নয় হাজার মানুষের গল্প সাথে ২টি গল্প……….. :(:(— সচেনতা প্রয়োজন- স্কাইল্যান্সের পালানোর পরের গল্পটি….


প্রথমে কিছুক্ষন ভাবলাম কোথা থেকে শুরু করব। ভেবে কিছুই পেলাম না। শুক্রবার বাসে করে আইডিবি যাচ্ছিলাম এক বন্ধু পিসি কিনতে । যে বন্ধুর পিসি কিনতে যাচ্ছিলাম সেই আমাকে কল দিল যে আইডিবিতে তাড়াতাড়ি আস আমার তো অবস্থা খারাপ।বন্ধুটির মুখের কথা শুনে মনে হয় অনেক খাবড়ে আছে। জানতে চাইলাম কি হল?? বলল আগে আস তারপর বলল। বাস থেকে নেমে আইডিবিতে গেলাম। দেখি আইডিবির সামনে বন্ধুটি দাড়িয়ে আছে।ওর চোখ দুটো লাল হয়ে আছে। আমি বললাম কি হয়েছে?? বন্ধুটি(নামটি প্রকাশ করতে চাচ্ছি না ) বলল,” আমি সব শেষে!! আমি বললাম , “কি হয়েছে” বন্ধুটি,”আমার ১৮ হাজার টাকা জলে গেল” আমি,”কি হয়েছি বলবি তো”?? বন্ধুটি”স্কাইল্যান্সার ভেগে গেছে” বন্ধুটির দুচোখে যেন অশ্রু পড়তে শুরু করে। লোক লজ্বার ভয়ে অশ্রু যেন আর আসল না। তবে আমি বুঝতে পারছি ওর ভিতরে কি পরিমান কষ্ট হচ্ছে। একটা স্টুডেন্ট এর কাছে ১০০ টাকা মানে অনেক টাকা। ১০0 টাকা হারারে আমার বুক ফেটে যায়। আর ওর ১৮ হাজার টাকা। যদি ছেলেটা বড়লোকের ছেলে হত তাহলে সমস্যা ছিল না। মধ্যেবিও পারিবারের ছেলে। মেসে থেকে পড়াশুনা করত। কিছুদিন আগে  এখন বোনের বাসায় উঠৈ আসে । বোনের সাথে থাকে।টাকাটা বোনের কাছ থেকে নিয়েছিল। বোন নিয়েছে দুলাভাইয়ের কাছ থেকে। এই টাকাটা ওর বোনের একমাসের বাজারের টাকা। ও ওর বোনকে বলেছে যে তিন তারিখে টাকাটা ফিরত দিবে। বোনেও ভাইয়ের কথা বিশ্বাস করে টাকাটা দিল। কিন্তু এখন?? ও কি জবাব দিবে ওর বোনের কাছে?? ওর বোন ওর দুলাভাইয়ের কি বলবে?? সংসারে অশান্তি শুরু…………. জানি না এটা কতদিনে ঠিক হবে। বন্ধুটি এখন অসহায় হয়ে গেছে। এটা গেল একজনের কথা। এমন আর ও অনেক আছে। সংবাদপএ হিসাবে ৯০ হাজারের মত। তাহলে এমন ৯০ হাজার মানুষের গল্প আছে। আমার মনে হয় সংখ্যাটা আরও বেশি হবে। আচ্ছা সেই হিসাব বাদ দিলাম। দেখি কোন কত টাকা হল ৯০০০০*৭৫০=৬৭৫০০০০০ আমি অংকে একটু কাঁচা দেখুন তো গুনটা ঠিক আছে কি না :) এক তারিখে স্কাইল্যান্সার এর টাকা দেওয়া কথা ছিল । কিন্তু সেই টাকা না দিয়ে এরা পালিয়ে যাওয়ার প্যান করে। অলরেডী অনেকে পালিয়ে গেছে একজন ছাড়া। কত রঙ্গীন স্বপ্ন না দেখত এরা । দিনে দিনে কোটিপতি হয়ে যাবে। কিছুদিন আগে ইন্টারনেটের লোক আমার বাসায় আসল নেটের মাসিক বিল এর জন্য। আমি বিল দিলাম এবং কিছু সময় লোকটার সাথে গল্প করি। নেটে স্পীড কম কেন?? বর্তমান ব্যাবহারকরি কত? কি করছে ?? ইত্যাদি হাবিজাবি। তো ওদিন জানতে চাইলাম আপনাদের বর্তমান ইউজার কত জন জন?? রুহুল আমিন ভাই,”এখন তো আমাদের ব্যাবহারকরী আগের ডাবল হয়ে গেছে” আমি অবাক হয়ে বলি,”এত কারন কি??” রুহুল আমিন ভাই,” এখন ডুল্যান্সার , স্কাইল্যান্সার আর কি কি ক্লিকের কাজ নাকি আছে । যে পোলাডা ইন্টারনেটের ব্রাউজার ও ওপের করতে পারে না সে ও ক্লিকের কাজ করে নেটৈ। এই কাজের জন্য আমাদের ইন্টারনেট ব্যাবসার এখন রমারম ” আমি বলাল,” ওহ ব্যাপার তাহলে এটা!! :) একটু ভাবলাম আসলে টাকা টাকা এত সহজে আয় করা যায়। যদি তাই হত তাহলে মানুষের আর চাকুরী আর লেখাপড়া এবং এত কষ্ট করে কাজ শিখতে হত না ঘরে বসে ক্লিক করতে আর সারাজীবন বসে বসে আয় করত। স্কাইল্যান্সার এর প্রতারনার খবর নিয়ে এতক্ষনে বাংলা কমিউনিটি ব্লগগুলোতে অনেক লিখা লিখি হয়েছে। সবার তথ্য গুলো জানা। তবুও আমার লেখার শেষে তথ্য এবং এই সম্পকে জানান ভিডিওগুলো শেয়ার দিব।

আসুন আর একটা গল্পশুনি(গল্পটা সত্যি নামটি প্রকাশ করলাম না গোপনীয়াতার জন্য)

“যার গল্পটি বলর সে কিন্তু এই ছবিটির মধ্যে আছে । “(ছবিটি নেওয়া) ব্যাক্তিটির নিজের ভাষাটি আমি হুবহু তুলে দিচ্ছি।ব্যাক্তিটি হল আমাদের এলাকায় থাকা একটি বড় ভাই। গ্রামে থেকে শহরে এসেছে নতুন পড়াশুনার জন্য ওনার অবস্থা দেখুন। নামটি প্রচার করছি না। “চার মাস আগে ঢাকা আসলাম। চোখে কত স্বাপ্ন এই ঢাকা শহর নাকি কত সুন্দর। খুব ছোটবেলা একবার ঢাকা এসেছিলাম । এরপর আর আসিনি। আমার কাছে স্বপ্নের শহর হল এই ঢাকা শহর। বন্ধুদের সাথে মেসে থাকি। বাবা মাসে মাসে টাকা পাঠায়। দেখি আমার বন্ধুরা ইন্টারনেট ব্যাবহার করে। মেসে হাবীবের কম্পিউটার আছে সাথে নেট।আবার দেখে মেসের অন্য মেম্বারদের সাথে ওরা কি নিয়ে যেন আলোচনা করে। একদিন আমাকে ডেকে বুঝাল যে ক্লিক করে কেমন করে আয় করা যায়। আমি তো শুনে অবাক টাকা আয় করা এত সহজ। আমি আমি ও কাজ করব। হাবীব বলল, “এর জন্য নাকি ৭০০০ টাকা লাগবে??” কই পাব আমি এই সাত হাজার টাকা অনেকক্ষন ভাবলাম। আমার বাবা আমার পড়াশুনার টাকা পাঠাতেই হিমশিম খাচ্ছে। এর কয়েকদিন পর আমার পরীক্ষার ফ্রী এর টাকা পাঠানো হয়েছে। ফ্রী জমা দেওয়ার আরও পনের দিন সময় আছে। এই পনের দিনে আমি টাকা আয় করে নিজেই পরীক্ষার ফ্রী দিতে পারব। তো হাবীবের সাহায্যে আমি ৭০০০ টাকা দিয়ে একটা একাউন্ট খুলাম।শুরা হল আমার ক্লিক জীবন। বিশ্বাস করবা না তুসিন ১০০ টা ক্লিক করতে জান বের হয়ে যেত। কিছুদিন বন্ধুর পিসিতে করতাম। কিন্তু আর তো বন্ধু দিচ্ছে না। এখন নিজের একটি পিসি কিনা দরকার সাথে একটা ইন্টারনেট লাইন। কি করি??? রামপুরা এক খালা থাকে। খালাকে কাছ থেকে কিছু টাকা ,বন্ধুদের কাজ থেকে ধার করে একটা পিসি এবং মাসে ৫০০ টাকা দিয়ে একটা ইন্টারনেট এর লাইন নিলাম। এর মাঝে আমার পরীক্ষার ফ্রী এর সময় হয়ে গেল। আমি হাবীবকে বললাম টাকা লাগবে আমার আমার ক্লিকে ১৫০$ আছে । এই টাকা তুলব। হাবীব বলে অনলাইন তো তাই কিছুদিন সময় লাগে। কিন্তু সেমিষ্টারে ফ্রী এর সময় আছে দুইদিন মাএ। ক্লিক করি আর ফেইসবুকে রেফালের জন্য ফেইসবুকে বিভিন্ন গ্রুপে এডড দিতে থাকি। ফেইসবুকে এক মেয়ের সাথে পরিচয় হয় আমার। কি ভাল মেয়েটি । সারাদিন ক্লিক করে আর মেয়েটির সাতে চ্যাট করে। বন্ধুদের ৫ টা আইডিতে আমি প্রতিদন ক্লিক করতে থাকি ওরা বলে এর জন্য নাকি আমাকে কমিশন দিবে। এভাবে চলত আমার দিন। একদিন মেয়েটি আমার নম্বর চাইল আমি নম্বার দিলাম । শুরু হল ফোন আলাপ। মোবাইলে টাকা পুরানোর জন্য আমি অনেক দুপুর না খেয়ে ছিলাম। মনে মনে আশা আর কিছুদিন পর ক্লিক এর টাকা পাব। আর কষ্ট থাকবে না। প্রিয়তমাকে বুঝালাম কিছুদিন পর আর আমার কষ্ট থাকবে না।তখন আমিই তোমাকে বেশি ফোন দিব এখন তুমি দাও ।প্রিয়তমার কথা মত প্রিয়তমার একটা ক্লিকের আইডিতে আমি প্রতিদিন ক্লিক করতাম। মোট ৮টা মানে ৮০০ টাকার মত ক্লিক করতে হত। স্বপ্নের দিনগুলো পার হতে থাকল। পরীক্ষার ফ্রী দেওয়া দিন হল টাকা যোগার করতে পারলাম না:(:(:( এবারের মত পরীক্ষার দিতে পারব না।তবে মনে দু:খ হল না। আমার তো টাকা আছে পরের বার দিন। এর একদিন পরই দেখি এ

৯০ হাজার গ্রাহক স্কাইল্যান্সারের প্রতারণার ফাঁদে-ভাঙচুর, চেয়ারম্যান আটক

ভিডিওটি দেখুন তুসিন এখণ কি করব আমি।:’( বলে ভাইটি ফুপিয়ে ফুপিয়ে কাদতে থাকে। সবচেয়ে চমক তথ্য হচ্ছে যে মেয়েটিকে ভাইটি এত প্রছন্দ করত এবং মেয়েটির আইডিতে ক্লিক করত সেই মেয়েটির আইডিও নাই এখন ফেইসবুকে এবং ফোন বন্ধ। বুঝার বাকি নাই যে মেয়েটি তার ক্লিকের জন্য ভাইটির সাথে মিথ্যা প্রেমের অভিনয় করে। ওনার দুচোখে এখন অন্ধকার । না আছে পড়াশুনা, বন্ধুর টাকা ফিরত দিতে হবে, সাথে আছে খালার টাকা ফিরত, নিজের কাছে নিজেকে অপরাধী মনে হওয়া, বাবার এত কষ্ট করে পাঠানো টাকা নষ্ট করা। সব কিছু মিলিয়ে আজ ওনার অবস্থা খুব শোচনীয়। ব্যাপারটা হয়ত ভাবতে হাসি পাচ্ছে বলদ পোলাপান এগুলো করতে গেছিলা কেন?? কিন্ত তারা তখনো বুঝতে পারত না। তাদেরকে ভুল বুঝানো হয়েছে। মাথাটাকে ওয়াশ করা হয়েছে। কিছু শিক্ষিত যুবকই এই কাজটি করছে নিজের স্বাথের জন্য।তাদেরকে ইচ্ছা করেছে ফায়ার করে মারি। কেন যেন মানুষের আহাজারি দেখলে আমার খুব খারাপ লাগে। মনে হয় মানুষটার ভিরতে না জানি কেমন কষ্ট হচ্ছে। টিভির খবরে যখন দেখে ছেলেহারা মায়ের কান্না, বাবার কান্না। কাদতে কাঁদতে যখন বরে আমার বাবাকে কি পাব না?? আমার ছেলেটির লাশটাও দেখতে পারলাম না?? কি করেছিল আমার ছোট ভাইটি?? এর উওর আনমনে খুঁজে বেড়াই। কিন্তু কোন উওর নেই। তখন শুধু একটা কথা মাথায় আসে কোন দেশে বাস করছি আমার ??? দেখুন স্কাইল্যান্সার এর কিছু আপডেট খবর Skylancers ar M.D. Saiful islam aj RAB-3 er hata dhora porasa. Ar chairman Neil K Rahman kolabagan thanai asa….. Amra sobai cai jeno Neil K Rahman and Saiful islam k ak gaijai kora hoi and somjothar madomma grahok der pament dea hoi>>>(গ্রুপ থেকে প্রাপ্ত) কি ভদ্রলোক মনে হচ্ছে তাই না। আসলে দেখতে মনে হচ্ছে ডেসটিনির টাই পড়া লোক আসলেই তাই কিন্তু ইনি হল স্কাইল্যান্সার এর MD ?? ইনি হলেন চেহারম্যান…. :P :P এনার ফেইবুক আইডি নীল কে রহমান দেখুন কি হিরো মার্কা চেহার……….. :) আর একজন হল Md Ataur Rhaman Shojun (A R Shojun) (ছবিটি এখান থেকে নেওয়া) আর এটি হল সুজনের ফেইবুক আইডি ফেইসবুক সুজনকালকে বিভিন্ন গ্রুপে দেখলাম নতুন অনলাইনের আয়ের সাইটি নিয়ে পোস্ট দিয়েছে দেখুন “স্কাই লান্সারের বড় বড় লিডারা ফ্রী ডেস্ক লান্সার (freedesklancer)চালু করছে। আসুন আমরা ফ্রীডেস্কলান্সার এর লিডার দের আটক করি এবং আমাদের টাকা ফেরত নেই। ফ্রী ডেস্ক লান্সার এর যুক্ত আসে আতাউর রাহমান সুজন, আঙ্কন কুরি, রঞ্জিত তনু, পহর আরিফ। চলুন……… freedesklancer office address Faridpur Square,30 Chamelibag(3rd floor), Shantinogor, Dhaka-1217 MD Ranjit chandra Das 01676160026, 01685417732 skylancer ar BIG leader.” প্রতারনা কাকে বলে?? কত প্রকার এদের না দেখলে মনে হয় চিনা যাইতো না। লেখাটা শেষে দিকে চলে আসল। এই রকম অবস্থায় আমাদের কি করা উচিত?? ১. যে বন্ধুটি এরকম পরিস্তির শিকার তাকে ব্যাঙ্গ না করে শান্তনা দেওয়া । ২.বন্ধুটিকে বুঝানো যে এই ছোট ভুল থেকে শিক্ষা নে। যেন আর ভুল না হয়। ৩. মাথা ঠান্ডা রাখাত বলা। এই অবস্থায় অনেক তরুন কিন্তু নেশায় আক্রান্ত হতে পারে। তাদের দিতে নজর রাখা। যেন ভুলেও নিজের অসহায় হতাশা কাটানো জন্য নেশা না গ্রহন করে। যারা এই অবস্থার শিকার তাদের বলছি। আপনারা অনেক হতাশ তা বুঝতে পারছি কিন্তু এই ছোট ভুল থেকে শিক্ষা নিন। মনে ভাববে না নে আপনার এত টাকা লস হল জীবন শেষে। আমি করব?? কি জবাব দিব?? এই টাকা কেমন করে যোগার করব?? এই চিন্তা গুলো দূরে ফেলে দিন। যত চিন্তা করবেন কত বেশি অস্থীর হয়ে যাবেন। মাথায় উল্টা-পাল্টা চিন্তা আসবে। তাই মাথা ঠান্ডা রাখা শ্রেয়্। মনে মনে ভাবসেন নীতি কথা বলা সহজ কিন্তু তা প্রয়োগ করা কঠিন তুসিন সাহেব । এই নীতি কথা আমরাও জানি। ভাই আপনাদের বলছি যদি জানেন তাহলে প্রয়োগ করুন। আমাদের পরিবার কিন্তু আপনাদের দিকে তাকিয়ে আছে। নিজের মায়ের মুখখানা একবার চিন্তা করুন । তারপর নিজের জীবনের যদি কিছুই না থাকে তো কি হয়েছে বেঁচে আছেন এটাই বড় কথা। মনে রাখবেনর জীবনের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হল জীবনকে যে কোন স্থান থেকে শুরু করা যায়। একধুম শূন্য থেকে জীবনকে নতুন কতে শুরু করা যায়। মানুষের হতাশা থাকবে এটা স্বাভাবিক কিন্তু আমাদের এই হতাশ জয় করতে হবে। আমি নিজে যখন অনেক হতাশায় থাকি তখন বিখ্যাত বিখ্যাত মানুষের জীবনী এবং ইনাদের দেওয়া বক্তব্যগুলো পড়ি। তখন যেন জীবনের একটা ছন্দ খুঁজে পাই ।ইলে নিচের লেখাগুলো পড়তে পারেন।

১.একটি অসাধারন জীবনগাথাঁ-৩ “শিখতে হবে সবখানে”-সালমান খান

২.আমি তাহারে খুজিয়া বেড়াই….. একজন স্টীভ জবস………A – Z ….

সবাইকে এই MLM এর ব্যাপারে সচেতন হওয়া আবারও দরকার। আসুন দেখে নিন এই এমএমএল এর কয়টি প্রতিষ্ঠান আছে । বর্তমানে দেশে কতগুলো এমএলএম কোম্পানী আছে এই ব্যাপারে সঠিক কোন হিসেব না থাকলেও ধারনা করা হয় প্রায় ৭০টির মত প্রতিষ্ঠান আছে যারা এমএলএম এর সাথে জড়িত। এদের বেশির ভাগেরই নেই কোন অনুমোদন, অফিস। আছে শুধু চাপাবাজী। কয়েকটি বিখ্যাত (যদিও একটু সন্দেহ আছে বিখ্যাত নাকি কুখ্যাত!) এমএলএম প্রতিষ্ঠান হল: ১. ডেসটিনি ২০০০ লি: ২. ম্যাকনম লি: ৩. ইউনিপে টু ইউ (ইতিমধ্যে ভাগছে) ৪. স্পিকএশিয়া লি: (ইতিমধ্যে ভাগছে, আবার আসমু আসমু কইতেছে) ৫. ইলিংকস লি: ৬. আইলিংকস লি: ৭. ব্রাভো আইটি লি: ৮. নিউওয়ে বিডি লি: ৯. ইজেন ইন্টারন্যাশনাল ১০. সুপার অনলাইন সার্ভিসেস ১১. রেভেন্যাক্স এলএলসি বিডি লি: ১২. এশিয়ান কিং ১৩. গ্লোবাল ইনসুরেন্স ১৪. এইমওয়ে কর্পোরেশন ১৫. এমওয়ে কর্পোরেশন ১৬. পানাছিয়া ইন্টারন্যাশনাল ১৭. ডোল্যান্সার ১৮. স্কাইল্যান্সার ১৯. দিশান বাংলাদেশ ২০. টিভিআই এক্সপ্রেস ২১. ভিসারেভ ২২. রিয়েল সার্ভে ২৩. রেম সার্ভে ২৪. বেরি সার্ভে ২৫. ডেইলি ট্রেড ২৬. গ্লোবাল গ্রীন ২৭. ইউনি গোল্ড ২৮. মাল্টিভিশন এশিয়া প্রা: লি: এছাড়াও এরকম আরো অনেক নাম না জানা প্রতিষ্ঠান আছে যারা এমএলএম ব্যবসার নামে প্রতারনার ফাদ তৈরী করে রেখেছে। আমাদের উচিত এগুলো থেকে সচেতন থাকা। একটি সমাজের কিছু খারাপ লোক থাকবেই এটা স্বাভাবিক। তাই আমাদের এই লোকগুলো থেকে দূরে থাকতে হবে। মিডিয়াতে স্কাইল্যান্সের খবরের লিংক গুলো ১. স্কাইল্যান্সার ও অনন্য পিটিসি সাইট বন্ধ করুন  ২.ইন্টারনেটে প্রতারণা, স্কাইল্যান্সার হাতিয়ে নিয়েছে ২৮ কোটি টাকা ৩.৯০ হাজার গ্রাহক স্কাইল্যান্সারের প্রতারণার ফাঁদে-ভাঙচুর, চেয়ারম্যান আটক.উত্তরাঞ্চলে আউটসোর্সিংয়ের নামে এমএলএম কোম্পানির প্রতারণা দেখুন আমাদের পুলিশ বাহীনির অবদান এই সেই পুলিশ অফিসার। যে কিনা আমাদের কাছ থেকে নিল রে থানায় নিয়ে গেছে। আমরা সারা দিন না খাইয়া ছিলাম। আর এই পুলিশ নাকি ১ কোটি টাকা ঘুষ খাইয়া নিল রে জামাই আদরে রাখছে, আমাদের সামনে দিয়া বিরানির প্যাকেট নিয়া নিল রে খাওয়াইছে, এরপর কি

আপনার বলেন যে?? দেখুন ডুল্যান্সার এর প্রতারনার খরব

‘Dolancer’ প্রতারণা ও ঠকবাজীর ডিজিটাল উপায়
রপর যদি dolancer এর দালালদের শিক্ষা না হয় । তাহলে কিছুই বলার নাই । :(

অনেক বড় হয়ে গেল লেখাটা। এখানে শেষ করছি। তবে সবাইকে অনুরোধ যার যার স্থান থেকে এদের প্রতিবাদ জানানো। ভাল থাকুন

একটি অসাধারন জীবনগাথাঁ-৩ “শিখতে হবে সবখানে”-সালমান খান


এর আগে অসাধারন জীবনগাথাঁর পর্ব দুইটি পড়তে-
একটি অসাধান জীবনগাথাঁ : আমি চাই, সবাই আমাকে মনে রাখুক একজন সাধারণ মানুষ হিসেবেই-টিম বার্নাস লি

একটি অসাধারন জীবনগাথাঁ-২- “অন্তত নিজেকে চিনতে হবে”- শাহরুখ খান


বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সালমান খানের জন্ম ১৯৭৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ অরলিন্সে। সম্প্রতি টাইম ম্যাগাজিন নির্বাচিত বিশ্বের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির মধ্যে স্থান পেয়েছেন সালমান। ১০ মে ২০১২ রাইস বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে তিনি এই বক্তৃতা দেন।


আজ এখানে বক্তৃতা দিতে পারা আমার জন্য সত্যিই এক বিরাট সম্মানের ব্যাপার। আমি বেশ বুঝতে পারছি যে, এখানে দাঁড়ানোয় ৩৫ বছরের নিজেকে তোমাদের তুলনায় অনেক বয়স্ক দেখাচ্ছে! কিন্তু আমার নিজের কাছে মনে হচ্ছে, আমি যেন আমার ছোট ভাইবোনদের কিছু বলতে এসেছি। আজ আমি তোমাদের সঙ্গে কিছু চিন্তাভাবনা শেয়ার করতে চাই। এমন কিছু ব্যাপার, যা নিয়ে আমি স্বপ্ন দেখি, দেখতাম এবং এখনো দেখছি। Continue reading

তব নাহি চলিয়া যাই পর্ব -১


“আমি জানি আমি দেখতে সুন্দর না। তাই বলে আমার সাথে এমন ব্যাবহার করতে হবে।সত্যি আজ বড়ই খারাপ লাগছে। আল্লাহ তুমি আমাকে কেন এমন করে পাঠালে এই পৃথীবিতে। আমি একটু দেখতে সুন্দর হলে কি সমস্যা হত?? সেই ছোটবেলা থেকে দেখে আসছি বাবা -মা আমার বোনকে বেশি আদর করে :( আর আমাদের ক্লাসের মেয়েদের কথা ছেড়ে দিলাম। আমার সাথে যেন বন্ধুত করতে তাদের জাত যাবে অবস্থা। আজ সারা দিন বোনের রুমে দরজা দিয়ে কেদেছি। এর চেয়ে আমি মরে যাই এটাই ভাল হবে। সবার ইগনর দেখতে দেখতে আমি অতিষ্ঠ হয়ে গেছি।যদি আত্নহত্যা মহা পাপ না হত আমি কবেই মারা যেতাম। কিন্তু তা পারছি না।অনেক বার চেষ্টা করেছি মারা যাওয়ার কিন্তু পারিনি ভয় করে :(
আসলে মারা যাওয়া অনকে সহজ না। অনেক কষ্টের  হা.হা….আমি অনেক ভীতু তাই পারছি না।
আমাদের ক্লাসের সব মেয়েদের দেখি  সবার বয়ফেন্ড আছে। আমি এগুলো বিশ্বাস করি না। কিন্তু মাঝে মাঝে  ইচ্ছা হয় আমার ও এমন একজন থাকবে যাকে সব কিছু বলা যাবে। যার কাধে মাথা রেখে একটু কাদব ,যারা সাথে একটু মন খুলে কথা বলব বাসায় কেউ বকা দিলে সেটা শেয়ার করব, মাঝে মাঝে আমরা চলে যাব ফুসকা খেথে মাঝে মাঝে বৃষ্টিতে ভিজব সেই মানুষের সাথে। কিন্তু আমার সে রকম কেউ নেই। আসবে কেন আমি কি সুন্দর নাকি। আমি সুন্দর হলে অনেক ছেলে আমার পিছনে ঘুরত। সুন্দর নই বলে কেউ নেই। আমিও যাই না কাউর কাছে। কোচিং ক্লাস করার সময় হাসিব নামে ছেলেটাকে ভীষন ভাল লাগত। মাঝে মাঝে আমরা কথা বলতাম। কিন্তু কখনো বলতে পারি না ভাল লাগে। জানি বললার পর বলবে “আয়নায় নিজের চেহারাটা একটু দেখ” :(
আল্লাহ আমার অপরাধ কি? কেন আমার গায়ের রংটা কালো করে বানালেন।একটু ফরসা করে বানালে কি এমন ক্ষতি হত তোমাল ?? আল্লাহ তোমার কি কম আছে?? আমার গায়ের রংটা একটু ভাল করলে কি হত?”

আজকে আর ডায়েরী লিখতে পারছি না। একটু পর আপু চলে আসবে রুমে আমি থাকি আপুর রুমে। আপু যদি দেখে আমি ডায়েরী লিখি তাহলে খবরই আছে। ডায়েরী পড়তে চাইবে এবং আম্মুতে ডেকে বলবে আমি না পড়ে ডায়েরী লিখছি।আর আম্মু বলবে বাবাকে। এরপর বাবা আর মা একসাথে বকা শুরু করবে :( এখন তাহলে যাই ডায়েরী। রাতে সময় পেলে আসব  আবার।

আমি এবং দুই চাকা……. এবং একটি সাইকেল !!


যতদূর মনে পড়ে আমি তখন ক্লাসফোরে পড়ি ।

“গ্রামের রাস্তা দিয়ে সাইকেল চালাচ্ছি আমি। অনেক তাড়াতাড়ি ছুটে যাচ্ছি। চারপাশের পৃথীবিটাতে মনে হচ্ছে থেকে আছে আমি শুধু ছুটে চলছি।প্যাডেল চাপতে হচ্ছে না আমার সাইকেল এর অটোমেটিক ভাবে তা চলছে। আমি তো দেখে তা অবাক। আমি দ্রুত গতিতে যাচ্ছি। যেন একটু পর আমি আকাশে উড়ে যাব। বড় কোন গর্ত দেখলে সাইকেল নিয়ে জাম্প দিয়ে গর্ত পার হই।ব্যাপক মজা নিয়ে সাইকেল চালাচ্ছি। আশেপাশের মানুষ আমার দিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে।ছুটে চলছি তো ছুটে চলছি এক গ্রাম থেকে অন্য গ্রামে”
আসলে ব্যাপারটা কোন সত্যি ঘটনা না।ছোটবেলা স্বপ্নে দেখতাম ব্যাপারটা। মনে হত আমি সত্যি সাইকেল চালাচ্ছি। স্বপ্নটা এত বাস্তব্য বলে মনে হত:D

ছোট বেলা আমার সাইকেল এর প্রতি কোন আগ্রহ ছিল না। চারপাশে সবাই দেখলাম
সাইকেল চালাচ্ছে কিন্তু আমার কখনো একটুও ইচ্ছা করত না সাইকেল চালতে। কিন্তু একদিন পর ভাসিটি লাইফে এসে আমার মাথায় সাইকেল এর পোক ডুকে গেল। কিছুতেই তা থেকে মুক্ত হতে পারছিলাম না। কিন্তু আমি তো সাইকেল চালাতে পারি না। কিভাবে শিখব। সেটা বিরাট এক কাহীনি। এটা নিযে অন্য একদিন লিখব। অবশেষ আমি দুইদিনের মাথায় সাইকেল চালানো শিখে গেলাম।কিন্তু নিজের সাইকেল নেই। তাই ভাবলাম একটা কিনি। আম্মাজানকে কিছুতেই রাজী করাতে পারছি না। বলে আমি নাকি রাস্তায় মধ্যে বেখেয়ালীভাবে সাইকেল চালাব। কখন কি হয়?? রাস্তা-ঘাটের অবস্থা ভাল না। ইত্যাদি ইত্যাদি ।তারপর অশ্রুদশনীকে রাজি করলাম।অনেকদিন পর আম্মাজান রাজী হল। প্রায় একমাস লাগছে। তারপর একদিন চলে গেলাম বংশালে। তারিখ টা ৩.৫.১২ বৃহস্পতিবার।
কিছু ছবি দেখেন

এই যে এটা নিলাম।
তবে
এই যে আমার সাইকেল পার্টস লাগনো হচ্ছে।

একটি অসাধারন জীবনগাথাঁ-২- “অন্তত নিজেকে চিনতে হবে”- শাহরুখ খান


এর আগের অসাধারন জীবনগাথাঁর প্রথম পর্বটি “
একটি অসাধান জীবনগাথাঁ : আমি চাই, সবাই আমাকে মনে রাখুক একজন সাধারণ মানুষ হিসেবেই-টিম বার্নাস লি
  

আমার বরাবরের মত যে কাউ বক্তব্যগুলো পড়তে খুব ভাল লাগে। বড় বড় বিখ্যাত মানুষের কি সহজেই না জীবনের বাঁকে বাঁকে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো বলে। পড়তে এবং শুনতে দুটাই ভাল লাগে। মাঝে মাঝে নিজেকে না চিনলে অথবা যখন খুব অসহায় লাগে তখনএই লেখাগুলো বেশ সহায়ক ।

শাহরুখ খান আমার অনেক প্রিয় একজন নায়ক। বলতে গেলে আমি শাহরুখের চরম একজন ভক্ত। মানুষটার অভিনয় এর বিশেষ কিছু গুন আছে যা অন্য কাউর মধ্যে নেই।

Continue reading

‎(স্ত্রীকে লেখা মিনার মাহমুদের শেষ চিঠি)


একটা মানুষ এমন করে চলে গেল। ভাবতে খারাপ লাগল। যখন খবরটা শুনলাম তখন খুব জানতে ইচ্ছা করছিল তার শেষে চিরকুটে কি লেখা ছিল। সেই চিরকুটটা আজ প্রকাশ হল । আমার ব্লগে একটা বিভাগ আছে চিরকুট। চিঠি জাতীয় লেখা নিয়ে। মাঝে মাঝে আমি নিজে কাল্পলিক কাউকে চিরকুট লিখি সেই লেখাগুলো মাঝে আজ সত্যি একটা বিষন্ন ছায়া পড়ল। মৃত্যু আগে তার লিখতে কি না কষ্ট হয়েছিলা। কত কষ্টমাখা হৃদয়ে তিনি এই নোট খানা লিখেছেন ভাবতেই গা কাটা দিয়ে উঠছে।

আশির দশকের আলোড়ন তোলা সাপ্তাহিক বিচিন্তার সম্পাদক মিনার মাহমুদ ২৯ মার্চ আত্মহননের পথ বেছে নেন। রাজধানীর খিলক্ষেতে হোটেল রিজেন্সির একটি কক্ষে তার মরদেহ পাওয়া যায়। মৃত্যুর আগে স্ত্রী লাজুক লতাকে লিখে যান তার জীবনের শেষ চিঠি। মিনার মাহমুদের সেই চিঠিটি কোনো ধরনের সম্পাদনা ছাড়া হুবহু প্রকাশ করা হলো। Continue reading

একটা সুসতাম নীরবতার মাঝে ব্যাস্তমত একটা আলো


মানুষকে  বোঝার ক্ষমতা দিন – দিন আমার চরম খারাপ থেকে খারাপ হচ্ছে। আগে একটা মানুষের সাথে খুব দ্রুত মিশতে পারতাম এবং একটু কথা বললেই মোটামোটি মানুষটি সম্পকে ভালই ধারনা হত। কিন্তু দিন যত যাচ্ছে ব্যাপারটা খারাপ হচ্ছে আমি আস্তে আস্তে মানুষের সাথে মিশা ভুলে যাচ্ছি। কিছুদিন একটা মানুষের সাথে ভাল ভাবে চললেও সে মানুষটা কিছুদিন পরও মনে করে আমি খুব মুডি এবং নিজেকে নিয়ে ব্যাস্ত থাকি এবং স্বার্থপর। যদিও অন্যের ক্ষতি করতে চাই না কখনো তারপরেও। ব্যাপারগুলো নিয়ে সারাদিন ভাবি। ভেবে কয়েকটা সূএ বের করতে পেরেছি বলে মনে হচ্ছে। ব্যাপারগুলো আস্তে লিখব । ব্লগে অনেকবার ধারাবাহিক কিছু লেখার চেষ্টা করেছি কিন্তু তা হয়ে উঠে নি। জানি এটাও হয়ে উঠবে না। আমি ইদানিং নিজেকে নিয়ে বেশি ব্যাস্ত থাকি ভাল লাগে।  তারপর বেশ কিছু মানুষকে টাইম দেওয়া হয় না। সাথে যুক্ত হয় আমার স্বার্থপর বেশি রুপ। হাহাহাহা  কথাগুলো পড়ে কেউ মাথা মুন্ড বুঝবে না। বলবে কি সব কথাবার্তা এগুলো পড়ার জন্য এই ব্লগে আসলাম। তাই নিজের লেখাগুলো আর অন্য কোন কমিউনিটি ব্লগে দেই না। কেন মানুষ আমার এই লেখা পড়ে সময় নষ্ট করবে। নিজের ব্যাক্তিগত ব্লগে যা ইচ্ছা তা লিখব নিজের স্বাধীন মত । নিজের মত। কমিউনিটি ব্লগগুলোতে লিখলে সবার পছন্দের দিকে তাকিয়ে লিখতে হয়। অনেককে দেখি লেখায় বেশি হিট পাওয়ার জন্য ১৮+ টাইপের লেখা লিখে। কি লাভে ?? জানি না ?? জানতে চাইও না।
থাক সে সব কথা।
সকালে ঘুম থেকে উঠে যখন বারান্দায় যাই তখন কেন যেন আনমনে একটু নল্টালজি হয়ে যাই। কত কি মনে পড়ে…….বারান্দায় দাড়িয়ে দাতঁ মাজতে মাজতে  পূবে দিকে  তাকিয়ে সূর্য উঠা দেখি  একটা সময় ছিল যখন নানা স্বপ্ন দেখতাম  সকাল বেলা বারান্দায় দাড়িয়ে । চোখের সামনে যেন সেই দিনগুলো কথা মনে পড়ে। কিছুটা খারাপ লাগে ভাবতে। কিন্তু অবাক চোখে জল আসে না। একটা স্বভাব আমার খুব ভাল হয়েছে এখন যেন খুব সহজে চোখ জল আসে না। কেঁদে বুক ভেসে যায় কিন্তু চোখে জল আসতে চায় না।  তবুও মাঝে মাঝে চলে আসে টপটপ করে …. :’( .. :’(  কতটা কল্পনা প্রবল বালকই না ছিলাম। এখনো সেই অভ্যাসটা যায় নাই। কেউ কেউ বলত ,” যারা কল্পনা করতে ভালবাসে তারা নাকি খুব ভাল হয়”  কে বলছে তা মনে নেই। তাকে বলছি ভুল কথা । সত্যি ভুল কথা। ১০০০ %
জন লিওনের ইমাজিন গানটার মত প্রায় ভাবতে ইচ্ছা করে  ।
যখন গানটা শুনি তখন যে ভাবনাগুলো ভাবি তার একটা লিস্ট করা চেষ্টা। আমাদের এমন কিছু গান থাকে যে গানগুলো শুনলে  কেন যেন আনমনে চোখ বন্ধ হয়ে যায় এবং নিজের অজান্তে আমরা স্বপ্ন দেখতে থাকি। যেন গানের কথা সাথে জীবনের   ঘটে যাচ্ছে কিংবা ঘটে না থাকলে আমার চেষ্টা করি সে রকম কিছু কল্পনা করার জন্য। আসলে শূন্য এই পৃথীবিতে ভাবতে লাগে লাগে যেন।
আজকে একজন বন্ধুতে অনেকক্ষন বুঝলাম । কারন তার গার্ল ফেন্ড ছেড়ে চলে গেছে। J মু চকি হাসি পায়। আরে বেটা যে বাবা মা ২০ বছর তোরে লালন –পালন করল তাদের এমন করে ভুলে গেলি। অবশেষে মনে হয় বুঝাতে সক্ষম হয়েছি বলে মনে হল। আসলে এই বয়সে একটু একটু এমন হয়ই। সেটা স্বাভাবিক। আমরা মানুষ আমাদের আবেগ থাকবেই।

ইদানিং    রাতে অন্ধকারে হাটতে বেশি ভাল লাগে। প্রায়ই রাতে হাটি। রাতের দিয়ে যখন হাটি তখন নিজের মধ্যে নানা কবিতার লাইন ঘুরতে থাকে।  বিরবির করে বলেতে থাকি সে সব কবিতাগুলো। কখনো বিখ্যাত কবিতার সাথে নিজের বানানো কয়েকটি লাইন ডুকিয়ে দেই। J চারদিকে মানুষের দ্রুত ছুটে যাওয়া দেখতে ভীষন ভাল লাগে। সবার মাঝে কি ব্যাস্ত। মিরপুর ১০ নং  চক্র এর ওভারব্রীজ এর উপর মাঝে মাঝে  দাড়িয়ে ব্যাস্ত গাড়ি  এবং মানুষের ছোটাছোটি দেখি।  রাতের আলোর চারপাশে যেন একটা উদ্ভট পরিবেশ সৃষ্ট হয় চারদিকে। মনে হয় একটা সুসতাম নীরবতার মাঝে ব্যাস্তমত একটা আলো চারদিকে।

এই আলো  ছায়ার খেলা আর কতদিন দেখব জানি না। তবুও একটু শান্তি চাই । একটু নিজের মত থাকতে চাওয়া শুধু নিজের মত থাকতে……..
নিজের মত একটা …………আর লিখতে ইচ্ছা করছে না।