমি কি মনে করে যেন ডায়েরী গুলোকে জানালা দিয়ে নিচে ফেলে দিলাম।

বাস দ্রুত চলছে। জীবন যেভাবে দ্রুত চলে যায়। মনে পড়ছে প্রিয়দর্শনীর অনেকদিন আগের শেষ কথাটা “ অনাবীর তুই আমার জন্য অপেক্ষা করিস আমি আসব। প্লিজ আমার জন্য অপেক্ষা কর। কোন রকম যোগাযোগ করবে না”

জীবনটা যেন এটা বাস । দ্রুত চলতে থাকে । এক ষ্টেশন থেকে আর এক স্টেশন।

মা !! যে আমার সব অপরাধ ক্ষমা করে দেয় !!

খুব সাকলে ঘুম থেকে উঠে পড়তে বসলাম । আজ আমার সমাজ পরীক্ষা। কিছুক্ষন পড়ার পর দেখি আম্মু আমার রুমে আসে । আম্মুর চেহারাটা কেমন শুকনা শুকনা লাগছে।আম্মু হুড়মুড় করে আমার বিছানায় উপর বসে পড়ল। আমি বুঝতে পারলাম আম্মুর শরীর খারাপ।আম্মুর পেশার আছে । মনে হচ্ছে আজ পেশারটা অনেক বেড়ে গেছে।আম্মুর মাথা ঘুরছে । আম্মু শুয়ে থাকতে পারছে না।আমি টেবিল থেকে উঠে গিয়ে আম্মুর কছে গিয়ে বসলাম।আমি আম্মুকে শুইতে বলি । আম্মু বলে এখন শুইতে পারবে না প্রচন্ড ভাবে মাথাটা ঘুরছে।আমাকে ধরে আম্মু কিছুক্ষন বসে খাকল।এরপর আমি পানি এনে আম্মুর মাথায় পানি দেই।মাথায তেল দিয়ে দিই। কিছুক্ষন পর আম্মুকে শুইয়ে দিলাম।

আমি আবার পড়তে বসি । কিন্তু পড়ায কোন মন বসে না।আম্মু দিকে তাকিয়ে দেখি আম্মু চোখ বন্ধ করে শুয়ে আছে। আমার খুবই কান্না পাচ্ছে। আম্মুর কিছু হলে আমি সহ্য করতে পারব না। আমি কাঁদতে শুরু করলাম । নীরবে কান্না যাকে বলে। শব্দ হবে না শুধু চোখ দিয়ে পানি পড়বে।আমি আবার খুব সহজে কাদিঁ কিনা!!!!

আমার আম্মুটা অন্য সাবার আম্মু থেকে অনেক ভাল।আমি আম্মুকে অনেক কষ্ট দিয়েছি।ছোটবেলা আমি অনেক দুষ্ট ছিলাম, আম্মুর সাথে অনেক খারাপ ব্যবহার করেছি।

আমার বার বার মনে হচ্ছে আম্মু যদি এখন মারা যায়। আল্লাহর কাছে আমি মনে মনে দুয়া করেছি আল্লাহ তুমি আমার আম্মুকে সুস্থ করে দাত্ত।

আম্মু সারাদিন রান্না-বান্না করেত্ত দুপুর বেলা না শুয়ে , রেস্ট না নিয়ে সেলাই করে । এক মহিলা আসে তার কাছ থেকে কাপড় সেলাই করে অল্পকিছু টাকা পায়।আমি অনেক বার আম্মুকে বলেছি এই সেলাই কাজ করার কোন দরকার নেই।এই সময়টা তুমি ঘুমায় তোমার উপকার হবে।আম্মু বলে, তোর আব্বু যা বেতন পায় তা দিয়ে চলতে হিমশিম খাই। এখন কিছু বাড়তি টাকা আসলে তোর রিকশা ভাড়া বা থাতা কলমে দামটা হবে।আমি আর কোন কথা না বলে আম্মুর দিকে তাকিয়ে থাকি।

আচ্ছা মারা সন্তানের জন্য এত কষ্ট করে কেন ??

আম্মু এখনো চোখ বন্ধ করে শুয়ে আছে।বাসার সবাই ঘুমিয়ে আছে।আমি মুধু জেগে আছি আম্মুর পাশে।

সূর্য পূর্ব দিকে উঠছে। আমি বারান্দায় গিয়ে দেখি সূর্যের দিকে তাকিয়ে আছি। সূর্যের সকালের কমল আলোটা কত না সুন্দর!! সূর্যের আলোটা আম্মুর চোখে লাগছে।আমি বারান্দার পর্দাটা টেনে দিলাম যেন আম্মুর চোখে আলোটা না পড়ে।

আমি আম্মু কাছে গিয়ে আমি মনে মনে ক্ষমা চাইলাম ‘আম্মু আমাকে ক্ষমা করে দাত্ত।’

মা দিবস কাল চলে গেছে । সময় না পাত্তয়ায় লিখতে পারিনি। কাল সারাদিন  মাকে বলতে চেয়েছিলাম ” মা তোমাকে অনেক ভালবাসি’ কিন্তু বলা হয়নি। তাই আজ ব্লগে বলছি ।

সবার কাছে সবার মা অনেক প্রিয় আমার কছে আমার মা এধুম প্রিয় না। সবাই অবাক হচ্ছেনা তাই না। অসলে আমার মা আমার কাছে খুব খুব খুব………….খুব প্রিয় তাই শুধু প্রিয় বললে অনেক কম হয়ে যায় ।

আমি অনেক রাগি একটা ছেলে। কথায় কথায় রাগ কর। বিশেষ করে মার সাথে আমরা সবাই সবচেয়ে বেশি রাগ করি । সকল রাগ আমরা সবাই একটা মনুষের উপর ঝারি তা হল মা। কিন্তু মা এ সবকিছু ক্ষমা দৃষ্টি চোখে দেখে । মা আমার সকল মনে কথা গুলো বুঝতে পারে। আমি আমার মার সাথে রাগের মাথায় অনেক কিছু করি । মা তা সহ্য করে নেয় । আমি অবাক হয়ে ভাবি মারা এমন কেন? আমাদের সকল অপরাধ ক্ষমা করে দেয়।

এই মা দিবসে মাকে অনেক শুভেচ্ছ। মা তোমার সাথে অনেক অপরাধ করেছি জানি তুমি ক্ষমা করে দিয়েছ তবুত্ত আবার ক্ষমা চাচ্ছি ।

sorry মা !!!sorry মা!!!

তুসিন আহমেদ