“আমি চাই, সবাই আমাকে মনে রাখুক একজন সাধারণ মানুষ হিসেবেই। আমি একজন সাদাসিধে কম্পিউটার প্রোগ্রামার ছিলাম, আমি একটা প্রোগ্রাম তৈরি করেছিলাম, যেটা মানুষের কাজে লেগেছিল। এবং আমি যদি সেই প্রোগ্রামটা তৈরি না করতাম, তাহলে অন্য কোনো মানুষ করত সেটা।”
খুব ভাল লাগল আমার উপরের কথাগুলো। এইকথাগুলো থেকে বুঝা যায় মানুষটা কত সাদাসিধে।আগে মানুষটা সম্পকে জানতাম না খুব একটা। শুধু জানতাম ওনি www এই আবিষ্কার করেছে। নেই তেমন কোন প্রচারনা। আজ প্রথম আলোতে টিম বার্নাস লি নিয়ে লেখা পড়ে খুব ভাল লাগল। ইদানিং আমার ব্লগে খুব বেশি কপি -পেষ্ট হয়ে যাচ্ছে। কি করব সংবাদপএ এর কিছু কিছু লেখা এত ভাল লেগে যায় তা নিজের সংগ্রহ রাখার লোভে এবং অনেক হয়ত সংবাদপএ পড়া হয় না তাই মাঝে মাঝে খুব ভাল এবং উৎসাহপূন লেখা হারিয়ে যায় না পড়ে। লেখাগুলো শেয়ার করি। যখন মাঝে মাঝে নিজেকে একটু দিশেহার মনে হয় কিছু ভাল লেখা পড়লে আমাদের মনকে মানসিক প্রশান্তি দিতে পারে।আমি এমনটা করি। যখন একটু উদাসীন ভাব চলে আছে, দিশেহার মনে হয় তখন কিছু প্রিয় বই এবং প্রিয় কিছু লেখা পড়ি, মন তখন ভাল হয়ে যায় মোটামুটি। যাক এই নিয়ে কোন আর একদিন লিখব। আমার প্রিয় কিছু লেখা এবং বই শেয়ার করব।এই রকম একটি লেখা এটি। ভাল লাগবে সবার ।
সকালে ঘুম থেকে উঠলাম আনুমানিক ৫.৪৫ কিংবা ৬টার দিকে। রাতে বেলা ঘুমাতে পারি নাই। মনে আছে রাতে ৩.২০ পযন্ত জেগে ছিলাম। স্বভাবমত ভেবেছিলাম আজও সকালে উঠতে আমার অনেক দেরি হবে। কিন্তু ভাগীনাদের যন্তনায় আর তা হলে না। সকাল হতে না হতে ওরা জেগে উঠে এবং দুইজনই আমার পিঠের উপর উঠে বলতে থাকবে গেমস গেমস…..ভাসির্টি ……গেমস খেলব…………কি আর করা। মামা বাড়িতে এসেছে পরীক্ষা শেষ করে এখন ওদের আবদার তো রাখতেই হবে। ঘুম ঘুম চোখে ওদের জন্য পিসি ওপেন করলাম। ওদের কাছে জানতে চাইলাম কি গেমস খেলবি, দুইজন একসাথে চিৎকার দিয়ে উঠল ভার্সিটি…….gta….. এই গেমস জিনিসটা আমি খুব একটা খেলথে পারি না। টানা ৫ মিনিট খেললেই আমার মাথা প্রচন্ড ধরে যায়। তাই গেম খেলা ছেড়ে দিয়েছি…তবে মাঝে মাঝে যে খেলি না তা না…….কিন্তু ব্যাপারটা আর আগের মত নেশা পর্যায়ে নাই। গেমস ওপেন করার আগে আমি ফেইসবুকে একটু টু মারালাম মেইল চেক করার জন্য। প্রথম ঢুকেই দেখি হোম পেইজে আমাদের জুকবার.. লিখেছে Mark Zuckerberg Steve, thank you for being a mentor and a friend. Thanks for showing that what you build can change the world. I will miss you. ফেইসবুকের নতুন ফিচার Subscriptions ( এর কারনেই অণেক বিখ্যাত ব্যাক্তির স্ট্যাটাস পড়তে পারছি এর জণ্য ফেইসবুককে ধন্যবাদ…………… এই স্ট্যাটাসটা দেখে বুঝতে পারলাম না……..আসলে ব্যাপারটা কি হচ্ছে। আমার অনেকগুলো বন্ধুর স্ট্যাটাস দেখে বুঝতে আর বাকি রইল না স্টিভ জবস আর নেই :’( সাথে সাথে গেলাম apple এর ওয়েবসাইটে সেখানে দেখে আমি পুরোপুরি নিশ্চত হলাম………….:’( সত্যি আমার নিজের যেন বিশ্বাস হচ্ছিল না……………….. কিছুক্ষন মনে করার চেষ্টা করলাম। আজ কি এপ্রিল ফুল কি না। নাকি আইফোন ৫ এর কোন প্রচারনা চালাছে………….. ভাগীনাদের গেমস খেলতে দিয়ে চলে আসলাম। মাথার মধ্যে শুধু ঘুরপাক খাচ্ছে…ব্যাপারটা……… কিছক্ষন পর যখন বিস্তারিত খরব বিভিন্ন সাইট থেকে জানতে শুরু করলাম তখন সত্যি নিজের ভীষন খারাপ লাগছিল………..আর প্রিয় একজমন মানুষ চলে গেল……….:( আমার এই ধরনের ফাউল প্যাচাল শুনে নিশ্চয় সবাই অণেক বিরক্ত হলে গেলেন তাই না। দেখি স্টিভ সম্পকে কিছু তথ্য। আগেই বলে রাখি সবগুলোই কপি করা। কেউ আমার কপি করেছি এই মামলা করে দেইয়েন না। কারন স্টিভ জবসকে আমি ব্যাক্তিগত ভাবে চিনি না। ত্তনার সম্পকে যতটুকু জেনেছি বিভিন্ন জার্নাল ব্লগ নিউজ পড়ে। তাই আমার তথ্যের উৎস এতটুকুই……. প্রথমে যেকোন কিছু জানার জন্য আমি বাংলা উইকিপিডিয়া দেখি। সেখানে না পেলে ইংশিল উইকিপিডিয়ার দেখি। বাংলা উইকিপিডিয়ার স্টিভ জবস সম্পকে যা দেখতে পেলাম তা তুলে দিচ্ছি প্রথমে। এটা থেকে একটু হলেও জানা যাবে কে এই ব্যাক্তি……….. ” স্টিভ জবস (পুরোনাম: স্টিভেন পল জবস) (ইংরেজিতে:Steven Paul “Steve” Jobs) (জন্ম ফেব্রুয়ারি ২৪, ১৯৫৫, মৃত্যু ৫ অক্টোবর২০১১) যুক্তরাষ্ট্রের একজন উদ্যোক্তা ও প্রযুক্তি উদ্ভাবক। তিনি অ্যাপল ইনকর্পোরেশনের প্রতিষ্ঠাতাদের অন্যতম ও সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। এছাড়াও তিনি কম্পিউটার ও মনোরঞ্জন শিল্পে একজন বিশ্ববিখ্যাত ব্যক্তিত্ব। জবস, পিক্সার এ্যানিমেশন স্টডিওস-এর সাবেক সিইও। তিনি স্টিভ ওজনিয়াক এবং রোনাল্ড ওয়েন-এর সাখে ১৯৭০ খ্রিস্টাব্দে এপল কম্পিউটার প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি ১৯৯৫ সালে টয় স্টোরি নামের অ্যানিমেটেড চলচ্চিত্র প্রযোজনা করেন।““আগেই বলে নিচ্ছি লেখাটি কিন্তু অনেক বড়………তাহলে শুরু করি…
প্রথমে সবাইকে বলল স্টীভ এর এই বক্তিতাটি পড়ার জন্য-
এই লেখাটাযে আমি কতবার পড়েছি তার হিসাব নেই।বিশ্বসেরা বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে পরিচিত স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির ছাত্রদের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে। বক্তব্যটি অনেক আগের। তবে আমার জীবনে শোনা সবচাইতে মুগ্ধকর আর উৎসাহমূলক বক্তব্য। ভিডিওটি দেখে নিতে পারেন বক্ত্যবটির বাংলা অনুবাদ… প্রথমেই একটা সত্য কথা বলে নিই। আমি কখনোই বিশ্ববিদ্যালয় পাস করিনি। তাই সমাবর্তন জিনিসটাতেও আমার কখনো কোনো দিন উপস্থিত হওয়ার প্রয়োজন পড়েনি। এর চেয়ে বড় সত্য কথা হলো, আজকেই কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠান সবচেয়ে কাছে থেকে দেখছি আমি। তাই বিশ্বের অন্যতম সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সমাবর্তন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পেরে নিজেকে অত্যন্ত সম্মানিত বোধ করছি। কোনো কথার ফুলঝুরি নয় আজ, স্রেফ তিনটা গল্প বলব আমি তোমাদের। এর বাইরে কিছু নয়। আমার প্রথম গল্পটি কিছু বিচ্ছিন্ন বিন্দুকে এক সুতায় বেঁধে ফেলার গল্প।
স্টিভ জবস– অ্যাপেল কম্পিউটারের প্রতিষ্ঠাতা
ভর্তি হওয়ার ছয় মাসের মাথাতেই রিড কলেজে পড়ালেখায় ক্ষ্যান্ত দিই আমি। যদিও এর পরও সেখানে আমি প্রায় দেড় বছর ছিলাম, কিন্তু সেটাকে পড়ালেখা নিয়ে থাকা বলে না। আচ্ছা, কেন আমি বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়লাম? এর শুরু আসলে আমার জন্মেরও আগে। আমার আসল মা ছিলেন একজন অবিবাহিত তরুণী। তিনি তখন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছেন।
আমার যখন অনেক মন খারাপ থাকে তখন আমি ডায়েরী লিখ । যখন অনেক মন ভালথাকে তখন ও লিখি। এটা আমার একটা শখ। নিজের জীবনের কথা গুলো লিখে রাখতে ভাললাগে এটাভেব যে যখন আমি বুড়ো হয়ে যাব তখন অতীতের কথা গুলো পড়ে সময় কাটানো যাবে হা…হা….
আমি কালো, মোটা, দেখতে সুন্দর না তাই বলে আমার সাথে এমন ব্যাবহার করবে।
বড় আপু ,ভাইয়াকে তো এমন কর না। আমার জ্বর হলে তো একবারও খোজ নাও না। আর আপুর জ্বর হলে "মা গো কেমন আছে বলে জান শেষ করে ফেল" কেন বাবা?? আমি কি তোমাদের মেয়ে না। দেখতে খারাপ বলে কি ??
আমি খারাপ ছাএী বলে। কই আমি এ+ নাই পাই ফেল তো করি নাই।৪.৮৮ পেয়েছি। তাও কি প্রতিদিন আমাকে বলতে হবে "তুই এ+ পেলি না তোর বন্ধুরা সবাই পেল"}
মা আমি তো পরীক্ষার সময় অসুস্থ ছিলাম এটা একবারও বল না কেন?
আগে তর্ক করতাম এখন সেই ভাষাটা হারিয়ে ফেলেছি।
"একটি মেয়ের " ডায়েরীর কিছু অংশ"
খারাপ লাগে নিজের কাছে এমন কোন ঘটনা দেখলে। কিন্তু প্রতি মুহূতে এই রকম কিছু ঘটনা চোখের সামনে না ঘটলেও আড়ালে ঘটে।যা বিশেষ কিছু প্রশ্ন দাড় করায়
সৌন্দর্য কি সবচেয়ে বড় কথা??
রুপ আছে তো সব আছে??
ভাল টুডেন্ট হলেই কি সব হয়ে যায়??