Category Archives: সম সাময়িক

এতদিন এই লেখাটির জন্যই অপেক্ষা করছিলাম “সাদাসিধে কথা টিপাইমুখ: একটি প্রতিক্রিয়া”- মুহম্মদ জাফর ইকবাল

বরাক নদের এই জায়গাতেই প্রস্তাবিত টিপাইমুখ বাঁধ তৈরির পরিকল্পনা ভারতের, পেছনে টিপাইমুখ গ্রাম
১৯৯০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের গভর্নর পদের জন্য নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছিলেন ক্লেটন উইলিয়ামস নামে এক ব্যক্তি। ভদ্রলোক নির্বাচনে জিততে পারেননি, কিন্তু পৃথিবীর অনেক মানুষ তাঁকে মনে রেখেছে তাঁর একটি উক্তির জন্য। তিনি বলেছিলেন, ধর্ষণ থেকে যদি রক্ষা পাওয়ার কোনো উপায় না থাকে, তাহলে চেষ্টা করা উচিত সেটা উপভোগ করা। (আমি যা-ই লিখি, ছোট বাচ্চারা নাকি সেটা পড়ে ফেলে—তাই ওপরের কথাগুলো লিখতে খুব খারাপ লাগছে।) ক্লেটন উইলিয়ামসের কথার মতো হুবহু একটা কথা ২৯ ডিসেম্বর ২০১১-এর প্রথম আলোয় পড়েছি। টিপাইমুখ সম্পর্কে মহিউদ্দিন আহমেদ লিখেছেন, ‘ভারত এই বাঁধ তৈরি করবেই, আমাদের কৌশল হওয়া উচিত এ থেকে আমরা কী সুবিধা নিতে পারব সেই চেষ্টা করা।’
এর কিছুদিন আগে গওহর রিজভী পত্রিকায় একটা লেখা লিখেছিলেন। সেই লেখাটিতে নানা রকম ভণিতা ছিল, দেশ, দেশের স্বার্থ—এই সব বড় বড় কথা ছিল এবং পুরো লেখাটিতে পাঠকদের উপদেশ দেওয়া হয়েছিল, তারা যেন আবেগের বশবর্তী হয়ে হঠকারী কাজকর্ম শুরু করে না দেয়। গওহর রিজভী সরকারের মানুষ, তাঁর লেখাটি পড়ে আমরা সবাই সরকারের ভূমিকাটা কী হবে, তা আঁচ করতে পেরেছিলাম।
আমি নদী বিশেষজ্ঞ নই, পানি বিশেষজ্ঞ নই, পরিবেশ বিশেষজ্ঞ নই। কিন্তু আমার গত ৫৯ বছরের অভিজ্ঞতায় একটা জিনিস শিখেছি, সেটা হচ্ছে পৃথিবীর জটিল থেকে জটিলতম বিষয়টিও কমন সেন্স দিয়ে প্রায় ৯০ ভাগ বুঝে ফেলা যায়। কাজেই বাংলাদেশের মানুষ টিপাইমুখের বিষয়টি শতকরা ৯০ ভাগ শুধু কমন সেন্স দিয়ে কিন্তু বুঝে ফেলেছে। বড় বড় বিশেষজ্ঞ কিউসেকের হিসাব, বর্ষা মৌসুম, শুষ্ক মৌসুম, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, সেচব্যবস্থা নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ করতে থাকুন, আমরা সাধারণ মানুষ কিছু সাধারণ প্রশ্ন করি:
আমরা কি প্রকৃতিকে নিয়ন্ত্রণ করব, নাকি প্রকৃতির সঙ্গে সহাবস্থান করব? একেবারে ছোট শিশুটিও জানে পৃথিবীতে প্রযুক্তি এখনো প্রকৃতিকে নিয়ন্ত্রণ করার জায়গায় পৌঁছায়নি, কোনো ভূমিকম্প থামানো যায় না, কোনো ঘূর্ণিঝড় বন্ধ করা যায় না, পাহাড় থেকে নেমে আসা পানির ঢল আটকানো যায় না। ঠিক সে রকম একটা নদীকে বন্ধ করা যায় না, গতিপথ ঘুরিয়ে দেওয়া যায় না। নির্বোধ মানুষ যে চেষ্টা করে না তা নয়, পৃথিবীর অনেক জায়গাতেই করা হয়েছে; কিন্তু সেটা মানুষের ওপর অভিশাপ হয়ে নেমে এসেছে। ভবদহের কথা আমরা ভুলিনি, ফারাক্কা আমাদের চোখের সামনেই আছে। কাজেই গওহর রিজভী কিংবা মহিউদ্দিন আহমেদের মতো বিশেষজ্ঞরা যতই বলুন ‘যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এই বাঁধ তৈরি করে’ বাংলাদেশকে সুজলা-সুফলা, শস্য-শ্যামলা করে ফেলতে হবে আমি সেই কথা বিশ্বাস করি না। আমাদের দেশে কাপ্তাই বাঁধ দিয়ে বিশাল এলাকা পানিতে ডুবিয়ে দেওয়া হয়েছিল, অসংখ্য অসহায় আদিবাসী মানুষকে রাতারাতি গৃহহারা করা হয়েছিল। এখন সেই চেষ্টা করা হলে বাংলাদেশের মানুষ কোনো দিন সেটা হতে দিত না, কোনো সরকারের সেই দুঃসাহস দেখানোর সাহস হতো না।
কাজেই বিশেষজ্ঞরা যতই বলতে থাকুন টিপাইমুখ বাঁধ বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত শুভ উদ্যোগ, আমি সেটা বিশ্বাস করি না। যারা প্রকৃতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে, আসলে তারা পৃথিবীর ভালো চায় না। তারা বাংলাদেশের মানুষ হোক, ভারত বা চীন যে দেশেরই হোক, তাদের ধিক্কার দিতে হবে। তারা হচ্ছে পৃথিবীর দুর্বৃত্ত।
গওহর রিজভী এবং মহিউদ্দিন আহমেদ দুজনই টিপাইমুখ বাঁধের সুফল নিয়ে ভালো ভালো কথা বলেছেন, তার বেশির ভাগ নিয়ে বিশেষজ্ঞরা তর্ক-বিতর্ক করতে থাকুন। আমি শুধু একটা বিষয় নিয়ে কথা বলতে চাই, সেটা হচ্ছে বন্যা। তাঁরা দুজনেই দাবি করেছেন এই বাঁধ দিয়ে বন্যার প্রকোপ কমানো যাবে। আমি সিলেটে থাকি, আমার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সুরমা নদীর দূরত্ব এক কিলোমিটারও নয়। আমি এখানে ১৭ বছর ধরে আছি, শুধু একবার (২০০৪ সালে) সুরমা নদীর পানি উপচে এসেছিল, আমি তো আর কখনো সুরমা নদীর পানিকে তীর ভেঙে আসতে দেখিনি! হাওর অঞ্চল তো প্রতিবছর পানিতে ডুবে যায়, ডুবে যাওয়ারই কথা, সেটাই হচ্ছে এর প্রাকৃতিক বৈচিত্র্য। সেটা তো বন্যা নয়। তাহলে তাঁরা কোন বন্যাকে ঠেকানোর কথা বলছেন? যে বন্যার অস্তিত্ব নেই, সেই বন্যার প্রকোপ থামানোর কথা বললে আমরা যদি বিশেষজ্ঞদের দিকে ভুরু কুঁচকে তাকাই কেউ আমাকে দোষ দিতে পারবে? এই বন্যা নিয়ে তাঁদের বিশেষজ্ঞ মতামত আমার কাছে অর্থহীন মনে হয়—ঠিক সে রকম তাঁদের অন্যান্য বিশেষজ্ঞ মতামতও যে অর্থহীন নয়, সেই গ্যারান্টি আমাকে কে দেবে?
মহিউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, ‘ভারত এই বাঁধ তৈরি করবেই’, তিনি তার বিরোধিতা করতেও রাজি নন। কোনো রকম চেষ্টা না করে পরাজয় স্বীকার করার মধ্যে কোনো গৌরব নেই। টিপাইমুখ বাঁধ বন্ধ করার চেষ্টাকে এ মুহূর্তে তাঁর কাছে এবং সম্ভবত আরও অনেকের কাছে খুব কঠিন কাজ মনে হচ্ছে। সারা দেশে টিপাইমুখের বিরুদ্ধে একটা আন্দোলন গড়ে তোলা এই মানুষগুলোর কাছে একটা অযৌক্তিক এবং অসম্ভব কাজ বলে মনে হচ্ছে। কাজেই তাঁরা এর জন্য চেষ্টা করতেও রাজি নন।
তাঁদের সবাইকে মনে করিয়ে দেওয়া যায় ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সেনাবাহিনী যখন এই দেশে গণহত্যা শুরু করেছিল তখন কোনো মানুষ যদি যুক্তিতর্ক দিয়ে বিবেচনা করত তাহলে তারা নিশ্চিতভাবেই ধরে নিত বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন করা একটা পুরোপুরি অবাস্তব বিষয়। মার্চ মাসে শুরু করে মে মাসের মাঝামাঝি পুরো দেশটা পাকিস্তান সেনাবাহিনী দখল করে নিয়েছিল। এখন যাদের যুদ্ধাপরাধী হিসেবে বিচার করা হচ্ছে তারা সেই পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পদলেহী অনুচর। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের মতো দেশ পাকিস্তানের পক্ষে, পৃথিবীর মুসলমান দেশগুলোও পাকিস্তানের পক্ষে, এক কোটি মানুষ দেশছাড়া, যারা দেশে আছে তাদের বাড়িঘর পুড়িয়ে, খুন করে সারা দেশে হাহাকার। দেশের কিছু কম বয়সী ছেলেমেয়ে মুক্তিযুদ্ধ করতে গিয়েছে, তাদের হাতে অস্ত্র নেই, যুদ্ধের অভিজ্ঞতা নেই, পেশাদার বাহিনী বিশৃঙ্খল, যাঁরা নেতৃত্ব দেবেন তাঁদের মধ্যেও কোন্দল—এ রকম একটা পরিবেশ দিয়ে শুরু করে আমরা স্বাধীন একটা দেশ ছিনিয়ে আনতে পারব সেটা কি কেউ কল্পনা করেছিল? করেনি। কিন্তু তার পরও এই দেশের মানুষ দেশপ্রেমের যুক্তিহীন আবেগকে মূলধন করে এই দেশকে স্বাধীন করে ছেড়েছিল।
কাজেই যাঁরা এই দেশের হর্তাকর্তা-বিধাতা তাঁরা এই দেশের মানুষের ‘যুক্তিহীন’ আবেগকে খাটো করে দেখবেন না। প্রকৃতিকে নিয়ন্ত্রণ করতে হয় না, তার সঙ্গে সহাবস্থান করতে হয়। টিপাইমুখের বেলায়ও হুবহু একই কথা বলা যায়—দেশের মানুষের আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করার বৃথা চেষ্টা করবেন না, তাদের সঙ্গে সহাবস্থান করুন।
মুহম্মদ জাফর ইকবাল: লেখক। অধ্যাপক শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।
উৎস- প্রথম আলো

এলোমেলো ভাবনা- এক

আমি কেমন করে বলব যে আমি এমনটি চাই নাই। সত্যি করে বলছি…………
আমি জানি কেউ সেটা বিশ্বাস করবে না। কিছুদিন ধরে নিজেকে সবকিছু থেকে গুটিয়ে নিচ্ছি । কিন্তু কিছু দিনের মধ্যে যেন সব পাকিয়ে যাচ্ছে । আমার কি দোষ ।?? এই্ ধরনের প্রশ্ন করা ঠিক না। আমরা যা করি তাই ফল আমরা পাই। তাই বলতে হচ্ছে আমি এমন কর্ম করেছি যার ফল পাচ্ছি। এটা স্বাভাবিক। কিন্তু মাঝে মাঝে বোধগর্ম হয় না। আসলে কি করছি? সত্যি কি এটা করা দরকার ছিল খুব।
বারান্দায় কিছুক্ষন একা একা দাড়িয়ে যখন ভাবছিলাম তখণ মনে হচ্ছিল ……….
মাঝে মাঝে মন খারাপ হয়ে যায় এখন হয়ত তাই হয়েছে। একটু পর সব ঠিক হয়ে যাবে। এটা স্বাভাবিক। মন খারাপ হয়েছে এটা ভেবে আমাদের আবার মন খারাপ হয়ে যায়। এর জন্য ডবল মন খারাপ হয়। এটা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। মাঝে মাঝে বিবেকের তারনায় ভুগি………….আসলে কি আমাদের বিবেকটা সঠিকভাবে কাজ করে। মাঝে মাঝে অর্থহীন মনে হয়। খুব এলোমেলো কথা বলছি আজ তাই না। মাঝে মাঝে এলোমেলো কথা বলতে মন্দ লাগে না। সব সময় যে গুছিয়ে লিখতে হবে এমন কি কোন কথা আছে। আজ একটা কারনে আমি খুব খুশি। আমার প্রিয় ব্যাক্তির র্টি-শাট কিনেছি। আজিজ সুপার মার্কেটে গিয়েছিল এক বন্ধু কিছু কেনাকাটা করবে। আমি সাথে গেলাম। আমার কিনার ইচ্ছা ছিল না। কিন্তু জবস এর ছবি যুক্তি টি-শাটটি দেখে আর লোভ সামলাতে পারলাম না।আমার প্রিয় ব্যাক্তি বলে কথা। বন্থুর কাছে থেকে ধার করে কিনে ফেললাম………


Continue reading

তৃষ্ণা গাঙ্গুলী ম্যাডাম আমাদের ক্ষমা কর……….

যখন লিখতে বসলাম শিরোনাম কি দিব ভাবতে পারছিলাম না। শিরোনাম না দিয়ে আগে লেখা শুরু করলাম। লেখাটা শেষ হলে পরে শিরোনাম নিয়ে ভাবা যাবে। কিভাবে শুরু করব? বুঝতে পারছি না। ইদানিং এমন হচ্ছে। কিভাবে কোথা থেকে শুরু করব কিছুই মনে করতে পারছি না। তাহলে শুরু করি তাই না।
ঘটনাটা আজ থেকে প্রায় এক বছর আগে। আমার আপু বেবি হবে সিজারে। যাথারীতি সিজার হল। আমার ফুটফুটে একটা ভাগনী হল। সেই সময় আমি বাসায় বসেই ছিলাম। তখন বসে বসে এই লিখাটা লিখলাম….

পৃখীবির সবচেয়ে সুন্দরমত দৃশ্য……আমার মতে..ত্ত..{আপুর বেবি সম্পকে কিছু কথা}

আমার সে ভাগনীটা হল ও নাম রাখা হল নাবিহা…….
নাবিহার ছবি না দেখতে কি হয় এখন ও অনেক দুষ্ট হয়েছে……….একটু একটু হাটতে পারে….. বাবা ডাকতে পারে…………আর খুব সুন্দর করে হাসি দিতে পারে…..ছোট ছোট ইদুরের মত কয়েকটা দাঁত ও হয়েছে ত্তর………………..

ও বাসায় আসলে আমার কম্পুতে বসে কাকের ছবি দেখবে আর আমার মাউস দিয়ে খেলা

Continue reading

খবরটা পড়ে অনেক ভাল লাগল………

অনেকদিন ব্লগে  লিখা হয় না। বাসায় নেটের লাইন না থাকায় ব্লগে নিয়মিত আসা । মাঝে মোবাইলে নেট ব্যবহার করি……..  ব্লগার বন্ধদের অণেক মিস করি।  আজ আন্টির বাসায় আসলাম । সময় পেয়েগেলাম।  কাজিনের পিসিতে ব্রাউজ শুরু করলাম । একটু নিউজ পড়ে আমার খুব ভাল লাগল। সত্যি এবার ত্ত প্রমানিত হল বাংলা ভাষা Continue reading

আমি পাকিস্থান সর্পোট করি বলে কি আমি রাজাকারের সাপোটার???

আমি একটা ব্যাপার লক্ষ্য করলাম যে কাউকে যদি বলি আমি পাকিস্থান সার্পোট অনেকে একটু অন্যভাবে তাকায়।  বলে রাজাকারের দল করে।  আমি একটা বিষয় বুঝি না খেলাম মধ্যে কেন মানুষ যুদ্ধ ঢুকিয়ে দেয় রাজনীতি ঢুকিয়ে দেয়।আমার ব্যাক্তিগত জীবনে স্যার জাফর ইকবাল আমার অনেক প্রিয় একজন ব্যাক্তি। কিন্তু জাফর স্যার তার কোন একটি বইয়ে বইটির নাম আমার ঠিক মনে পড়ছে না। মনে হয় কোন কলামে লিখেছে যে, খেলায় পাকিস্থান যারা সর্পোট করেন তারা কি একটু ভেবে দেখেছেন ৭১ এ এরা কি করছে। আমি নিজে ঘৃনা করি পাকিস্থানিদের সেই পশুর মত হত্যাকান্ডকে । কিন্তু খেলাম মধ্যে কেন এই জিনিস ঢুকায় আমি বুঝি না। একটা দলে খেলা আমার

Continue reading

আনন্দ যেমন কঠোর আমাদের ক্ষোপ গুলোও অনেক কঠোর হয়….

 

আনন্দ যেমন কঠোর আমাদের ক্ষোপ গুলোও অনেক কঠোর হয়….

 

সন্ধ্যার সময় ঝড়ে আমার বাসার ডিশ লাইন নষ্ট হয়ে যায় । ডিশওয়ালাকে ফোন দিলাম ওনি ফোন ধরে না। মেজাজটা খারাপ হয়ে গেল। এমন খেলা না দেখলে কি হয়। রেডিও ওপেন করে শুনা শুরু করলাম। শুনতে ভালই লাগছিল নিজের মত করে খেলাম মাঠ শর্ট গুলো চিন্তা করছিলাম ধারাভাষের কথা শুনে। আমি যখন এই লিখা লিখছি তখন চারপাশে মানুষের আনন্দে চিৎকার শুনতে পাচ্ছি । রাস্তা অনেক মানুষ নেমে পড়েছে কেউ বাশি বাজাছে কেউ  আতশ বাতি পটকা ফোটাচ্ছে । আমি , বাবা,  আম্মা ছাদে গিয়ে দেখতেলাগলাম। আর বাসা মিরপুর টেডিয়ামের কাছাকাছি হত্তয়ার আরত্ত উত্তেজিত  মনে হল সবাইকে। আমার ও ইচ্ছা করছিল সবার সাথে মিছিলে যাই । কিছু ফেন্ড আমাকে ফোন দিল আমি যেন রাস্তা নামি । কিন্তু গেলাম না। থাক না সবাই রাস্তা আনন্দ প্রকাশ করে আর আমি করি ব্লগে । ইদানিং কি একটু ভাচুয়াল হয়ে যাচ্ছি…………….?

সবাই মিছিল দিয়ে মিরপুর ২ নং এই যাবে । আনন্দ প্রকাশ করবে। কিন্তু যেদিন বাংলাদেশ হারল এদিন সবাই কি করল ষ্টেডিয়ামের পাশে সৌন্দর্য বাড়ানো জন্য যত পোষ্টার  সব ভেঙ্গে ফেলেছে আগুন লাগিয়ে দিয়েছিল। খেলোয়ারদের গাড়িতে ঢিল মেরেছে। কিন্তু কেন ?? হেরেছি তাই………. তাহলে কি আমরা  বিজয়ী জাতি? আসলে সত্যি আমার দুনীতিতে চ্যাম্পিয়ন হই। তাই না……………….আমাদের আনন্দ যেমন কঠোর আমাদের ক্ষোপ গুলোও অনেক কঠোর হয়।

এখনো মানুষের আনন্দের চিৎকারের শব্দগুলো শুনতে পাচ্ছি।আমারা কত সহজ সরল একটা জাতি তাই না। একটু বিজয় আমাদের মনে সকল দু:খ ভুলে আমার আনন্দে মেতে উঠি। আমি ভাবিছি যদি বাংলাদেম বিশ্বকাপ  জয় করে তাহলে কি হবে?? সবাই তখন কি করব এখন এই আনন্দ তখন …………….

কেন যেন আমার মনে হচ্ছে বাংলাদেশ এবার সেমিফাইনাল খেলবে। এবং সেমিফাইনালে হেরে যাবে। ??

 

 

 

আজ খেলা দেখার আগে আমি মনে  মনে ঠিক করি যে আজ পুরো খেলা দেখব । কেন যেন যেন আজ আমার মনে হচ্ছিল বাংলাদেশে হারবে যদিত্ত ফেইসবুকে আমি বলেছি বাংলাদেশ জিতবে। তবে বিভিন্ন হিসাব নিকাশ করে দেখলে বাংলাদেশের অবস্থাটার অনেক নিচে ছিল ইংলিশদের কাছে। কিন্তু টাইগার বলে কথা।  আমি নিজে সত্যি অনেক অবাক হয়ে গেলাম…………………………..সত্যি কি আমরা জিতেছি। গায়ে চিমটি কেটে দেখলাম।

 

►ভ্যালেন্টাইন ডে একটি পৌত্তলিক প্রথা – ইসলামে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ◄

একটা আটির্কেল পড়লাম। পড়ে ভাল লাগল। তাই শেয়ার করলাম।

ইসলাম একটি পুর্নাঙ্গ জীবন বিধান। সুতরাং এখানে যেমন কোন নব্যপ্রথার স্থান নেই তেমনি নব্যপ্রথা উদ্ভাবনের কোন সুযোগ নেই। কেননা আল্লাহ তার দ্বীন কে পুর্নাঙ্গতা দান করেছেন।

► আজ তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীন পূর্ণাঙ্গ করলাম ও তোমাদের প্রতি আমার অনুগ্রহ সম্পূর্ন করলাম এবং ইসলামকে তোমাদের দ্বীন রূপে মনোনীত করলাম ( সূরা মায়েদা-৩)

ইসলাম এমন এক নিঁখুত জীবন ব্যবস্থা যা মানুষের জাগতিক ও পরলৌকিক সাফল্য নিশ্চিত করে। ইসলাম মানুষের পরলৌকিক সাফল্য …নিশ্চিত করে জাগতিক প্রয়োজনকে উপেক্ষা না করেই।

► আল্লাহ তোমাকে যা দিয়েছেন তা দ্বারা আখিরাতের আবাস অনুসন্ধান কর এবং দুনিয়া হতে তোমার অংশ ভুলিও না..(সূরা কাসাস-৭৭)

ইসলাম এমন এক জীবন ব্যবস্থা যা মানুষের কোন প্রয়োজনকে যেমন উপেক্ষা করে না , তেমনি কোন প্রয়োজনকে শরীয়া বিধানের সীমারেখা অতিক্রম করারও অনুমতি দেয় না। ইসলাম যেমন সন্ন্যাস-ব্রত সমর্থন করে না তেমনি নিখাদ বস্তুবাদও সমর্থন করে না।

► এভাবে আমি তোমাদেরকে এক মধ্যপন্থী জাতিরূপে প্রতিষ্ঠিত করেছি যাতে তোমরা মানব জাতির জন্য সাক্ষীস্বরূপ এবং রাসুল তোমাদের জন্য সাক্ষীস্বরূপ হবে ..( সূরা বাকারা -১৪৩)

মুসলিমদের মাঝে কুর’আন ও সুন্নাহ থাকা সত্ত্বেও কিভাবে তারে আল্লাহ প্রদত্ত সম্মানিত জীবন (উপরে বর্ণিত আয়াত অনুযায়ী ) ত্যাগ করে গ্লানিকর জীবন বেছে নিয়েছে ? একসময়ে অর্ধ-বিশ্ব শাসনকারী মুসলিম সমাজ আজ কেন সর্বত্র নিষ্পেষিত? সঠিক পথনির্দেশনা পাবার পরও কেন আজ তারা অধঃপতিত এক জাতিতে রূপান্তরিত ? এই প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যাবে, রাসুলের(সা.) হাদিসে।

Continue reading

এবার ..উইকিলিকসে বাংলাদেশের…. তথ্য……..!!

এবার উইকিলিকসে বাংলাদেশে……!

!

যুক্তরাজ্যে মুসলমানদের বৃদ্ধি: ‘ভ্র” কুঞ্চিত যুক্তরাষ্ট্রের’

উইকিলিকসের ফাঁস করে দেওয়া মার্কিন নথিগুলোতে দেখা গেছে, যুক্তরাজ্যে মুসলিম সম্প্রদায়ের সংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়ে ‘সচেতন’ দেশটি।

নথিগুলোতে বলা হয়েছে, যুক্তরাজ্যে সাত বছরে মুসলিমদের সংখ্যা ১৬ লাখ থেকে বেড়ে ২০ লাখে দাঁড়িয়েছে। তাতে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে।

মুসলিমদের সংখ্যা বৃদ্ধির হার এভাবে চলতে থাকলে ২০১১ সালে দেশটিতে মুসলমানদের সংখ্যা ২২ লাখ ছাড়িয়ে যাবে।

 

যুক্তরাজ্যে সার্বিকভাবে মুসলিম জনসংখ্যা বাড়ছে তবে বৃদ্ধির হার কম। দেশটিতে জন্মগ্রহণকারীদের ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধর্মীয় গোষ্ঠীর তালিকায় নিচের দিক থেকে মুসলিমরা দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে।

এরমধ্যে বেশিরভাগেরই জন্ম যুক্তরাজ্যের বাইরে। ৪৬ শতাংশের জন্ম যুক্তরাজ্যে। ৩৯ শতাংশের জন্ম এশিয়ায়। ৯ শতাংশের জন্ম বাংলাদেশে।

৭৪ শতাংশ মুসলিম এশীয় বংশোদ্ভূত। এর মধ্যে বাংলাদেশি ১৬ শতাংশ।

 

 

জঙ্গি অর্থায়ন: ‘বাংলাদেশের তদন্তে ভরসা রাখেনি যুক্তরাষ্ট্র’

ফাঁস হয়ে যাওয়া মার্কিন নথিতে দেখা গেছে, কুয়েতভিত্তিক একটি দাতব্য সংস্থা থেকে জঙ্গিদের অর্থায়নের ব্যাপারে বাংলাদেশের তদন্তের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ভরসা রাখেনি।

‘দ্য রিভাইভাল অফ ইসলামিক হেরিটেজ সোসাইটি (আরআইএইচএস) নামের এই দাতব্য সংস্থাটির বিশেষ করে বাংলাদেশে এর শাখাগুলোর কর্মকাণ্ড সম্পর্কে মার্কিন সরকারের উদ্বেগের কথা প্রকাশ করা হয়েছে।

এতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের প্যাট্রিক ও’ব্রিয়েন অর্থ জালিয়াতি রোধ এবং সন্ত্রাসবাদ বিরোধী তহবিলের (এমএমএল/সিটিএফ) বিষয়ে আলোচনার জন্য কুয়েত সরকারের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

তিনি কুয়েত ভিত্তিক দাতব্য সংস্থা ‘দ্য রিভাইভাল অফ ইসলামিক হেরিটেজ সোসাইটি (আরআইএইচএস) বিশেষ করে বাংলাদেশে এর শাখাগুলোর কর্মকাণ্ড সম্পর্কে মার্কিন সরকারের উদ্বেগের কথা জানান।

ও’ব্রিয়েন আরআইএইচএস-এর শাখাগুলোর বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সরকার ও সংশ্লিষ্ট দেশের সরকারগুলোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলেন।

তিনি আরো জানান, আরআইএইচএস-এর শাখাগুলো যে উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে সে সম্পর্কে আরো তথ্য সংগ্রহ ও তা কুয়েত সরকারের কাছে হস্তান্তর করার জন্য মার্কিন সরকার বিভিন্ন দেশের সরকারের সঙ্গে কাজ করছে।

তবে বাংলাদেশ বলছে, মার্কিন সরকার যে সব অভিযোগ উত্থাপন করেছে তার সঙ্গে তাদের মতের মিল নেই।

 

‘ দুই নেত্রীকেই নির্বাচনে চেয়েছিলো যুক্তরাষ্ট্র’

 

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ‘শেষ সময়ে এসে’ শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়াকে বাংলাদেশের মানুষ নির্বাচনে দেখতে চায় বলে ফাঁস হয়ে যাওয়া মার্কিন নথির এক জায়গায় জানানো হয়েছে।

২০০৮ সালের অক্টোবর-নভেম্বর মাসের ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের নথিতে বলা হয়েছে, “বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষই আওয়ামী লীগের প্রধান শেখ হাসিনা এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নেতা খালেদা জিয়ার ডিসেম্বরের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পক্ষে।”

সে সময়কার সেনা সমর্থিত তত্ত্বাধায়ক সরকার বিদেশি দূতাবাস ও বাংলাদেশের সুশীল সমাজের ইন্ধনে দুই নেত্রীকে রাজনীতি থেকে বাদ দেওয়ার তথাকথিত ‘মাইনাস টু থিওরি’ নিয়ে এগুচ্ছিলো বলে ব্যাপকভাবে বিশ্বাস করা হয়।

২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পরপরই জরুরি অবস্থা জারি করে। বিশ্বাস করা হতো এই সরকারের পেছনে দাতা দেশ ও সুশীল সমাজের মদত রয়েছে।

ওই সময় দুই নেত্রীকে কারাগারে আটক রাখা হয় এবং তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা দেওয়া হয়। দুটি দলের প্রভাবশালী কয়েকজন নেতা দলের নেতৃত্ব থেকে হাসিনা ও খালেদাকে বাদ দেওয়ার ব্যাপারেও মাঠে নামে।

নথিতে দূতাবাসের গবেষণার বরাত দিয়ে বলা হয়, বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষই আশু নির্বাচনের পক্ষে। নির্বাচন বানচাল মানুষ মানবে না বলেও মন্তব্য করা হয়।

সে সময় নির্বাচন নিয়েও সন্দেহ ছিলো জনমনে। শেষ পর্যন্ত ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশ: ‘নজরে ছিলো যুক্তরাষ্ট্রের’

উইকিলিকসের ফাঁস করে দেওয়া মার্কিন নথিতে বাংলাদেশের জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের ওপর দেশটির নজরদারির অভিপ্রায়ের কথা রয়েছে।

এর আগে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে উইকিলিকসের ফাঁস করা মার্কিন গোপন নথির বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, জাতিসংঘের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের ওপর নজরদারির ব্যাপারে মার্কিন সরকারের অভিপ্রায় রয়েছে।

নথিতে বলা হয়েছে, জাতিসংঘে যারা কাজ করতে যাবেন তাদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রদানের বিষয়ে বিশ্ব সংস্থায় মার্কিন দূতাবাসের গবেষণা শাখাকে প্রতিবেদন দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়।

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ ও অন্যান্য দেশের যোগদানের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য যুক্ত করার জন্য বলা হয়েছে।

এর মধ্যে রয়েছে কার্যালয় ও প্রতিষ্ঠানের নাম, বিজনেস কার্ডে উল্লেখ নাম, পদবী ও অন্যান্য তথ্য, টেলিফোন, সেল ফোন, পেজার ও ফ্যাক্সের সংখ্যা, যোগাযোগ সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য, টেলিফোন নম্বরসমূহ (সম্ভব হলে সিডি বা ইলেকট্রনিক ফরম্যাটে), ই-মেইলের তালিকা; ইন্টারনেট ও ইন্ট্রানেট যোগাযোগ, ইন্টারনেট ই-মেইল ঠিকানাসমূহ, ওয়েবসাইট ঠিকানা-ইউআরএল, ক্রেডিট কার্ড একাউন্ট নম্বরসমূহ, ঘনঘন বিমান যাতায়াতের একাউন্ট নম্বর (ফ্রিকোয়েন্ট ফ্লাইয়ার নম্বর), কর্ম তালিকা এবং পরিচয় সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন তথ্য।

সহায়ক-

উৎস-১

উৎস-২

উৎস-৩

উৎস-৪