Category Archives: সিনেমা

মুভি নিয়ে যত ভাবনা……….মুভি নিয়ে পোষ্টের লিংক – নিয়মিত আপডেট হবে (লাস্ট আপডেট-১৮.৭.২০১১)

একটা সময় ছিল যখন প্রচুর বাংলা মুভি দেখতাম। খুব ছোটবেলা   শুক্রবার দুপুর তিনটার জন্য অপেক্ষায় থাকতাম কখন তিনটা বাজবে আর টি.ভিতে ছবি শুরু হবে। টানা এক সপ্তাহ অপেক্ষা করতাম বাংলা ছবির জন্য। তখণ তো কিছুই বুঝতাম না ছবির। এখন মনে হয় অবাক লাগে। আগে বাংলা মুভি দেখার জন্য এক সপ্তাহ অপেক্ষা করতাম আর এখন বাংলা মুভির শব্দটা শুনলেই ঘৃনা কাজ করে।এগুলো মানুষ দেখে। তবে সব মুভি না। আগুনের পরশমনি, মনপুরা, আমার বন্ধু রাশেদে, হাঙ্গর নদীর গ্রেনেট, জয়যাতা, শ্যামল ছায়া, এই ধরনের মুভি ছাড়া শাকিব খান ( হিজলা খান) মার্কা নায়কে মুভির গুলোর নাম শুনলেই মুখ দিয়ে বমি বের হয়ে আসতে চায়। কয়েকটি মুভির নাম এরকম খাইছি তোরে, নিষিদ্ধ মেয়ে, তোর জন্য আমি মাতাল আরত্ত কত অশালীন নাম আমার এই মহুতে সবগুলো মনে পড়ছে না । এই ধরনের মুভিগুলো জন্য আমাদের আজ বাংলা মুভির জন্য সিনেমা টা ছি:নেমা হয়ে গেল। :p

এরপর যখন বড় হতে থাকলাম হিন্দি মুভি দেখা শুরু করি। হিন্দি মুভিগুলো দেখে তো আমি অবাক কত সুন্দর মুভি। কি সুন্দর কাহীনি। নায়িকার কত সুন্দর……:p…….এত ছোট ছোট পোশাক পড়ে । ত্তরা কত গরীব পোশাকটাত্ত ভাল করে পড়তে পারে না :p….মাঝে মাঝে মনে এমন প্রশ্ন উদয় হত।

আমার প্রথম হিন্দি মুভির নামটা মনে পড়ছে না। অনেকক্ষন ভেবে মনে করার চেষ্টা করলাম কিন্তু মনে আসল না। কিন্তু এটা মনে আছে প্রথম যে ছবিটা আমার ভীষণ ভাল লাগে  আর সেই মুভিটা হল “কুচ কুচ হ্যাতা হে”  ।

এই মুভিটা দেখার পর আমি শাহরুখ খানে ভীষন ভক্ত হয়ে যাই । এখনো আছি খানের অভিনয়ের মধ্যে একটা অন্যরকম ফিল পাই। এই নিয়ে অন্যে কোন দিন বলব। আজ যে কারনে এই লেখা সেই কারনে আসি।
এর পর দেখে শুরু করে ইংলিশ মুভি। শুরু মুভি দেখেই পরিতৃপ্ত হতাম না। মুভি কালেশন করার একটা শখ ত্ত জাগে। কিন্তু আমার হার্ডডিস্ক ৮০ জিবি এটা কি হয়। এর জন্য আমি কত ভাল ভাল মুভি যে ডিলিট করেছি। এটা মনে হলে এখনো কষ্ট লাগে। এর পর ৫০০ জিবি একটা হার্ডডিস্ক কিনে ফেলাম। যাক এবার আর মুভি ডিলিট করতে হবে না…..:p

মুভি বিষয় অনেক পোস্ট স্যামু সহ বিভিন্ন ব্লগে পড়ি। অনেক ভাল ভাল মুভির সন্ধান পাই সেই সব পোস্ট পড়ে। তাই আমার এই পোস্টটি কারার উদেশ্য হল মুভি বিষয়ক সেই সকল পোষ্ট গুলোকে একসাথে করা। লিংকগুলো এখানে যুক্ত করে দিব এবং এটা আপডেট হবে প্রতিনিয়ত।এখানে আর প্রিয়ে মুভি বিষয় পোষ্টগুলোই আপডেট করা হবে।

১. The First Grader:যে ছবিটি আমাদের সবারই দেখা উচিত - ইমন জুবায়ের

২. একটি নন হলিওডি পোস্টঃ একটি আর্জেন্টাইন, একটি ইরানী এবং একটি ফ্রেঞ্চ মুভি রিভিও -নিয়নের আলো

৩. হ্যারি পটার : দেখে নেই চরিত্র অভিনেতাদের ( ছবি ব্লগ ) - জুবায়ের হোসাইন

৪. ” বলিউডের তিন খানের (শাহরুখ, আমির, সালমান) শৈশবের কিছু ছবি “ - নাফিজ মুনতাসির

৫.নতুন ২ টি আ্যনিমেশন মুভিঃ Rango এবং Paul- বিডি আইডল 

৬. আমার বুকমার্ককৃত মুভি ডাউনলোড করার সাইটগুলো শেয়ার করলাম :)B-) - পুশকিন

৭.[সর্বশেষ দেখিত চলচ্চিত্র] Devil (২০১০) -রাইসুল জুহালা

৮.[সর্বশেষ দেখিত চলচ্চিত্র] Platoon (১৯৮৬) - রাইসুল জুহালা

.Ainoa- অস্ট্রিয়ান সাইন্স ফিকশন মুভি (আপডেট-টরেন্ট লিংক) - রিফাত হোসেন

১০. মুভিপ্রেমীদের জন্যঃযেকোন মুভিতে সাবটাইটেল যুক্ত করুন খুব সহজে -মুকুট

১১. সব সময়ের সেরা ১০০ মুভি - চিরনীল

১২.কয়েকটি চমক মুভির রিভিউ (ডাউনলোড লিঙ্ক সহ) (পর্ব – ২) -নিশাচর ছেলে

১৩. ” আমার দেখা স্টিফেন কিং এর বই থেকে নির্মিত ১০টি সেরা মুভি/টিভি সিরিয়াল “ - নাফিজ মুনতাসির

১৪.আরেকটা একইরকম দিন: কিছু ব্যাতিত্রুমী মুভির কালেকশন -বিডি আইডল

১৫. সাইফ সামির নির্বাচিত ২০০৯ সালের সেরা ১০টি মুভি+১৫টি রানার্স-আপ মুভি এবং সবচেয়ে হতাশাজনক মুভির তালিকা - সাইফ সামির

১৬. থ্রিডি (3D) সিনেমা দেখুন ঘরে বসে - স্বপ্নকর

১৭. এ্যাকশন মুভিB:-)বিষয়:সেরা দশ(মিডিয়াফায়ার লিংকসহ)B-)। এগুলি না দেখলেন তো আর কি দেখলেন /:) -আদনান_ফিরদাউস

১৮. অন্য রকম মজার তিনটি মুভি ………… ( পর্ব – ২) ( ডাউনলোড লিঙ্ক সহ ) - নিশাচর ছেলে

১৯. ডাউনলোড করুন লেটেস্ট সব মুভি ১৫০-২৫০ মেগাবাইটে, রেজিউমে সাপোর্ট সহ!! - পাপী

২০. টিউটোরিয়াল : কিভাবে আপনার প্রথম চলচ্চিত্রটি বানাবেন ? – ০৪ - লেখাজোকা শামীম

২১.আপনার দেখা সেরা একটি মুভির নাম দিন (ব্লগীয় জরিপ) - বিডি আইডল

২২.তিন গোয়েন্দা (কিশোর, মুসা, রবিন) মনে আছে তো? এইবার মুভি দেখেন:) - বিডি আইডল

২৩. ১০ বিষয়ে সেরা ১০ ছবির তালিকা: মুভি প্রেমিকদের জন্য অবশ্য পাঠ্য - শওকত হোসেন মাসুম

পোষ্টটি নিয়মিত আপডেট হবে। আপনার এরকম মুভি বিষয়ক পোষ্ট থাকলে

ঘরে লিংকটি দিতে পারের। আমি আপডেট করে দিব।

শাহরুখের অন্ধভক্ত বলছি………..!!!

আমি এই লেখাটা কোথা থেকে শুরু করব ঠিক বুঝতে পারছি না। কোন কথাটা আগে লিখব কোনটা পড়ে লিখব। এলোমেলো একটা লেখা হবে এটা আমি জানি । তবুত্ত লেখা শুরু করলাম। “শাহরুখ খান…. আমার

অনেক প্রিয় একজন অভিনেতা। শাহরুখের “আনজান” থেকে শুরু করে “মাই নেম ইজ খান” সব ছবি আমার দেখা।ভাল লাগে শাহরুখের অভিনয়। একজন অন্ধভক্তই যাকে বলা চলে। কুচ কুছ হোতাহে মুভিটা আমি এতবার দেখেছি তা মনে নেই। কম করে হলেত্ত ৪০ + হবে। আনজান মুভিটা ত্ত অনেক ভাল লেগেছে। যেখানে তিনি ভিলেন এই ভূমিকায় অভিনয় করে।চমৎকার অভিনয় করছে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না সবাই তা জানে।“ আমার উপরের কথা গুলো শুনে আপনাদের নিশ্চয় মনে পড়চে বৈশাখী টিভি কথা। এই চ্যানেলটা এমন একটা ফালতু অনুষ্ঠান করবে তা আমি আগেই ভেবে ছিলাম। কথা আছে না যত গজে ততো বর্ষে না। হ্যা এটা মানি শাহরুখ একজন ভাল অভিনেতা।ব্যাক্তিগত জীবনের উনার সকল খবর কি আমরা জানি। টিভি যা দেখায় আমার এতটুকুই জানি। বৈশাখী টিভি বিশেষ্য অতীতিরা কাল সেভাবে কথা বলল মনে হতেছিল আকাশ থেকে ফেরেশতা নেমে আসছে। যা কি না একটা হাস্যকর । আমি নিজে শাহরুখের অন্ধভক্ত। শহরুখের প্রথম থেকে সব ছবি আমার আমার কালেকশনে আছে। আমি মাঝে মাঝে মুভি গুলো দেখি।ভাল লাগে। দেখতে। তাই ভলে শাহরুখ যা করবে তাই ভাল তা হতে পারে না। কোন মানুষ ভুলের উদ্ধে নয় শুধু মাএ আমার মহানবী ছাড়া। কিন্তু বৈশাখী টিভি এই সব কি করেছে। দেখে আমার যে পরিমান হাসি পেয়েছে তা আর বলে শেষ করতে পারব না। কনসাট শুরু হয়েছে ৭টায় আর দুপুর ৩টা থেকে শুরু হয়েছে বৈশাখী টিভিতে ছাগলের মত করে ম্যাত্ত ম্যাত্ত আজব লাগল এই চ্যানেলের টক শু দেখে। বৈশাখী টিভিতে এই সপ্তাহ যেভাবে প্রচারন চালানো হয়েছে মনে করছিলাম কি না কি হবে। যাথারীতি আমার প্রিয় নায়কের লাইভ অনুষ্ঠান না দেখলে কি হয়। তিন হাজার টাকা দিয়ে যাত্তয়া সম্ভব না। তাই টিভিতেই দেখবে। তিনটার দিকে টি.ভি চালু করলাম। দেখি ব্রেকিং নিউজ আমি তো ভয় পেয়ে গেলাম আগে আবার কি হল। কোন দুঘটনা হয়েছে নাকি। ব্রিকিং নিউজ দেখে তো আমি রীতিমত অবাক। ব্রেকিং নিউজ ১. “শাহরুখ এখন বাংলার মাটিতে।“ ২.”শাহরুখ এখন আর্মি স্টিডিয়ামের পথে । কিছুক্ষনের মধ্যে কনসাট শুরু হবে। হায়রে বাংলাদেশের বৈশাখী টিভি।এগুলো কি কোন ব্রেকিং নিউজ হতে পারে। এগুলো তো আরত্ত হাস্যকর করে তুলেছে অনুষ্ঠানটিতে। যেন ভিন্ন গ্রহ থেকে কোন এলিয়ন আসছে। এমন অবস্থা । আমি তো অনুষ্ঠানটি দেখে রীতিমত হেসে কুটকুট হয়েছে। আর যে বিশেষ টক-শো এর আয়োজন করছে তা তো রীতিমত এই বাংলার ইতিহাসে সেরা টক-শো  !!!!টক-শো জন্য যদি নোবেল প্রাইজের ব্যাবস্থা থাকব তাহলে মনে হয় এই বৈশাখী টিভিই পেত !!!!!!!!! কিছুক্ষন কেমেডি টক-শো দেখে উঠে চলে গেলাম। আম্মুকে বললাম অনুষ্ঠান শুরু হলে যেন আমাকে ডাক দেয়। অপেক্ষা………….. অপেক্ষা……. বিকাল তিনটার অনুষ্ঠান শুরু হল রাত ৭টায়। আজব !!!!!!!! আগে বাবার তোর তো জানতি অনুষ্ঠান শুরু হবে ৭টায় তো সবাই কে কেন বললি তিনটা থেকে অনুষ্ঠান শুরু হবে। ফাজলামোর একটা সীমা থাকে !!! ২৫০০০ টাকা নেত্তয়ার সময় তো ঠিকই নিবা।…… শাহরুখ বলতে আমি পাগল এটা আমার বাসায় সবাই জানে। মাঝে মাঝে আমি যখন শাহরুখের মুভি গুলো পুনরায় দেখি তখন ভাইয়া বলে এই এক মুভি কতবার দেখতে ভাল লাগে।বিশেষ করে যখন কুচ কুছ হোতা হে মুভি টা দেখি তখন। ভাইয়ার মনে হয় এই মুভিটা পছন্দের না। অনুষ্ঠান যখন দেখা শুরু করলাম প্রথশে স্টেজ দেখে তো আমার মেজাজ পুরা খারাপ হয়ে গেল । আরে এটা কি কোন স্টেজ হতে পারে এত ফালতু একটা স্টেজ । আর লাইটিং এর কথা কি বলব। যারা অনুষ্ঠানটি দেখেছেন তারা ঠিকই বুঝতেপারবেণ। কি বাজে ছিল লাইটিং সিস্টেমটা। আর ক্যামেরা ধরা গুলো আমার কাছে খুব ভাল লাগেনি। যদি একই অনুষ্ঠান চ্যালেন আই কিংবা এনটিভি করত আমার মনে হয় আরত্ত সুন্দর হত। আর কিছু না হউক ক্যামেরা পজিশন গুলো এমন ফালতু মনে হত না। এবার আসি অনুষ্ঠান নিয়ে কিছু কথা। শাহরুখের উপষ্তাপনা অনেক সুন্দর হয়েছে তা আর বলালা অপেক্ষা রাখে না।কিন্তু সব কিছু সুন্দর হয়নি। শহরুখের কিছু কথা আমার ভাল লাগে নি।আর ত্তদের উচিত ছিল ড্রেস আপটা একটা ঠিক রাখা । কারন এটা বলিউডের কোন অনুষ্ঠান না। এটা বাংলাদেশে হচ্ছে। ড্রেস গুলো একটু বড় বড় পড়লে কি হত??? কিছু কিছু গানে ড্রেস আপ এমন ছিল যে ফ্যামিলিল অন্য সদস্যদের নিয়ে দেখাই যায় না। সবাই তো টিভির সামনে বাব-মা ভাইয়া।ভাইয়া কোন সমস্যাটা সমস্যা হল বাবা।বাবার তো বলা শুরু করল এই চ্যালেন পরিবর্তন কর। এর জন্য মানুষ ২৫০০০ টাকা দিয়ে গেছে !!! নানা ব্লগে দেখেছি এই নিয়ে নানা লেখা লিখেছে। অনেকতো শহরুখ শালা বলাতে অনেক অভিমান করছে। বলছে আমার টাকা দিয়ে অনুষ্ঠান দেখব আবার গালিত্ত শুনব। আরে আপনাদের কে বলছি।– “আপনারা কি ফান বুঝেন?? ” অনেকে তো এই কনসাটের বিপক্ষে নানা কথা বলছে।“যে দেশে মানুষ খাত্তয়া পায় না এই দেখে মানুষের এই সব করা উচিত না আমাদের দেশে সংস্কৃতি ধ্বংস হয়ে গেল। বিজয়ের মাসে এই সব কি হচ্ছে।আমাদের দেশের শিল্পীরা দেখানে ভাত পায় না এখনে এই ধরনের অনুষ্ঠান করা । এতটাকা নষ্ট করা উচিত না। ” কি হবে আমাদের এই চিৎকার করে ? আমরা কি কিছু করতে পারব। আর যারা বলছে দেশের অর্থ পাচার হচ্ছে এই অনুষ্ঠানের মধ্যমে তারা সবচেয়ে বড় দুনীতি বাজ নিজেরা কোটি কোটি টাকা দুনীতি করে নিজের পকেটে ঢুকায় তো টাকা পাচার হয় না। টাকাটা দেশে থাকে। তাই না?? আজব লাগে। শাহরুখরা আমাদের দেশে এসেছে। একদিন থেকে চলে যাবে।ত্তরা যেন আমাদের এই দেশ সম্পকে খারাপ ধারনা নিয়ে না যায়। এটাই আমার কাম্য।দেশের সম্মান যেন রক্ষা পায়।

i hate luv story এবং অন্যান্য

আমি মুভি খুব দেখি। দেখতে ভাল লাগে। বাংলা ছবি খুব একটা দেখি না। ইংশিল আর হিন্দি মুভি বেশি দেখি।

কিছু দিন আগে আমি I hate luv story মুভি টা দেখলাম।

মুভিটা দেখে আমি চরম হতাশ হলাম। যেমনটা ভেবেছিলাম আসলে মুভি না কেমন হল না। গানগুলো যদিত্ত আমার ভাল লেখেছে। মুভি কাহীনিটা আমার কাছে পুরোই ফালতু মনে হয়েছে। আমি যে কোন ছবি দেখার পর কিছু সময় ভাবি এই মুভি থেকে আসলে কি আমি কিছু শিখতে পারলাম। প্রতিটি ছবি মত করে এই মুভিটা দেখা শেষ করে ভাবতে থাকলাম । আদৌ আমি কি কিছু শিখতে পেরছি? কিন্তু আমি দেখেছি কিছু কিছু মেযের কাছে এই মুভি টা অনেক ভাল লেগেছে। আমার কাজিন তো বলল “এই মুভি টা নাকি তার জীবনে দেখা সবচেয়ে ভাল মুভির মধ্যে একটা” এখন প্রশ্ন হল কি ধরনের মুভি সে দেখে। সারাদিন হিন্দি সিরিয়াল নিয়ে পড়ে থাকতে দেখি তাকে। যতদিন আমার কাজিনের বাসায় গেছি ততোদিন দেখছি সনি, ষ্টার প্লাস এই বিরক্তর সিরিয়াল দেখছে।

এই ধরনে মুভি গুলো আমাদের সমাজে প্রভাব ফেলে। বিশেষ করে পরকীয়ার মত ব্যাপার গুলো । এই ছবিতে ত্ত একধরনের পরকীয়ার চিএ তুলে ধরেছেন। কেমন করে পরকীয় করতে হয় তা যেন শিক্ষা দিচ্ছে এই ধরনের মুভিগুলো । আমরা মুভি দেখি ঠিক আছে। কিন্তু আমাদের সমাজের টিনএজের ছেলেমেয়েরা এই ধরনের মুভিগুলো দেখে এই চরিএ গুলোর মত হতে চায়। সে এমন করেছে, তার চুলে টাইল এমন, সে এমন করে কথা বলে , ত্ত দুটা প্রেম করেছে, সে রোমান্টিক, এই নায়ক মেয়েদের কে এমন করে পটায় ….!!!! ইত্যাদি …………

আমি বলতে শুনিছি অনেকে বলে “বাসনে এ হাছিনা” মুভি রানবীন তিনটা প্রেম করছে আমি করলে কি ক্ষতি। আমিত্ত এমন করব ।!!!{ আরে গাধা লাইফ আর মুভি কি এক জিনিস। } বিশেষ করে যার টিনএজ আমাদের মত তরুন এই ধরনের বিশেষ শ্রেনীর ছেলেদের মুখে এই ধরনের কথা শুনা যায়।কিন্তু কেন???

খারাপ জিনিস গুলো প্রতি আমার মনে হয় বেশি আকস্তি হই। নিষিদ্ধ জিনিসের প্রতি সবাই আগ্রহ বেশি।এটাই বাস্তব।

একটা ঘটনা মনে পড়ল। ঘটনাটা তিন –চার বছর আগের।

“আমাদের ক্লাসের একটা মেয়ে একটা ছেলে খুব পছন্দ করত।ছেলেটার সাথে মেয়েটার বেশ কিছুদিন রিলেশন ছিল। পরে মেয়েটা জানতে পারে ছেলেটার আর একটা মেয়ের সাথে রিলেশন আছে। তার সাথে ছেলেটা ফান করেছে বন্ধুদের সাথে মজা করে। শুনে মেয়েটা কান্নাকাটি করে আবস্থা খারাপ। শেষ পযন্ত মেয়েটা ডিসিশন নিল মারা যাবে। আত্নহত্যা করবে।

আমি ঘটনাটা জানতে পেরে মেয়েটির কাছে গিয়ে জানতে চাই আত্নহত্যার বুদ্ধিটা তোমায় পেল। উত্তরটা শুনে আমি অবাক।

“ মোহাব্বতিন” ছবিতে শাহরুখকে না পেয়ে বিশ্ব সুন্দরী মিসেস বচ্চন আত্নহত্যা করে । বধূ সেজে।কপালে সিদুর দিয়ে ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়ে। এই দৃশ্যটির মত করে নাকি মেয়েটি আত্নহত্যা করবে। ত্ত মুসলমান বলে কপালে সিদূরের জায়গায় টিপ থাকবে।“

আমি যেন আকাশ থেকে পড়লাম। কেমন করে একজন মানুষ ছবির ঘটনা গুলো নিজের লাইফে ছড়িয়ে ফেলে। হ্যা এটা মানি মুভি কিছু ঘটনা কাকতালীয় ভাবে মিলে যায় তাই বলে এমন করা কি উচিত আমার । ছবি মত করে কি জীবনের সমাধান হয়। যদি আজ ছবিগুলোতে আমাদের মূ্ল্যবোধের এতটুকু হলেত্ত শিক্ষা দিত তবে আমি বলতাম মুভি গুলো বানানো সফল হয়েছে।

আমার সেই ক্লাসমেটকে আমি কিছু না বলে চলে আসি। আমি জানি মেয়েটা অনেক আবেগ প্রবন কিন্তু এটা জানি সে আত্নহত্যা করবে না। কারন যখনই আত্নহত্যা করতে যাবে তখণ অন্য একটা মুভি সাথে নিজের কাহীনিটা মিলাবে এবং এই পথ থেকে সরে আসবে।

এই ধরনের কাজ সাধারনত মেয়েরা বেশি করে । কিন্তু বর্তমানে ছেলেত্তরা পিছিয়ে নেই।

শেষ পযন্ত আমার ক্লসমেট মেয়েটি মারা যায়নি। দিব্যা সুন্দর বেচে। আছে। শুনিছি এখণ নাকি কয়েকটা ছেলের সাথে ঘুরাঘুরি করেতে দেখা যায় পথে -ঘাটে। এটা মনে হয় কোন মুভি এর অংশ…..!!!!!

আমি কখনো এটা বলছি না মুভি দেখা খারাপ। “ ফুলে মধু থাকে আবার বিষ থাকে। ভোমর নেয় বিষ আর মৌমাছি নেয় মধু “ আমাদেরকে তা হতে হবে। ভাল –খারাপ দুটাই আমরা দেখব । কিন্তু খারাপ গুলো ফেলে দিয়ে ভাল বিষয় গুলো নিলেই হয়। কিন্তু আমার কখনো তা করব না। বেছে বেছে খারাপ বিষয় গুলো আমাদের মাথা ঢুকে। একটা মুভিতে কিছু ঘটনা ভাল থাকে আবার কিছু থাকে খারাপ । আমাদের উচিত একটু শিক্ষার দৃষ্টিতে মুভিগুলো দেখা এবং কখনো এগুলোকে নিজের জীবনের সাথে না না জরানো। জীবনে জীবন আর মুভি মুভিই……….।

কিন্তু এখন সমাজের তরুন তরুনী এবং টিনএজদের কে বুঝাবে এটা।সিরিয়ার আর মুভি গুলো এমন করে মাথা ঢুকে তা যেন বের হতেই চায় না।

অনেক উপদেশ মূলক কথা বলে ফেললাম।আর না। আরত্ত কিছু কাহীনি লিখতে ইচ্ছা করছে কিন্তু সময় না থাকায় লিখতে পারছি না। পড়ে সময় করে লিখব আসলে উপদেশ দিতে খুব একটা খারাপ লাগে না। {!!!!!!}

এগুলো আমি মুভিটা দেখার পর ভাবলাম। আমার ভাবনা গুলো আমি তুলে ধরলাম। পুরোপুরি সুন্দর ভাবে তুলে ধরতে পারিনি। যখন ভাবি তখন অনেক সুন্দর করে ভাবি । কিন্তু লিখার সময় যেন এলোমেলো হয়ে যায়।

এই এলোমেলো লেখাগুলো কার কেমন লাগবে জানি না । তবুত্ত কষ্ট করে পড়ার জণ্য ধন্যবাদ।

সিনেমা-টি.ভি দেখা নিয়ে কিছু স্মৃতি চারন- নিজেকে যখন হিরো ভাবতাম….!!পর্ব-১

আমি ছবি দেখতে খুব পছন্দ করি। ছোটবেলা অনেক বাংলা ছবি দেখতাম। তখন নিজেকে নায়ক ভাবতাম। যথণ যে মুভিটা দেখতাম মনে মনে ভাবতাম আমি সেই মুভির নায়ক।নিজে নায়ক মনে করে কোলবালিশের সাথে কত মারামারি করেছি !!! ছবির নায়কদের মত প্রতিবার আমিই জয়ী হতাম কোলবালিশ প্রতি বার পরাজিত হত । মনে মনে ভাবতাম আমার সাথে কে পারবে।কোলবালিশ ভিলেন কে মেরে নায়িকাকে কত বার নিয়ে গেছি তা মনে পড়েছে না………মনে না পড়াই কথা।মনে পড়ে কাঠি দিয়ে বন্দুক তৈরী করে আমি আর আমার কাজিন নাজমুল যুদ্ধ করতাম। আমার কাজিন নাজমুল এখণ কাতারে আছে বাবা-মার সাথে। মাঝে মাঝে ফোনে কথা হয়। শুনেছি কিছুদিন আগে না কি ত্তমরা হজ্জ্ব করতে গেছে নাজমুল ত্তর বাব-মার সাথে। ৫ বছর আগে ত্ত বিদেশ যায। থাক নাজমুলকে নিয়ে আর একদিন লিখব। আমাদের বাসায় তখন কোলবালিশ সপ্তাহে সপ্তাহে ছিড়ে যেত। প্রতি শুক্র বার বিকাল ৩টায় বাংলা ছবি দিত । আমি সারা সপ্তাহ অপেক্ষা করলাম ছবি দেখার জন্য। ৩ টা বাজলেই টি.ভি দেখতে ছুটে যেতাম পাশের বাসায়। তখণ আমাদের বাড়িতে টি.ভি ছিল না। সারা গ্রামে একটা টি.ভি ছিল। সবাই সেই বাড়িতে গিয়ে টি.ভি দেখত। সেই বাড়িতে আমার মত একজন ছিল । ত্তর নাম জামি। আমার ছোট বেলার বন্ধু । ত্ত বন্ধু হত্তয়ায় আমার ত্তর বাসায় টি.ভি দেখতে যেতে কোন সমস্যা হত না। আমার জন্য আলাদা একটা চেয়ার জামি রেখে দিত। সবার পড়ে গিয়েত্ত আমি ভাল একটা জায়গায় বসে টি.ভি দেখলাম । এই নিয়ে অন্য সব ছেলেরা হিংসা করত। এই নিয়ে যে মত কাহিনী আছে আমার তা একবারে লিখার মত ধৈর্য আমার নেই। তাই ধারাবাহিম ভাবে লিখব । একবারে সব কথা মনে পড়ে না। যখন আমার মনে হবে তাখণ আবার লিখব।